রাত ২:১৭, শুক্রবার, ২৫শে মে, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / ভোক্তা সচেতনতা ও অধিকার আইন
ভোক্তা সচেতনতা ও অধিকার আইন
মার্চ ১২, ২০১৭

শাওন রহমান  : নাগরিক মানুষ মাত্রই ভোক্তা। অর্থাৎ নগর, রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষই তার সকাল থেকে সন্ধ্যা এবং পা থেকে মাথা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই কোন না কোনভাবে ভোক্তা হিসেবে সমাজ রাষ্ট্রের শৃংঙ্খলে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত ভোক্তার সংজ্ঞায় বলা আছে, ‘যিনি পুনরায় বিক্রি ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ছাড়া-মূল্য পরিশোধ বা মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে কোন পণ্য কেনেন; আংশিক পরিশোধিত ও আংশিক প্রতিশ্রুত মূল্যের বিনিময়ে কোন পণ্য কেনেন বা দীর্ঘ মেয়াদ বা কিস্তির ব্যবস্থায় মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে কোন পণ্য কেনেন।

’ উপরোক্তভাবে যে কেউ যে কোন পণ্য কিনলেই সে ভোক্তা। তবে এখানে শর্ত হচ্ছে, ক্রয়কৃত পণ্যটি পুনঃবিক্রি বা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবেনা। এই কেনা পণ্যটি হতে পারে খাদ্য সামগ্রী বা নিত্য ব্যবহারের যে কোন কিছু। আধুনিক যুগে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় টাকার বিনিময়ে সেবা সামগ্রী বা খাদ্যপণ্য যখন কেউ কেনে তখন সে তার অপরিহার্যতার নিরিখেই সেটা কেনে। তবে জীবন ধারণের জন্য আমরা রাষ্ট্রের নাগরিকেরা যে পণ্য বাজার থেকে কিনি তার মান বা গুণাগুণ বিচারের কোন ব্যবস্থা একজন সাধারণ ভোক্তা হিসেবে আমাদের নেই। অর্থাৎ বিনিময় অংকের মাধ্যমে আমরা বাজার থেকে যা কিছু নিজেদের জীবন ধারণের জন্য সংগ্রহ করছি তা মানসম্পন্ন বা মানহীন যাই হোক বাঁচার তাগিদেই তা আমরা গ্রহণ করছি।


গত তিন চার দশক ধরে আমরা খাবার ও নিত্য ব্যবহার্য পণ্যের সাথে ভেজাল ও এন্টিবায়োটিকের অবাধ ও যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে আমরা প্রতিনিয়ত বিষ গ্রহণ ও ব্যবহার করছি। খাদ্যপণ্য বা নিত্য ব্যবহারের জিনিসে ভেজাল বা বিষ সম্পর্কে সাধারণ ভোক্তার পক্ষে বুঝে ওঠা একেবারেই অসম্ভব। খাদ্যে ভেজাল প্রদানের প্রবণতা খুব বেশি দিন হলো এদেশে শুরু হয়নি। কিন্তু বিগত বছরগুলো থেকে এর প্রবণতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমাদের বাজার থেকে কেনা বেশিরভাগ খাবারেই ভেজাল। দেশি-বিদেশি বেশির ভাগ ফল-মূলে কার্বাইডসহ নানা প্রকার বিষাক্ত কেমিক্যাল।

মাছ, মাংস, দুধ, ডিমে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ও ওষুধ। সবজিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক। বাজার থেকে বাড়িতে তারপর পাত থেকে পেটে। চাল-ডাল, কাঁচা সবজি, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্য, বেকারিসহ সব পণ্যতেই ভেজাল। দই, মিষ্টি, খীরসা, সন্দেশ ভেজাল নেই কোথায়? লবণে সাদা বালু, গুড়া মসলায় ইটের গুড়া, বিষাক্ত রং, চায়ে কাঠের গুড়ো, যে যার ইচ্ছা মত এ রকম বিভিন্ন প্রকার ভেজাল দিয়ে আমাদের প্রতিদিনের খাবারগুলোকে বিষাক্ত করে আমাদের একটু একটু করে মেরে ফেলছে। ভেজালের পাশাপাশি আরও ভয়াবহ বিরূপ অবস্থা সৃষ্টি করছে খাবারে এন্টিবায়োটিক। এন্টিবায়োটিকের ভয়াবহ উপস্থিতি আছে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়, যা খোলাচোখে সাধারণের পক্ষে দেখা বা বোঝা অসম্ভব। আমরা আমাদের জ্ঞাতসারে কিংবা অজ্ঞাতে একটু একটু করে এন্টিবায়োটিক খাচ্ছি।

 অতি মুনাফার আশায় অসাধুরা অপরের জীবন নিয়ে বাণিজ্য করছে। এই ভেজাল ও এন্টিবায়োটিকযুক্ত খাবার আজ খেলে কালকেই আমাদেরকে অসুস্থ বা আক্রান্ত করছে না তাই আমরা নিশ্চিন্তে নিরুপায় হয়ে নির্দ্বিতায় তা গ্রহণ করছি। এসবের পরে আছে ওজনের কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, বেশি দাম নেয়া, পণ্যের মোড়কে মূল্য না লিখে ইচ্ছামত দাম নির্ধারণ করে ভোক্তাকে ঠকানো ইত্যাদি। অর্থাৎ ভোক্তার সাথে প্রতারণা করার যাবতিয় ব্যবস্থা অদ্যবধি আমাদের বাজারে বর্তমান। অথচ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তি থেকে সমাজের সর্বনি¤েœর ব্যক্তি পর্যন্ত সবাই ভোক্তা।

 কিন্তু এই ভোক্তারা নানাভাবে প্রতারণার শিকার হলেও দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তার অধিকারের ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। যা আছে তা শুধু উৎপাদক ও ব্যবসায়িদের সুবিধার্থে। যদিও সমাজে ভোক্তার তুলনায় উৎপাদক ও ব্যবসায়ির সংখ্যা নগণ্য, এমনকি সবাই উৎপাদক ও ব্যবসায়ি না হলেও সব শ্রেণির পেশার মানুষই ভোক্তা। অথচ প্রতারিত, অধিকার বঞ্চিত ভোক্তার নায্য ও প্রাপ্য অধিকার আদায়ের ব্যাপারে এতদিনে কোন আইনই দেশে ছিলনা। পণ্য উৎপাদক ও বিক্রেতাদের লাগামহীন লাভের যাঁতাকলে পিষ্ট এদেশের ভোক্তাদের রক্ষার যেন কোন ব্যবস্থায় নেই।


এরকম নিয়মিত অনিয়ম ও ভোক্তা শোষণ অবসানের জন্য সরকার ২০০৯ সালে প্রণয়ন করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন। ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধ আইনের ধারায় এনে তার যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ করায় এই আইনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, দায়েরকৃত আমলযোগ্য অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত ও জরিমানা করা হলে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগকারীকে প্রদান করা হয়। তবে ২০০৯ সালের এপ্রিলের ৬ তারিখে আইনটি প্রণয়ন হলেও ব্যাপকভাবে এই আইনের প্রচার ও কার্যক্রম লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ এই আইন সম্পর্কে যদি কেউ যথাযথভাবে জানে এবং সচেতন হয় তাহলে আমাদের বাজার ব্যবস্থার আমূলই পরিবর্তন হয়ে যাবে। পরিবর্তন আসবে আমাদের নিত্যপণ্যের মানে। যার ওপর আমরা প্রত্যেকেই অপরিহার্যভাবে নির্ভরশীল।  


এই আইনের ৩৭ থেকে ৫৬ মোট ২০টি ধারায় ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধে বলা আছে, পণ্যের মোড়ক ইত্যাদি ব্যবহার না করা-কোন আইন বা বিধি দিয়ে কোন পণ্য মোড়কাবদ্ধভাবে বিক্রি করার এবং মোড়কের গায়ে সংশ্লিষ্ট পণ্যের ওজন, পরিমাণ, উপাদান, ব্যবহার-বিধি, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রি মূল্য, উৎপাদনের তারিখ, প্যাকেটজাতকরণের ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে লেখার বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করা। মূল্যের তালিকা প্রদর্শন- দোকান বা প্রতিষ্ঠানের সহজে দেখা যায় এমন জায়গায় পণ্যের মূল্য তালিকা টানিয়ে প্রদর্শন না করা।

সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করা-দোকান বা প্রতিষ্ঠানের সেবার মূল্যের তালিকা সংরক্ষণ না করা এবং সংশ্লিষ্ট স্থানে যা সহজে দেখা যায় এমন জায়গায় উক্ত তালিকা টানিয়ে প্রদর্শন না করা। নির্ধারিত মূল্যের বেশি মূল্যে পণ্য, ওষুধ বা সেবা বিক্রি-নির্ধারিত মূল্যের বেশি মূল্যে কোন পণ্য, ওষুধ বা সেবা বিক্রি বা বিক্রির প্রস্তাব করা। ভেজাল পণ্য বা ওষুধ বিক্রি-জ্ঞাতসারে ভেজাল পণ্য বা ওষুধ বিক্রি বা বিক্রির প্রস্তাব করা। খাদ্য পণ্যে নিষিদ্ধ বস্তুর মিশ্রণ-মানুষের জীবন বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোন দ্রব্য, অন্য কোন খাদ্য পণ্যের সাথে মিশানো।

 অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণ- মানুষের জীবন বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি হয় এমন কোন প্রক্রিয়ায় কোন পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণ করা। মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারিত করা-কোন পণ্য বা সেবা বিক্রির জন্য অসত্য বা মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারিত করা। প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রি বা সরবরাহ না করা-প্রদত্ত মূল্যের বিনিময়ে প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রি বা সরবরাহ না করা। ওজনে কারচুপি-কোন পণ্য বিক্রি বা সরবরাহের সময় ভোক্তাকে প্রতিশ্রুত ওজন অপেক্ষা কম ওজনের পণ্য বিক্রি বা সরবরাহ করা।

ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি-কোন পণ্য বিক্রি বা সরবরাহের জন্য কোন দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওজন পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত ওজন পরিমাপক  যন্ত্রে প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি দেখানো। পরিমাপে কারচুপি-কোন পণ্য বিক্রি বা সরবরাহের সময় ভোক্তাকে প্রতিশ্রুত ওজনের কম দেয়া। দৈর্ঘ্য পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত পরিমাপক ফিতাতে কারচুপি। পণ্যের নকল প্রস্তুত বা উৎপাদন। মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বা ওষুধ বিক্রি।

সেবা গ্রহণকারীর জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্নকারি কাজ। অবহেলা ইত্যাদি দিয়ে সেবা গ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য, জীবনহানি ইত্যাদি ঘটানো। মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা দায়ের। একই অপরাধ আবার করা। এর সবকিছু একজন ভোক্তার অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ভোক্তার অধিকার রক্ষায় এই আইনে অপরাধীর দন্ড হিসেবে অনূর্ধ্ব তিন বছরের কারাদন্ড বা অনধিক দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।  


একজন ভোক্তা উল্লেখিত যে কোন ধারায় তার অধিকার হারালে, ভোক্তার অধিকার ক্ষুন্নকারীর বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে। কোন ভোক্তা বা অভিযোগকারী তার পূর্ণাঙ্গ নাম, পিতা ও মাতার নাম, ঠিকানা, ফোন, ফ্যাক্স ও ই-মেইল নম্বর এবং পেশা উল্লেখপূর্বক অধিকার ক্ষুন্নের কারণ ঘটলে ত্রিশ দিনের মধ্যে ভোক্ত অধিকার বিরোধী কার্য সম্পর্কে কোন পণ্যের উৎপাদনকারী, প্রস্তুতকারি, সরবরাহকারি বা পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট ই-মেইল, ফ্যাক্স এবং এ্যাপস ব্যবহার করে বা লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে। ভোক্তার এই অভিযোগ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন কার্যালয়ে দায়েরের ব্যবস্থা আছে।

 এক্ষেত্রে ভোক্তার অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষে নিষ্পত্তির ব্যাপারে কোন থানা পুলিশের প্রয়োজন হয়না। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরই যথেষ্ট। এই অধিদপ্তর ভোক্তার সব ধরনের অভিযোগ কোন টাকা এবং হয়রানি ছাড়াই খুবই আন্তরিকতার সাথে নিষ্পত্তি করছে। এই আইনের কঠোরতা, প্রায়োগিক ক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের আন্তরিকতার কারণেই ভোক্তার দায়েরকৃত অভিযোগ খুব সহজেই নিষ্পত্তি হচ্ছে। এবারের ডিসি সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।


স্বল্প আয়তনের এই বাংলাদেশে অধিক জনসংখ্যা হওয়ার কারণে এখানে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি যথেষ্ঠ লাভজনক। কোন পণ্য বাজারে একবার প্রচলিত হয়ে উঠলে খুব দ্রুতই সেই পণ্য নকলাকারে ভোক্তার কাছে চলে আসে। ভোক্তার অসচেতনার কারণে উৎপাদক ও বিক্রেতারা খুব সহজেই ভোক্তাদের প্রতারিত করছে। আমাদের অসচেতনতার কারণেই উৎপাদক ও বিক্রেতা শ্রেণির মানুষরা আমাদের খাদ্য ও নিত্য ব্যবহৃত পণ্যে ভেজাল ও বিষ মিশাচ্ছে। প্রতিটি সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি এবং পদক্ষেপের ফলেই বন্ধ হতে পারে ভেজাল ও নি¤œমানের পণ্যের রমরমা কারবার।

খুচরা বিক্রি মূল্য, মেয়দোত্তীর্ণের তারিখ ইত্যাদি দেখে পণ্য বা ওষুধ কিনতে হবে। মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকতে হবে, ভেজাল ও নকল পণ্য বা ওষুধ প্রস্তুত এবং ফরমালিনসহ ক্ষতিকর দ্রব্য মিশ্রিত খাদ্যপণ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ক্রয়-বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। পণ্য ক্রয়ের সময় ওজন ও পরিমাপ সঠিকভাবে বুঝে নিতে হবে। মূল্য নির্ধারিত থাকলে তা দেখে কিনুন। হোটেল, রেস্তোঁরার খাবারের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। সবার আগে একজন ভোক্তা হিসেবে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। আর ভোক্তার সচেতনতাই পারবে দেশ থেকে ভেজালের কারবার বন্ধ করতে।  
লেখক ঃ সাংবাদিক-প্রাবন্ধিক

shaown077@gmail.com

০১৭১৬-২২৪৮১০

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top