সকাল ৬:০৭, শনিবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / শেখ হাসিনার কিছু হলে সারাদেশে আগুন জ্বলবে: কাদের
শেখ হাসিনার কিছু হলে সারাদেশে আগুন জ্বলবে: কাদের
January 3rd, 2017

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু হলে সারা বাংলায় আগুন জ্বলবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, লিটনের হত্যাকারী কারা তা ইতোমধ্যে দেশের জনগণ জেনে গেছে। তাই ষড়যন্ত্র করে কেউ পার পাবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু হলে সারা বাংলায় আগুন জ্বলবে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় নগরভবনে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, লিটনকে মেরে ‘ব্লেইম গেম’ হচ্ছে। আজ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মানুষ বুঝে গেছে কারা লিটনের হত্যাকারী। ষড়যন্ত্র চলছে, আওয়ামী লীগকে আর জনগণের ভোটে পরাজিত করা যাবে না। তাই ষড়যন্ত্রকারীরা চক্রান্তের চোরাবালিতে ভেসে যাবে। আমি পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই শেখ হাসিনার কিছু হলে সারা বাংলায় আগুন জ্বলবে। তিনি আরও বলেন, ৭৫’ আর ২০১৭ সাল এক নয়। পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই ৭৫ এর বঙ্গবন্ধু, যে বুলেট তাকে খুন করেছে, ২০১৭ সালে সেই বঙ্গবন্ধু হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন বছরের প্রথম সাম্প্রদায়িক হামলা। লিটনকে কারা হত্যা করেছে তা সারাদেশের মানুষের জানা হয়ে গেছে।

এই হত্যা জনগণের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের বিপক্ষে পুরনো ষড়যন্ত্রেরই আরেক রূপ। তিনি বলেন, লিটন হত্যার পর তার নির্বাচিত এলাকায় যে জনপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। তাতেই প্রমাণ করে লিটনের কী জনপ্রিয়তা ছিলো। কোন প্রকৃতির নেতা ছিলো। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগের বিশতম সম্মেলনের পর দলটি নবচেতনায় উদ্বেলিত হয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এখন আওয়ামী লীগের যেকোনো সমাবেশেই জনপ্রতিনিধি ও তাদের ভোটারদের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সুতরাং এই দলের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র করে পার পাওয়া যাবে না। আগামি ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে স্মরণকালের সেরা জনসভা হবে। ওই দিন লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে। ঢাকা শহর জনসমুদ্রে পরিণত হবে, যোগ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। কাউন্সিলরসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পাড়া মহল্লায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী লোকদের বুঝিয়ে সমাবেশে আনার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিক নির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন। নতুন বছরে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে আমাদের দিক নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে আমাদের করণীয় ও গত দুই বছরে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, নওফেল চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :