সকাল ৮:৩০, সোমবার, ১লা মে, ২০১৭ ইং
/ অর্থ-বাণিজ্য / রপ্তানিতে আশা দেখাচ্ছে কাপড়ের ব্যাগ
রপ্তানিতে আশা দেখাচ্ছে কাপড়ের ব্যাগ
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৭

করতোয়া ডেস্ক : এক সময় বিদেশ নির্ভরতা থাকলেও এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে উন্নতমানের ব্যাকপ্যাক, ট্রলি, স্পোর্টস ব্যাগ, হাত ব্যাগ, এক্সিকিউটিভ ব্যাগসহ কাপড়ের তৈরি নানা ধরনের ব্যাগ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও যাচ্ছে এসব ব্যাগ। ফলে ধীরে ধীরে হলেও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে খাতটি হয়ে উঠছে সম্ভাবনাময়।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এখন দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এসব ব্যাগ তৈরি করছে। বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ইয়ংওয়ান, পার্ক বাংলাদেশ, ওসমা, ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ লিমিটেড এবং এ অ্যান্ড এ ট্রাভেলিং গুডস বাংলাদেশ লিমিটেড। দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- রাইডার, টাইগারকো, সিমুরা ননওভেনস লিমিটেড, বোহেমিয়ান ট্রাভেল গিয়ার, এমজেডএম টেক্সটাইল লিমিটেড, একসেনচ্যুর, ইউসেবিও স্পোর্টিং। আশুগঞ্জের খাড়িয়ালা গ্রামের রাইডার লেদার ব্যাগস অ্যান্ড লাগেজ ফ্যাক্টরি লিমিটেডের তৈরি ব্যাগ যাচ্ছে নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র, হংকং, জাপান ও ফ্রান্সে। এ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০০ কর্মী কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটি লাগেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ তৈরি করে। এসব ব্যাগ তৈরিতে তারা কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে পলিয়েস্টার, ক্যানভাস, নাইলন, ডেনিম ও ওভেন কাপড় ।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম  বলেন, ‘কাপড়ের ব্যাগ হতে পারে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত । তৈরি পোশাক খাতের চেয়ে ব্যাগ তৈরি ও রপ্তানিতে মুনাফা বেশি ।’ এ খাতকে দ্রুত বর্ধনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি ২০১৪ সালে ১৫ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। ব্যাংক থেকে ২৮ কোটি টাকা ঋণ নিই। ২০১৫ সালে ১৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করি এবং ২০১৬ সালে ৭০ কোটি টাকার রপ্তানি করি। ২০১৭ সালে আমাদের লক্ষ্য ১৮০ কোটি টাকার ব্যাগ রপ্তানি করা ।’ ব্যাকপ্যাক থেকে গড়ে ১৫ শতাংশ মুনাফা করা সম্ভব জানিয়ে নাজমুল বলেন, গতবছর যে ৭০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করা হয়েছে তার মধ্যে ৪০ কোটি টাকাই এসেছে রপ্তানি থেকে। বাকিটা স্থানীয় বাজার থেকে এসেছে। মোট মুনাফা প্রায় ১১ কোটি টাকা। নাজমুলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার কারখানায় দিনে তিন হাজার আর বছরে প্রায় ৯ লাখ ৩৬ হাজার ব্যাকপ্যাক তৈরির সক্ষমতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিটি ব্যাগের দাম ১৮ থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ২০১৯ সাল নাগাদ পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ কারার পরিকল্পনার কথাও জানালেন এই উদ্যোক্তা।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top