দুপুর ১২:০৮, শুক্রবার, ২৪শে মার্চ, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / রাষ্ট্রপতির পদক্ষেপের ওপর বিএনপির কর্মসূচি নির্ভর করছে : রিজভী
রাষ্ট্রপতির পদক্ষেপের ওপর বিএনপির কর্মসূচি নির্ভর করছে : রিজভী
জানুয়ারি ৪, ২০১৭

সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি এবং শক্তিশালী-নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে ‘রাষ্ট্রপতির গৃহীত পদক্ষেপের ওপর’ রাজপথে বিএনপির পরবর্তী কর্মসূচি নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে দলটি।  বুধবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান গণতন্ত্রহীন দেশে যেভাবে রক্তাক্ত পন্থায় নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে- তাতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ ইসি গঠন ছাড়া আগামীদিনে কোনো নির্বাচন যে সুষ্ঠু হবে না, সেটি বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিজে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, সমগ্র জাতির কাছেও আশা জাগিয়েছে তুলেছেন। সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন হলে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করা সম্ভব। রাষ্ট্রপতির আশাবাদের বাস্তব প্রতিফলন ঘটলে বিএনপির সঙ্গে দেশের প্রতিটি জনগণও সেটিকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে স্বাগত জানাবে। বিএনপির এই নেতা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য রাষ্ট্রপতি উদ্যোগ নিতে পারেন। রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরপেক্ষ ইসি গঠনের জন্য তিনি আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিলে কোনো প্রশ্ন উঠবে না। সরকারের প্রভাবে প্রভাবিত হবে না এমন লোকদের দিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করতে হবে, যারা দলনিরপেক্ষ ও সবার আস্থাভাজন হবেন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনের দুই বর্ষপূতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে উত্তাপ-শঙ্কা থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন কেন? জানতে চাইলে রিজভী বলেন, রাজনীতি ও যুদ্ধে দুটি মুহূর্ত থাকে। একটি ‘জোরালো কর্মকান্ডের মুহূর্ত’ এবং অন্যটি ‘কখনো পিছিয়ে আসার মুহূর্ত’। বিএনপি ক্রমাগতভাবে আন্দোলনের মধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে নেতাদের কথা বলা, প্রতিবাদ করা, বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ ইসি গঠনের জন্য ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন’ আমরা এখন তা দেখছি। রাষ্ট্রপতির সেই পদক্ষেপের ওপর বিএনপির পরবর্তী ‘মোমেন্ট অব অ্যাকশন’ কী হবে, সেটা নির্ভর করবে। এ সময় দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ওই নির্বাচন বর্জনের উদ্দেশ্যই ছিল- নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হওয়া। এটা আদায়ের জন্য ক্রমাগতভাবে আমরা আন্দোলনে আছি। ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির ঘোষিত কর্মসূচি ‘শান্তিপূর্ণ’ হবে বলে জানান রিজভী। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-দলের যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সরোয়ার, খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম আজাদ, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ প্রমুখ।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top