সকাল ১১:০২, মঙ্গলবার, ২৪শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / বিপ্লবী ফিদেলের মৃত্যু নেই
বিপ্লবী ফিদেলের মৃত্যু নেই
December 28th, 2016

কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির সপ্তম কংগ্রেসে ফিদেল কাস্ত্রো তার শেষ ভাষণ এই বলে শেষ করেছিলেন ‘শিগগিরই আর সবার মতোই হবো আমি। সবার জীবনে যে পালা আসে।’ তাই হলো গত বছরের ২৬ নভেম্বর।

 আমৃত্যু বিপ্লবী ফিদেল কাস্ত্রো বিদায় নিলেন সেদিন। ৯০ বছরের জীবনের ৬০ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থেকে তিনি কিউবার জনগণের জন্য একটি শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। শুধু তার দেশেই নয়, পুরো বিশ্বে তিনি নজিরবিহীন উদাহরণ সৃষ্টি করে গেছেন। পুরো মুখে দাড়ি আর হাভানার চুরুট, সেই সাথে কালচে-সবুজ রংয়ের সামরিক পোশাকে দুনিয়াজুড়ে তিনি পরিচিত ছিলেন সর্বহারা শ্রেণির নেতা হিসাবে।

 এতো দীর্ঘসময় ধরে পৃথিবীর কম নেতাই জনগণের জন্য সেবা করে গেছেন। তার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতায় ছিল ৯ জন প্রেসিডেন্ট। যাদের প্রত্যেকের টার্গেট ছিল কাস্ত্রো, ৬৩৮ বার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, কী ভাবে কিউবা এবং কাস্ত্রোকে ঘায়েল করা যায়। যদিও তা সম্ভব হয়নি। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তথা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী এক আপসহীন সংগ্রাম করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন বর্তমান বিশ্বে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাকের ডগায় কমিউনিস্ট রাষ্ট্র যে কিউবার অবস্থান। সেই কিউবাকে শত চেষ্টা করেও দমন করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ফিদেলের জীবনের গল্পই হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম। ফিদেল তার জীবনের শুরুতেই বুঝতে পেরেছিলেন বিশ্ব জনগণের জন্য ঘোরতম শক্র হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদ। এই সাম্রাজ্যবাদকে মোকাবিলা না করতে পারলে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা তথা সার্বিক মুক্তি আসবে না।  


মার্কস-এঙ্গেলস-লেনিন-স্ট্যালিন-মাও সে তুং পরবর্তী বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ও সর্বহারা শ্রেণির নেতৃত্ব দিয়েছেন ফিদেল কাস্ত্রো। একদিকে নিজের দেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের সংগ্রাম, একই সাথে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই। শক্তিধর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে কার্যত যা জনগণের বিরুদ্ধে সার্বিক অবরোধ সৃষ্টি করেছিল। তারপরও মার্কিন অবরোধ রুখতে পারেনি দ্বীপ রাষ্ট্র কিউবার অগ্রযাত্রাকে। এ এক কঠিন যুদ্ধ ছিল কাস্ত্রোর জন্য। বিশেষ করে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘পতনের’ পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিঃসন্দেহে কঠিন ছিল। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসাবে কিউবা আর টিকে থাকতে পারবে না। কিন্তু তাদের সেই ভাবনা পরবর্তী সময়ে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

 নিশ্চয় মার্কিন অবরোধ মোকাবিলা করা ছিল অত্যন্ত কঠিন কাজ। সেই কঠিন কে সহজ করে নিয়েছিলেন কাস্ত্রো। যা একমাত্র সম্ভব হয়েছে সঠিক বিপ্লবী নেতৃত্ব দিয়ে। কাস্ত্রো যে কাজটি করেছেন নিখুঁতভাবে। কিউবার বিরুদ্ধে মার্কিনীদের প্রায় ৪৫ বছরের অর্থনৈতিক অবরোধের মধ্যে কাস্ত্রোর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। সেই অবরোধে কিউবার জনগণের কষ্ট হয়েছে সত্য, কিন্তু উঠে দাঁড়িয়েছে কিউবা।

 যা একমাত্র সম্ভব হয়েছে কাস্ত্রোর আপসহীন দৃঢ় মনোবলের জন্য। এ সম্পর্কে ডেভিড ওয়ার্নার লিখছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও কিউবা কোন না কোন ভাবে এমন উচ্চমানের স্বাস্থ্য ও জনসেবার অবকাঠামো বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা ধনী ও দরিদ্র- উভয় শ্রেণির দেশের জন্য চমৎকার মডেল হিসাবে গণ্য হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আত্মতুষ্টির কারণে যা ভেবেছিল তা হয়নি, অর্থাৎ অবরোধ সৃষ্টি করে কিউবাকে পদানত করা যায়নি। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এই অবরোধ দেশটির জন্য বিরাট মঙ্গল বয়ে এনেছে, বাড়িয়েছে আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম।

 যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপ রাষ্ট্রটির সৃজনশীল মানসিকতার ব্যাপারে ভুল ধারণা পোষণ করেছিল। কাজেই বিদেশী দানবের কাছে পরাজয় বরণ করার বদলে দেশটি নিজস্ব ছন্দে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে গেছে প্রগতির পথে।’ তিনি আরো লিখছেন, ‘সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কিউবার এই টিকে থাকার লড়াই বাস্তবিকভাবেই ছিল অপ্রত্যাশিত। বিধিনিষেধের বেড়াজালে পড়ে কিইবা পেয়েছে উন্নয়নের প্রেরণা এবং দেশটি সারা বিশ্বের জন্য মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটির এই উন্নয়ন জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং স্বল্প ব্যয়ে অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রেই কেবল ঘটেনি বরং তা ঘটেছে উদ্ভাবনক্ষম পারিবেশিক ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রেও।


ফিদেল কাস্ত্রোর জন্য কিউবাকে কখনোই পছন্দ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। করবার কথাও নয়। কেননা ফিদেল ছিলেন পুঁজিবাদ তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আতঙ্ক। ‘বিপ্লব’, ‘সমাজতন্ত্র’ এ সবে বিশ্বাসী নয় যুক্তরাষ্ট্র। তবে তারা ‘প্রতিবিপ্লবে’ খুবই বিশ্বাসী। দেশে দেশে প্রতিবিপ্লব ঘটিয়ে শাসন ক্ষমতায় নিজের লোক বসিয়েছে। আজকের বিশ্বে যা প্রমাণের প্রয়োজন নেই। যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই চেয়েছে প্রতিবিপ্লব ঘটিয়ে কিউবায় কাস্ত্রোকে পরাজিত করতে। হত্যা করতে চেয়েছে কাস্ত্রোকে। যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সিআইএ (মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা)। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।

 উল্টো পুরো লাতিন আমেরিকাজুড়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী জনমত প্রবল থেকে প্রবল হয়েছে। বলা হয়, ‘আজকের জেগে উঠতে থাকা লাতিন আমেরিকার জনগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অনেক রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে কাস্ত্রো তার নেতৃত্বাধীন কিউবা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার শ্রেষ্ঠতম প্রতীক।’ যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান বা লিবারেল পার্টি যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেনো- পুঁজিবাদী স্বার্থে তারা এক ও অভিন্ন। এবারের নির্বাচনে মার্কিনিদের কট্টর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে। নির্বাচনের আগে সকল জরিপে হিলারী ক্লিনটন এগিয়ে থাকলেও ভোট দিয়েছে ট্রাম্পকে।

মার্কিনিরা মনে করেছে বতর্মান বিশ্ব পরিস্থিতিতে তাদের কট্টর হওয়া দরকার। যে কারণে তারা ট্রাম্পকে বেছে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের ওভার ট্রাম বিজয়ের ফলে আগামী দিনে বিশ্বের চেহারা কেমন হবে তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা চলছে। উগ্রপন্থি ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিজয়ের খবরে মার্কিন জনগণের সাম্প্রতিক ভাবনা-চিন্তা ফুটে উঠেছে। কাস্ত্রোর মৃত্যুর পর ট্রাম্প এক মন্তব্যে বলেছেন, কাস্ত্রো ছিলেন স্বৈরাচার। সে তো বটেই। তবে তা ছিল অধিকাংশ জনগণের পক্ষে। সাম্রাজ্যবাদ আরো কয়েকদশক বিশ্বকে ভোগাবে। ভোগাবে এ জন্য যে, আমাদের দেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের রাজনীতিবিদ মার্কিনপন্থি থাকতে বেশ ভালো বাসেন। কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য নিয়ে ক্ষমতায়ও আসতে চায়।

 তা হলে দাঁড়ায় কী? যে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে চরমভাবে বিরোধিতা করেছে তারা আমাদের স্বাধীনতা আর গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সাহায্য করবে? যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করে? একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর স্বাভাবিক ভাবেই খাদ্য সংকট দেখা দেয়। সে সময় আমাদের জনগণ যাতে না খেয়ে মরতে পারে, সে জন্য বঙ্গোপসাগর থেকে খাদ্য বোঝাই জাহাজ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কত বড় অমানবিক হলে এমন কাজ করা সম্ভব! যুক্তরাষ্ট্রের কাজ হলো, দেশে দেশে সমস্যা সৃষ্টি করে, যুদ্ধ লাগিয়ে অস্ত্র বিক্রি করা।

 যে কাজটি তারা করেছে ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশে। এখনো তারা সে কাজটি করে যাচ্ছে নিপুণভাবে। তবে দেশে দেশে বিরোধিতার সম্মুখীনও হচ্ছে। শক্তিশালী হয়ে গড়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম। বিশ্বে অস্ত্র বিক্রির একটা তালিকা দেওয়া যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ২০১৫ সালে সারাবিশ্বে মোট ৮০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি হয়েছে, আগের বছর যার পরিমাণ ছিল ৮৯ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে  কেবল যুক্তরাষ্ট্রই ৪০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৪ বিলিয়ন ডলার বেশি। সরবরাহকারীদের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফ্রান্স বিক্রি করেছে ১৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র; যা ২০১৪ সালের তুলনায় ৯ বিলিয়ন ডলার বেশি।

 ‘কনভেনশনাল আর্মস ট্রান্সফারস টু দ্য ডেভেলপিং নেশনস, ২০০৮-২০১৫’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের মত গত বছরও উন্নয়নশীল দেশগুলোই ছিল অস্ত্রের মূল ক্রেতা। ওরাই আবার দেশে দেশে গণতন্ত্র ফেরি করে বেড়ায়! যুক্তরাষ্ট্র তাদের বাজারে আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পকে জিএসপি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এটা তো কেবলই রাজনৈতিক কারণে। যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় আমাদের দেশে কী কোন বৃহৎ স্থাপনা রয়েছে? বরং বিশ্ব ব্যাংকসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের মাধ্যমে নানা অবরোধ সৃষ্টি করতে চায়। যা সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত, এক ধরনের অবরোধ। বিশ্ব ব্যাংক ছাড়া কী আমাদের পদ্মাসেতু নির্মাণ হচ্ছে না? এখন তারা বঙ্গোপসাগর দখলে নিতে নানা ছল-চাতুরি করছে। সামরিক ঘাঁটিও বানাতে চায়। উদ্দেশ্য চীনকে মোকাবিলা করা। এখন সেই তালিকায় ভারতকেও যুক্ত করেছে।  

গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে (১৯৫৬ থেকে ’৫৯) কাস্ত্রো বিপ্লবের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতায় আসেন। বিপ্লবের শুরুতে ফিদেল ও চে গুয়েভারা গঠন করেছিলেন ‘বিপ্লবী বাহিনী’। সেই বিপ্লবী বাহিনীর মাধ্যমে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করেন ফিদেল ও চে। সাথে ছিলেন চে গুয়েভারাসহ ২৮ বিপ্লবী।  পরে ফিদেল কাস্ত্রো যোগ দেন কিউবা কমিউনিষ্ট পার্টির সাথে। চে গুয়েভারাকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হত্যা করেছে সেই কবেই। আর বন্ধু ফিদেল বিদায় নিলেন এই সেদিন। কিউবার বিপ্লবে ফিদেল আর চে গুয়েভারা একাকার হয়ে যুদ্ধ করেছেন।

 চে তার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত বলিভিয়ায় সর্বহারা শ্রেণির ক্ষমতা দখলে বিপ্লবের জন্য অস্ত্র হাতে যুদ্ধে লড়েছেন। চে কিউবা বিপ্লবে অংশ নেয়ায় তখন অনেকে বলেছেন- ‘বিপ্লব রফতানি করা যায় না’। সে কথা হয়তো ঠিক। কেননা জনগণই হচ্ছেন বিপ্লবের বৃহত্তম শক্তি। নিজ দেশের জনগণ থেকেই বিপ্লবী নেতৃত্ব উঠে আসা দরকার। কেননা মাছের সাথে পানির যেমন সম্পর্ক, বিপ্লবীদেরও তেমনি জনগণের সাথে সম্পর্ক থাকতে হয়। মাছ যেমন পানি ছাড়া বাঁচতে পারে না তেমনি বিপ্লবীরাও জনগণ ছাড়া বাঁচতে পারেন না।

 এই সত্যকে উপলব্ধি করেই বিপ্লবীরা সিদ্ধান্তে এসেছেন- ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পক্ষে ছিলেন ফিদেল কাস্ত্রো। ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) সম্মেলনে বৈঠক হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধুর সাথে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল কমিউনিস্ট নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর। বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননায়’ ভূষিত করে ফিদেল কাস্ত্রোকে। বিশ্বে মার্কস-এঙ্গেলস-লেনিন- স্ট্যালিন মাও থেকে শুরু করে ফিদেল – চে’র মত বিপ্লবীদেরও মৃত্যু নেই। বিপ্লবীরা চিরকাল জনগণের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন, মানুষকে সকল নির্যাতন- শোষণের বিরুদ্ধে প্রেরণা যোগাতে।
লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট
ধঃধষশধৎধঃড়ধ০১৫৫২@মসধরষ.পড়স
০১৫৫২-৩২২৯৪২



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :