রাত ৮:৫৫, সোমবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী
মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী
মে ১০, ২০১৭

সময়ের পরিক্রমায় আবার এসেছে শবে বরাত বা মহিমান্বিত রাত। হিজরি শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও পালিত হবে মর্যাদা ও ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে। মহান রাব্বুল আলামিন মানব জাতির জন্য তার অসীম রহমতের দরজা খুলে দেন এ রাতে।

 

রাতটিকে বলা হয় পবিত্র মাহে রমজানের মুয়াজ্জিন। শাবান মাসের পরই কৃচ্ছ সাধনের মাস রমজান আসে জীবনের সব কালিমা দূর করার ফজিলত নিয়ে। লাইলাতুল বরাত তাই মুসলমানদের জানান দিয়ে যায় দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনার জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা।


সুখ নিদ্রা নয়, ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা পবিত্র এই রাতটি কাটিয়ে দেবেন ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে। আমরা আশা করি, মুক্তি বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে আখ্যায়িত এই লাইলাতুল বরাতে সবার মনোবাসনা পূর্ণ হবে, আগামী দিনগুলো ভরে উঠবে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধিতে।

 

তার মধ্য দিয়ে গোটা দেশে সমৃদ্ধি ও শান্তি আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা আশা করি, মুসলিম প্রধান এই দেশে কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত পবিত্রতার আবহ সামষ্টিক সম্পর্কেও সম্প্রীতির বাতায়ন খুলে দেবে। অবশ্য এ রাতের প্রার্থনাতেও কোনো কোনো অপরাধের ক্ষমা হয় না বলে হাদিস শরিফে বলা হয়েছে।


শিরক, হত্যা ও ঘৃণা ছড়ানো অপরাধ ক্ষমা পায় না। সাম্প্রতিক সময়ে যখন সমাজে ঘৃণা ও সংঘাতের সংস্কৃতি বেড়ে গেছে, তখন শবে বরাতের আগমন অনাকাঙ্খিত এসব প্রবণতা প্রশমন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। মুসলিমদের জীবনে রমজানের পদধ্বনি শুরু হয় পবিত্র শবে বরাতে।

 

পাপ মুক্তি, ক্ষমা ও শুদ্ধতার আকাঙ্খার মধ্য দিয়ে তারা পবিত্র রমজানের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। সব মুসলিমের জীবনে তো বটেই, গোটা মানবতার জন্য শবে বরাত সৌভাগ্য ও শান্তি বয়ে আনুক।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top