সকাল ১০:০০, রবিবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / রায় নিয়ে মন্তব্য নেই আপত্তি পর্যবেক্ষণে : তোফায়েল
রায় নিয়ে মন্তব্য নেই আপত্তি পর্যবেক্ষণে : তোফায়েল
আগস্ট ১৩, ২০১৭

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায় নিয়ে কোন মন্তব্য নেই, আওয়ামী লীগ ক্ষুব্ধ রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে। এই পর্যবেক্ষনে বঙ্গবন্ধুর প্রতি অবমাননা করা হয়েছে।  রোববার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, রায় নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই। কিন্তু রায়ের পর্যবেক্ষণে যেসব কথা বলা হয়েছে তা দুঃখজনক। রায় নিয়ে নয়, রায়ের বাইরে আমাদের (সংসদ সদস্য) অপরিপক্ক বলা হয়েছে, তা খুবেই দুঃখজনক কথা। আমরা লেখাপড়া জানা শিক্ষিত মানুষ। তিনি বলেন, কেউ যদি বলে একজন একটা দেশ স্বাধীন করতে পারে নাই। একজন একটা দেশ গঠন করতে পারে না।

এ উক্তি খুবই দুঃখজনক। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর তোফায়েল বলেন, বঙ্গবন্ধু যদি ছয়দফা না দিতেন, আগরতলা মামলা হতো না। আর আগরতলা মামলা না হলে আমরা বাঙালি জাতি গণঅভ্যূত্থান সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে পারতাম না। বঙ্গবন্ধু না থাকলে আমরা ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হতাম না। ৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী না হলে এ বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তাই কোন পর্যবেক্ষণে বলা হয় এক ব্যক্তির নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয় নাই, তখন দুঃখ প্রকাশ ছাড়া কিছুই বলার থাকে না। তিনি বলেন, বিএনপি আমাদের পদত্যাগের দাবিতে কথা বলতে শুরু করল, এছাড়াও অনেক কথা তারা বলা শুরু করল। বিএনপি যখনই এ রায় নিয়ে আনন্দ-উৎসব করে, তখন আমাদের কিছু বক্তব্য না দিয়ে উপায় নেই। বিএনপি এ বিষয়ে যতবার বলবে, তার জবাব আওয়ামী লীগ ততবার দেবে। তবে আমরা মনে করি এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল বলেন, বিএনপি মনে করে, তাদের মনের কথা এ রায়ে দিয়ে দিয়েছে। ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিচারপতি খায়রুল হকের সমালোচনা করে বলছেন, তিনি আদালত অবমাননা করেছেন। ফখরুল ইসলাম আলমগীর আপনি কেন এত আনন্দিত। আপনার নেতা জিয়াউর রহমানকে তো ক্ষমতা দখলকারী বলা হয়েছে। আপনি কেন উল্লাস করেন?। সম্প্রতি একটি বেসরকারী টেলিভিশন সংবাদপত্র পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে কামাল হোসেনের করা মন্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, তিনি নিজেকে সংবিধান প্রণয়ন করেছেন বলে দাবি করেন।

কিন্তু সেখানে তিনি অনেক কায়দা করে উকিলের মতো সত্যকে গোপন করেছেন। বিচারপতি ইমপিচমেন্টের ক্ষমতা সংসদের হাতে তা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ছিলো কিন্তু এখন কামাল হোসেন, আমীর উল ইসলামরা অন্যভাবে ব্যাখ্যা দিচ্ছে, তা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহিতুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ প্রমুখ।

 

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top