দুপুর ১:২৯, বৃহস্পতিবার, ২৯শে জুন, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / সংসদ সদস্যকে হত্যা
সংসদ সদস্যকে হত্যা
জানুয়ারি ৫, ২০১৭

 

নতুন বছরের প্রথম দিনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এমপি মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যার রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি। সংবাদপত্রে বিদায়ী বছরে বাংলাদেশের আশা-জাগানিয়া নানা অগ্রগতির ঘটনা ও তরুণ সমাজের সৃজনশীলতার বিভিন্ন খবরের পাশে অনেক স্থান জুড়ে শংকা জাগিয়ে রয়েছে এমন খবরে।

 একজন সংসদ সদস্যকে তার বাড়িতে ঢুকে এভাবে গুলি করে হত্যা করা আমাদের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ওপর বড় আঘাত। সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি। জনগণকে মিলেমিশে থাকতে হয় তাদের। সংসদ সদস্য লিটনও এর বাইরে যেতে পারেন না। ঘটনার সঙ্গে উগ্রবাদীদের সম্পৃক্ততা সন্দেহ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মনে করছে, সংসদ সদস্য লিটনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। লিটন সমর্থকদের ধারণা, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। উগ্রবাদী ধর্মীয় সংগঠনের ক্যাডাররা জড়িত থাকতে পারে।

 যে কারণেই এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটুক না কেন, তা একটি উদ্বেগজনক বিষয়। রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের মাধ্যমে অদৃশ্য কোনো মহল দেশে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে এমন ধারণাও করছেন অনেকে। হত্যার ঘটনায় রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃত হত্যাকারী শনাক্ত করা ও শাস্তি দেওয়া। একটি সহনশীল ও গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 হানাহানি ও সংঘাত আমাদের অবশ্যই পরিহার করতে হবে। যারা এসব অপরাধ করে তাদের কোনক্রমেই ছাড় দেওয়া যাবে না। আইনের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য আমরা চাই, সঠিকভাবে তদন্ত কাজ এগিয়ে চলুক। প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়–ক। মানুষের জান-মাল, নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব -এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top