দুপুর ১:৪১, সোমবার, ২৯শে মে, ২০১৭ ইং
/ বিনোদন / শেষের পথে মৌসুমী-ফেরদৌসর ‘পবিত্র ভালোবাসা’
শেষের পথে মৌসুমী-ফেরদৌসর ‘পবিত্র ভালোবাসা’
এপ্রিল ১২, ২০১৭

অভি মঈনুদ্দীন: চিত্রনায়ক সুজন, চট্টগ্রামের সন্তান। ১৯৮২ সালে তার অভিনীত সিবি জামান পরিচালিত ‘উজান ভাটি’ চলচ্চিত্রের মধ্যদিয়ে নায়ক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে। এরপর ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিশেরও অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

চিত্রনায়ক সুজনের তত্ত্বাবধানে ‘চাটগাঁ ফিল্মস প্রোডাকশনস লিমিটেড’র প্রায় ত্রিশ জনের প্রযোজনায় একে সোহেলের কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য, গীত ও নির্দেশনায় নির্মিত হচ্ছে মৌসুমী ও ফেরদৌস জুটিকে নিয়ে ‘পবিত্র ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রটি। গত বছরের নভেম্বর মাসে চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হয়।


 আজ ঢাকার অংশে মৌসুমী ও ফেরদৌস শেষ বারের মতো শুটিং-এ অংশ নিবেন। এরপর মে মাসে মৌসুমী ও ফেরদৌস চট্টগ্রাম শহরের কোন একটি লোকেশনে কিছু হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যে অভিনয় করবেন বলে জানান সুজন। পরিচালক একে সোহেল চলচ্চিত্রটির গল্প প্রসঙ্গে বলেন,‘ ভালোবাসার কোন জাত, ধর্ম নেই। ভালোবাসায় কোন ভেদাভেদ নেই। ভালোবাসা সবার জন্য।


 এই বিষয়টিই পবিত্র ভালোবাসায় তুলে ধরা হচ্ছে।’ চলচ্চিত্রটিতে হিন্দুদের পঞ্চায়েত প্রধান মায়া দেবী চরিত্রে মৌসুমী এবং মুসলমানদের পঞ্চায়েত প্রধান দিদার পাশা চরিত্রে অভিনয় করছেন ফেরদৌস। মৌসুমী এবং ফেরদৌস দু’জনই বহুবার জাতীয় চলচ্চিতও পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন বিভিন্ন চলচ্চিত্রে তাদের অনবদ্য অভিনয়ের জন্য। ‘পবিত্র ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন,‘ পবিত্র ভালোবাসা চলচ্চিত্রটির গল্প মৌলিক। এর আগে একে সোহেল ভাইয়ের খায়রুন সুন্দরী চলচ্চিত্রে আমার এবং ফেরদৌস’র অভিনয় দর্শকের কাছে প্রশংসিত হয়েছিলো।


 এই চলচ্চিত্রটিতেও কাজ করে বেশ ভালোলাগছে। নতুন গল্প, নতুন চরিত্র সবমিলিয়েই দর্শকের কাছে ভালোলাগবে চলচ্চিত্রটি। আমি খুব আশাবাদী।’ ফেরদৌস বলেন,‘ মৌসুমীর সঙ্গে আমার অভিনীত চলচ্চিত্র সবসময়ই দর্শকের কাছে অন্যরকম সাড়া ফেলে। তাই আমরা দু’জনই বেশ আগ্রহ নিয়েই কাজ করি। মৌসুমী আমার খুব ভালো একজন বন্ধু, সেইসাথে আমার খুব ভালো একজন কোআর্টিস্ট।


আমরা দু’জনই কাজের সময় একে অন্যকে খুব সহযোগিতা করি। চিত্রনায়ক সুজন ভাই, পরিচালক সোহেল ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ যে তারা এই সময়ে এসে এমন চমৎকার একটি গল্পের চলচ্চিত্র দর্শককে উপহার দিতে যাচ্ছেন। ’ পরিচালক একে সোহেল নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ছিলো মৌসুমী ও ফেরদৌসকে নিয়ে ‘খায়রুন সুন্দরী’। এরপর তিনি নির্মাণ করেন ‘বন্ধক’,‘ জমেলা সুন্দরী’,‘ বাংলার বউ’,‘ডাইনি বুড়ি’,‘মায়ের গায়ে বিয়ের শাড়ি’। কলকাতায় তিনি নির্মাণ করেন ফেরদৌস ও রচনা ব্যানার্জিকে নিয়ে ‘প্রাণের স্বামী’ চলচ্চিত্রটি।
ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top