সকাল ১০:০৪, রবিবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ জাতীয় / শেখ হাসিনাকে মোদির চিঠি
শেখ হাসিনাকে মোদির চিঠি
আগস্ট ১০, ২০১৭

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা  বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে শেখ হাসিনার হাতে এই চিঠি এবং মোদি সরকারের মূল্যায়ন নিয়ে লেখা ‘মার্চিং উইথ আ বিলিয়ন’ বইয়ের একটি কপি তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তবে চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি।

ভারতীয় হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাপ্তাহিক ইন্ডিয়া টুডের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক উদয় মাহুরকারের লেখা ‘মার্চিং উইথ আ বিলিয়ন’ বইটিতে মোদি সরকারের তিন বছরে অবকাঠামো, পররাষ্ট্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সামাজিক ক্ষেত্র, আর্থিক, কৃষি, ডিজিটাল প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

বইটিতে পররাষ্ট্র নীতির উপর দৃষ্টিভঙ্গি অংশে বাংলাদেশকে নরেন্দ্র মোদি সরকারের অধীনে ভারতের প্রধান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির প্রশংসা ও স্বীকৃতিরও উল্লেখ রয়েছে।
দুই দেশের সীমান্ত চুক্তির সফল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যতিক্রমধর্মী নেতৃত্ব এবং সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বইয়ে। বইটি বিশ্বের সব চেয়ে বড় গণতন্ত্রের অগ্রগতি ও অর্জনের সময়োপযোগী দর্শন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে ভারত আঞ্চলিক উন্নয়নে চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকবে বলে এসময় মন্তব্য করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সাক্ষাতে হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা গত এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ও চুক্তির বাস্তবায়ন এবং অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে গতিশীল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চ পর্যায়ে মতবিনিময়ের প্রশংসা করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ভারতীয় হাই কমিশনারের পর জার্মান পার্লামেন্টের সদস্য হান্স-পিটার উহি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় দুই দেশের মজবুত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন হান্স পিটার। চলতি বছর শেখ হাসিনার মিউনিখ সফরের সময় ই-পাসপোর্টের জন্য দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এসময় আশা প্রকাশ করেন।

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top