সন্ধ্যা ৭:৩২, শনিবার, ২৫শে মার্চ, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / রফতানি আয়ে ধীরগতি
রফতানি আয়ে ধীরগতি
মার্চ ১১, ২০১৭

রফতানি আয়ে ধীরগতি কাটছে না। আয় বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ও আয়ের ব্যবধান বাড়ছে। ফেব্রুয়ারিতে রফতানি কম হয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ। অথচ গত বছরের একই সময়ে রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল প্রায় ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে গত আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) আগের একই সময়ের তুলনায় আয় বেশি হয়েছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ। আগের বছর একই সময়ে এ হার ছিল ৯ শতাংশ। একক মাস ও সম্মিলিত উভয় হিসাবেই লক্ষ্যমাত্রা থেকে রফতানি আয় কম হয়েছে যথাক্রমে ১০ এবং ৫ শতাংশ। অর্থাৎ সব বিবেচনায় আগের একই সময়ের তুলনায় রফতানি কমছে লক্ষ্যণীয় হারে।

 রফতানি কমে যাওয়ার পেছনে অভ্যন্তরীনের তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে বড় করে দেখছেন রফতানিকারকরা। তাদের ভাষ্য, রানা প্লাজা ধসের পর সংস্কার প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন কারণে দেড় হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। রফতানিতে এসব কারখানার অবদান না থাকায় মোট আয়ে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় প্রধান পোশাক রফতানিকারক দেশ হওয়ায় ভারতীয় পরিকল্পনার প্রভাবও পড়তে শুরু করেছে। গত এক বছরে বৈশ্বিক বাজারে তৈরি পোশাকের চাহিদা কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ।

 রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ২৭৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ২৯ কোটি ডলার। পোশাকের বাইরে বড় পণ্যের মধ্যে চিংড়িসহ সব ধরনের হিমায়িত মাছের রফতানি কমেছে চার শতাংশের মতো। রপ্তানির নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি না হলে রপ্তানি আয়ের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের অর্থনীতিকে আরো সুসংহত করতে হবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top