বিকাল ৩:০৬, শনিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / যুদ্ধের দামামা কি বাজতে শুরু করেছে!
যুদ্ধের দামামা কি বাজতে শুরু করেছে!
এপ্রিল ১১, ২০১৭

আতাউর রহমান মিটন:দু’দিন পরেই বাংলা নববর্ষ ১৪২৪! শুরুতেই সবাইকে নববর্ষের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ‘বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক, যাক, যাক’ – এই শুভ কামনায় আমরা বৈশাখকে স্বাগত জানাই। কোটি প্রাণে আমরা গেয়ে উঠি ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নি¯œানে শুচি হোক ধরা’।

 

  এবারও সেই কামনাই করছি কিন্তু চারিদিকে ষড়যন্ত্রের বিষাক্ত সাপেরা ফণা তুলে আক্রমণে উদ্যত হয়েছে তাতে উদ্বিগ্ন বোধ করছি। বোমায় গুড়িয়ে যাচ্ছে সিরিয়া, সেখানে অমানবিক পরিস্থিতি বিরাজমান। আমাদের বাড়ির পাশেই প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে উত্তর কোরিয়ার দিকে রওনা হয়েছে মার্কিন নৌসেনার স্ট্রাইক গ্র“প। বিপরীতে যে ভাবে উত্তর কোরিয়া পাল্টা হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, তাতে যে কোনও ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সে রকম কিছু ঘটলে এশিয়া অশান্ত হয়ে উঠবে, সে প্রভাব বাংলাদেশেও এসে লাগবে বৈকি।

 
বাংলাদেশে নতুন বছর আসছে। জাপানে (চেরি ব্লসম্) বসন্ত কালের ফুল ফুটতে শুরু করেছে। ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উষ্ণতায় উন্নীত হয়েছে মর্মে আমাদের মধ্যে পরিতৃপ্তির ঢেকুর উঠছে! কিন্তু আসলে আমরা কোনদিকে যাচ্ছি? বেশ কিছুদিন থেকে শোনা যাচ্ছিল আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিতিয়ে আনার ব্যাপারে রাশিয়া প্রভাব বিস্তার করেছে। ট্রাম্প আসলে রাশিয়ার আশির্বাদপুষ্ট।

 

আমেরিকার অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয়সহ রাশিয়া ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এর অবস্থা যখন নড়বড়ে হয়ে উঠেছিল, এবং ট্রাম্প এর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হতে পারে এমন একটা পরিস্থিতি যখন তৈরী হয়েছিল ঠিক তখনই ট্রাম্প কর্তৃক সামরিক আদেশ জারি করে সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো, কোরিয়ার দিকে যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে দেয়া এবং প্রয়োজনে কোরিয়ায় হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়ার ফলে আমেরিকার জনগণ এখন নড়েচড়ে বসেছে। ট্রাম্প এর এইসব পাগলামি এবং যুদ্ধবাজি নীতিতে সমর্থন দিচ্ছে অনেকেই।

 এত দিন যারা ট্রা¤েপর বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের প্রায় সবাই সিরিয়ায় হামলার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ দিয়েছেন। সিনেটর ম্যাককেইন ও অন্যান্য রিপাবলিকান নেতা তো বটেই, এমনকি হিলারি ক্লিনটন পর্যন্ত এই ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করেন, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রা¤েপর নির্বাচনী গোপন যোগসাজশ নিয়ে অব্যাহত তদন্ত থেকে মার্কিন জনগণের নজর অন্যদিকে ফেরাতেই তড়িঘড়ি করে এই হামলা। তাঁর জনসমর্থন এখন মাত্র ৩৫ শতাংশে এসে ঠেকেছে। এই ধস থামানোর একটি পথ হতে পারে সামরিক হামলা।


যুদ্ধ সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া কিভাবে একজন নেতার জনপ্রিয়তাকে উর্দ্ধে তুলে ধরে? অনেকের মনে এই প্রশ্নটা থাকতেই পারে। এর সামাজিক-মনস্তাত্বিক বিশ্লেষণ খুবই গভীর। কিন্তু সাদা-মাটাভাবে বলা যায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে আমাদের পুরুষালি মূল্যবোধ যুদ্ধ পছন্দ করে। এর অন্য কারণটি বাণিজ্য।  আমাদের অর্থনীতি যেমন কৃষি নির্ভর অপরদিকে আমেরিকার অর্থনীতি যুদ্ধ সরঞ্জাম বিক্রি নির্ভর। এক গবেষণা থেকে জানা যায় পৃথিবীতে বছরে ফুলের ব্যবসা হয় ১০০ বিলিয়ন ডলারের আর অস্ত্রের ব্যবসার পরিমাণ ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের।

 প্রায় ১৭০০ গুণ বেশি। সুতরাং বুঝতেই পারছেন মানুষে মানুষে প্রীতি সম্পর্ক বা গলাগলি বৃদ্ধিতে লাভ বেশি নাকি তাদের মধ্যে গোলমাল বাঁধালে! যুদ্ধ যত বেশি আমেরিকার যুদ্ধবাজদের ব্যবসা তত স্ফীত। খুবই সহজ হিসাব। যুদ্ধটা শুধু আমেরিকা একা চায়  তা নয়, রাশিয়া, চীন, ইংল্যান্ড প্রমুখ অস্ত্র উৎপাদকেরাও এই ব্যাপারে মাসতুতো ভাই হিসেবে ভেতরে ভেতরে গলাগলি ধরেই এগিয়ে যায়!

 

আমাদের সরকারগুলো শিশুদের শিক্ষার জন্য, গর্ভবতী মায়ের নিরাপদ সন্তান প্রসবের সুবন্দোবস্ত করার জন্য, অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিন্ত করার জন্য, বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির জন্য, বেকার যুবকদের সুদবিহীন ঋণ দেবার জন্য টাকা যোগাড় করতে না পারলেও অস্ত্র কেনায় ঠিকই টাকা যোগাড় করতে পারে। যুদ্ধ সরঞ্জাম কেনার জন্য কোন সরকারেরই কখনই টাকার অভাব হয় না। সেটা এক কঠিন রাজনীতি!


সিরিয়ায় মার্কিন হামলা হয়েছে রাশিয়াকে জানিয়েই। এটা ট্রাম্প নিজেই বলেছেন। ট্রাম্প বলেছেন তিনি সিরিয়ার শিশুদের কষ্ট টেলিভিশনে দেখে সহ্য করতে না পেরে এই আক্রমণ চালানোর আদেশ দিয়েছেন। আহ্্ রে, কি দারুণ শিশু দরদী! শিশুদের জন্য আপনার যখন এতই দরদ তাহলে বিভিন্ন দেশের শরণার্থী শিশুদের আমেরিকায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন কেন? কেন আপনি ইউনিসেফসহ বিভিন্ন শিশু উন্নয়ন তহবিলে আরও বরাদ্দ বাড়াচ্ছেন না? কেন আপনার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সিরিয়ায় নতুন করে শিশুদের প্রাণ হারাতে হলো? জনাব ট্রাম্প কি জনসাধারণকে মুর্খ ভাবেন? এভাবে দেশে দেশে হামলা নির্মম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর জন্যই কি আমেরিকার জনগণ ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন?


এদিকে সিরিয়ার বিমানঘাঁটিতে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরদিনই রাশিয়ার একটি যুদ্ধ জাহাজ ভূমধ্যসাগরের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। ‘অ্যাডমিরাল গ্রিগোরোভিচ’ নামের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ওই রণতরি সিরিয়ান বাহিনীর সহায়তায় কাজ করবে। এই রণতরি পাঠানোর ঘটনাকে ন্যাটো জোট রাশিয়ার কয়েক দশকের মধ্যে ‘সবচেয়ে বড় সামরিক পদক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছে।

 

কারণ রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট পুতিন এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসনমূলক কর্মকান্ড’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে রাশিয়া সহযোগিতা করবে। এদিকে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ট্রা¤পকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় যে ব্যক্তিটি এখন আছেন, তিনি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আজ সিরিয়ায় সন্ত্রাসীরাই আনন্দ উদ্যাপন করছে।’


সিরিয়ার ছয় বছরের গৃহযুদ্ধে আমেরিকার সরাসরি জড়িত হওয়ার মধ্য দিয়ে নাটকীয় উত্তেজনা শুরু হলো। এই হামলায় সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও তুরস্ক। উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ডোনাল্ড ট্রা¤প সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন। তারও আগে, ২০১৩ সালে সিরিয়ায় নিজ দেশের মানুষের ওপর বাশার আল-আসাদ সরকারের গ্যাস হামলার প্রতিক্রিয়ায় ট্রা¤প ওবামা প্রশাসনকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, সিরিয়ায় হামলার কথা ভাববেন না, সিরিয়া আমাদের সমস্যা নয়।

 

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরও ট্রা¤প বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বের প্রেসিডেন্ট নন। গত সপ্তাহেও ট্রা¤েপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট বাশারের ভাগ্য সিরিয়ার জনগণ নির্ধারণ করবে। অন্য কথায়, এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের করার কিছু নেই। তাহলে হঠাৎ কী এমন ঘটল যার জন্য ট্রা¤পকে তাঁর মত বদলাতে হলো?


সিরিয়াকে শিক্ষা দেয়ার জন্য এই অমানবিক হামলা বিশ্ব মেনে নিতে পারে না। কারণ, এটা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর আগ্রাসনের নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন ভেঙেছে ট্রা¤প প্রশাসন। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্য আবার নতুন করে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল। রাখঢাক না করেই আমেরিকা বলতে শুরু করেছে ‘প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ যত দিন ক্ষমতায় থাকবেন, তত দিন সিরিয়ায় শান্তি ফেরা সম্ভব নয়। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরানোর কথা ভাবছে ওয়াশিংটন।’

 

মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি মার্কিন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সিরিয়াকে শান্ত করতে আসাদ বিদায় অবশ্যম্ভাবী। ক্ষমতা বদলের সময় এসে গিয়েছে সে দেশে।’ অর্থাৎ এটা পরিস্কার যে শিশুদের সুরক্ষা নয় বরং মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকায় একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ধরে রাখাই আমেরিকা ও তার মিত্রদের উদ্দেশ্য। সিরিয়ার পরে তাঁদের নজর আসবে ইরানের প্রতি। এরা বলে থাকে ‘আসাদ পুতিন লালিত আর ইরান পালিত’। এবারও তারা বলছে, ‘সিরিয়ার পিছনে যেভাবে লাগাতার মদত জুগিয়ে চলেছে ইরান, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

সুতরাং মধ্যপ্রাচ্যে যে দীর্ঘমেয়াদী ‘বসন্ত’ সৃষ্টির ছক পশ্চিমা মোড়লেরা কষে রেখেছেন সেই ছক ধরেই সবকিছু চলছে, চলবে। বিশ্বকে সে কারণে আরও কিছু খারাপ সংবাদ শোনার জন্য তৈরী হতে হবে। মোড়লেরা এখনই থামছে না, তাঁরা থামবে না।

যে কোন সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান করা উচিত এবং সম্ভব বলেই বিজ্ঞজনেরা বলে থাকেন। কিন্তু রাজনীতি যখন নিজেই কূটকৌশলে ভরা এবং একপেশে নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয় তখন সেই রাজনীতি থেকে খুব বেশী কিছু আশা করা যায় না।

 যেমন পশ্চিমবঙ্গের দিদি রাজনীতির প্যাঁচ কষে আমাদের বললেন, ‘তিস্তায় তো পানি নেই, তাই আমরা অন্যান্য নদী থেকে বাংলাদেশকে পানি দিতে পারি।’ সাদামাটাভাবে কথাটায় আশাবাদ থাকলেও বাস্তবে এটা বাংলাদেশকে পানি না দেয়ার কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়।

কারণ, তোরসা বা ধরলার মতো উত্তরবঙ্গের অন্য নদীগুলো থেকে পানি এনে তিস্তায় প্রবাহ বাড়িয়ে বাংলাদেশকে দেয়াটা তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তবে সেটা কঠিন। অন্য নদী থেকে তিস্তায় পানি আনার জন্য যে খাল কাটতে হবে, এবং এর পরিবেশ সমীক্ষা ও অন্যান্য ইস্যুগুলোর নিরসন করার যে পদ্ধতি তা সময়সাপেক্ষ এবং নিঃসন্দেহে জটিল।

কাজেই এটা আসলে বাংলাদেশকে পানি না দেয়ার একটা ছেলে ভুলানো কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের বক্তব্য খুবই পরিস্কার। আমরা অভিন্ন নদীর পানির নায্য হিস্যা চাই। তিস্তায় এখন যতটুকুই পানি আছে আমাদেরকে তার অর্ধেক দিতে হবে। পরের কথা পরে হবে।


পৃথিবী কি এখন একটি যুদ্ধের মুখে নাকি যুদ্ধ আসলে শুরু হয়ে গেছে এমন একটি প্রশ্ন আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ইত্যাদি অঞ্চলে যা হচ্ছে তা তো আসলে যুদ্ধই। এবার যদি উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে জাপান, চীন, আমেরিকা বলয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার খেলা শুরু হয় তাহলে আমাদের অর্থনীতি, আমাদের ভৌগলিক নিরাপত্তা সবদিক থেকেই বিরাট ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।

সে রকম একটি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আমাদের মানসিকভাবে তৈরী থাকা দরকার বলে আমি মনে করি। কারণ আঞ্চলিক যুদ্ধে চীন জড়িয়ে গেলে পাকিস্তান চীনের পক্ষে যাবে। ভারত চাইবে বাংলাদেশকে সাথে নিতে। বাংলাদেশের নীতি যদিও ‘কারও সাথে বৈরিতা নয়, সকলের সাথে বন্ধুত্ব’, তথাপি আমাদের সরকারের ভারত প্রীতি অব্যাহত থাকলে আমরা চীনের সাথে বাণিজ্য হারাব। দীর্ঘমেয়াদী আমাদের কি চীনের সাথে সম্পর্ক রাখা ভাল নাকি ভারতের সাথে এই হিসাবটা আমাদের নিখুঁতভাবে কষতে হবে।   


আমরা যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই। ‘রাসায়নিক অস্ত্রের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র’, এটা আমাদের কাম্য নয়। বিশ্ব রাজনীতি কখনও এক হয়ে একসাথে চলবে না, বিভক্তি থাকবেই তা মানি। কিন্তু তাই বলে অন্যদেশে আগ্রাসী আক্রমণ বা ভিডিও গেম খেলার মত করে দূরে বসে অন্যদেশের ভূখন্ডে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করাটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের সন্তানদের জন্য আমরা হানাহানির পৃথিবী রেখে যেতে চাই না। আমরা শান্তি চাই। বাংলা নববর্ষে আমরা শান্তির প্রার্থনা জানাই। ‘অগ্নি¯œানে শুচি হোক ধরা’ পুনরায় এই কামনা করছি।
লেখক: সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১৫২৬৯৭৯



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top