দুপুর ১:৩৪, সোমবার, ২৯শে মে, ২০১৭ ইং
/ রাজশাহী / শেরপুরে বেসামাল দুধের বাজার প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা
শেরপুরে বেসামাল দুধের বাজার প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা
এপ্রিল ১২, ২০১৭

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দুধের বাজার বেসামাল হয়ে পড়েছে। ফলে গেল তিনদিনের ব্যবধানে প্রতি লিটার দুধের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত। বাজারে প্রচুর পরিমাণ দুধের আমদানি থাকলেও দাম কমার কোন লক্ষণ নেই। বরং দুধের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা। তারা জানান, এই উপজেলার মধ্যে ছোট-বড় শতাধিক দুধ-মিষ্টির কারখানা রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৩০টি বড় দই তৈরির কারখানা রয়েছে। শহরের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডস্থ সাউদিয়া হোটেল ও অদূরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে ধনকুণ্ডি এলাকায় রয়েছে ফুড ভিলেজ ও হোটেল পেন্টাগন নামে তিনটি বড় হোটেল রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত দইসহ প্রচুর পরিমাণ মিষ্টান্ন সামগ্রী তৈরি করা হয়। এছাড়া এখানকার তৈরি রকমারি মিষ্টান্ন সামগ্রী দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় পাঠানো হয় এবং দেশের বাইরেও রফতানি করা হয়ে থাকে। বাজারে দুধ বিক্রি করতে আসা গোলাম রব্বানী, জহুরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম সদেরসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে দইসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন সামগ্রী তৈরির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বাজারে দুধের আমদানির তুলনায় চাহিদার পরিমাণ বেড়ে গেছে অনেক। মূলত এই কারণে দুধের বাজার বেসামাল হয়ে পড়েছে। এদিকে গতকাল বুধবার পৌরশহরের রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার দুইশ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী দুধের বাজারে গিয়ে জানা যায়, এই দুধের বাজারে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ মণ দুধের আমদানি হয়ে থাকে। শেরপুর, ধুনট, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, পাবনা থেকে খামারি ও ব্যাপারিরা এই বাজারে দুধ বিক্রি করতে এসেছেন। এরমধ্যে লাল মিয়া, আফছার আলী, আব্দুল জব্বার জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে দুধ কিনে এনে এখানে বিক্রি করে থাকেন। বর্তমানে সেসব এলাকাতেও দুধের দাম বেশি। তাই তাদেরও বেশি দামে দুধ বিক্রি করতে হচ্ছে। গেল তিনদিন আগে প্রতি লিটার দুধ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে সেই দুধ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  শহরের ঘোষপাড়াস্থ একটি দইয়ের কারখানার স্বত্বাধিকারী নিমাই ঘোষ জানান, বাংলা নববর্ষের কারণে ব্যবসায়ীরা দই ও মিষ্টান্ন সামগ্রী আগের তুলনায় একটু বেশি তৈরি করছেন। এ কারণে বাজারে দুধের চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু আমদানি তেমন একটা বাড়েনি। ফলে বিক্রিতরা ইচ্ছেমতো দুধের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানান।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top