সকাল ৮:২৩, সোমবার, ১লা মে, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / ভবিষ্যতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেড়ে নিয়ে সমাবেশ করা হবে : রিজভী
ভবিষ্যতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেড়ে নিয়ে সমাবেশ করা হবে : রিজভী
জানুয়ারি ১১, ২০১৭

বারবার অনুমতি চেয়েও না পাওয়ায় ভবিষ্যতে পুলিশের সায় না পেলেও রাজধানীতে সমাবেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, এবার কোনো স্বৈরাচারের কাছে অনুমতি নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ হবে। কোনো পুলিশের অনুমতির জন্য আর অপেক্ষা করা হবে না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেড়ে নিয়ে সমাবেশ করা হবে।

বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন রিজভী। গত ৫ জানুয়ারি বরিশালে মহিলা দলের নেতা-কর্মীদের উপর সরকার সমর্থকদের হামলার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন হয়। কর্মসূচিতে মহিলা দলের নেত্রীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন। ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে গত ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েও পায়নি বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত তিন বছরে সাত বার তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিএনপি অনুমতি না পেলেও গত মঙ্গলবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টিও সমাবেশ করেছে সেখানে। মানববন্ধনে এই বিষয়টি তুলে ধরে রিজভী প্রশ্ন রেখে বলেন, আজকে এরশাদের মতো রাজাকার যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি পায়, সেক্টর কমান্ডারের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কেন অনুমতি পাবে না? আওয়ামী লীগের সমাবেশ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আপনারা দেখেছেন- গত মঙ্গলবার ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট সবকিছু বন্ধ করে আওয়ামী লীগ সমাবেশ করেছে। কারণ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। কেউ রাস্তার ভেতরে আটকে পড়ুক, যানজটে নিপীড়িত হোক, তাতে আওয়ামী লীগের যায়-আসে না। তাদেরকে দেখাতে হবে-মানুষজন। সেজন্য নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর থেকে টোকাই নিয়ে এসে আপনারা ভর্তি করেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, আবার বড় বড় কথা বলেছেন।

বরিশালে মহিলা দলের নেত্রীদের ওপর হামলার ঘটনার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেয়া বক্তব্য উদ্ধৃত করে রিজভী বলেন, ঘটনার পর উনি বললেন- আমরা তার বিচার করব। অথচ আজও হামলাকারীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ওরা বরিশাল শহরে বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদককে বলব, আপনি যেটা করতে চান, আপনার নেত্রী সেটা করতে চান না। কারণ, বিএনপির শরীর থেকে যদি রক্ত বের হয়, বিএনপির নেতারা যদি রাজপথে লুটিয়ে পড়ে, তাহলে আপনার নেত্রী আনন্দিত ও উল্লসিত হন। সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরজাহান ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-সম্পাদক হেলেন জেরিন খানের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন- মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, উত্তরের সভানেত্রী পেয়ারা মোস্তফা প্রমুখ।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top