সন্ধ্যা ৬:০৭, সোমবার, ২১শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ অর্থ-বাণিজ্য / ভারতীয় ৯০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে
ভারতীয় ৯০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে
এপ্রিল ৯, ২০১৭

করতোয়া ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে ৯০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে চুক্তি করেছে। সফরের দ্বিতীয় দিন শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির হারে উভয়পক্ষই সন্তুষ্টি জানিয়েছে।’ চারদিনের সরকারি সফরে সাড়ে তিনশ সঙ্গী নিয়ে শুক্রবার ভারত যান প্রধানমন্ত্রী। তার সফরসঙ্গীদের মধ্যে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও বেসরকারি উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের আড়াইশ প্রতিনিধি আছেন। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছিলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও বন্দর খাতে প্রায় একহাজার ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ পাইপলাইনে রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি ভারতীয় বিনিয়োগ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নিবন্ধিত হয়েছে বলে জানান হাই কমিশনার। তিনি বলেন, মেরিকো, সিয়াট, টাটা মটরস, গোদরেজ, সান ফার্মা ও এশিয়ান পেইন্টসের মতো ভারতীয় কোম্পানিগুলো এর মধ্যে বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করেছে বা প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

গত দেড় দশকে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি দশগুণ বেড়েছে, অন্যদিকে বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি বেড়েছে ছয়গুণ। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্েয ৬১৪ কোটি ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। শনিবার দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত ও পরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা সই হয়। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশেরে মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে বন্দরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সব বাধা দূর করতে হাসিনা ও মোদী একমত হয়েছেন। এর মধ্যে ভারত বাংলাদেশের পাটপণ্যে আরোপ করা শিল্প সুরক্ষা (অ্যান্টি ডাম্পিং) শুল্ক নিয়ে নতুন করে ভেবে দেখবে বলে আশ্বস্ত করেছে।অন্যদিকে ভারতের নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে ন্যূনতম আমদানি মূল্যের বিষয়টি বাংলাদেশ বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। ভারতের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে জায়গা খুঁজতে এবং এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দুই প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশনগুলোর অবকাঠামো উন্নত করে পণ্য বিনিময় ও দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক বৃদ্ধিতেও দুই প্রধানমন্ত্রী একমত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top