রাত ৩:১৬, শুক্রবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / বিনিয়োগ বাড়াতে হবে
বিনিয়োগ বাড়াতে হবে
এপ্রিল ১৮, ২০১৭

দেশের উন্নয়নে বিনিয়োগের বিকল্প নেই। আর বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের অবদান রয়েছে ১১ ভাগ। অন্তর্ভূক্তি মূলক প্রবৃদ্ধির হাত ধরেই দারিদ্র্যে বিমোচন সম্ভব। এ জন্য এ খাতটিকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।


 বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিশেষ করে অবকাঠামো ও শিক্ষা খাতের বিনিয়োগে জোর দিতে হবে। তাহলে প্রবৃদ্ধি এবারও ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থনীতি। গত কয়েক বছরে এ সব উদ্যোক্তাদের পুঁজি ও আকার সমানতালে বেড়েছে। ক্ষুদ্র ও ঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠান উভয়ে জিডিপিতে অবদান রাখছে। বর্তমানে সারাদেশে এ ধরনের প্রায় ২০ লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রয়েছেন। এরা কোন না কোনভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এদের কাজে নতুনত্ব রয়েছে। কেউ কেউ লোকালি পণ্যের ব্র্যাডিং করেছেন।


 বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং রফতানি খাতের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক থেকে ধনাত্মক পর্যায়ে নিয়ে আসাটা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে বিনিয়োগ বাড়ানো ভিন্ন গত্যন্তর নেই। প্রতিবছর বাজেটে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে যে প্রাক্কলন করা হয়, তার একটা বড় অংশ পাওয়া যায় না। আবার ক্ষেত্র বিশেষে সময়মতো প্রকল্পের কাজ করতে না পারার কারণেও বিদেশি ঋণ ফেরত পাওয়ার নজিরও কম নয়। বাস্তবমুখী কর্মসূচি নিয়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে সেটাই সরকারের সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।


 অর্থনীতির গতিশীলতার সঙ্গে যদি সরকার অর্থনৈতিক খাতের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারত, তাহলে বৈদেশিক ঋণের সদ্ব্যবহার করা যেত। বিদেশি ঋণ কেন খরচ হয় না-তা সরকারকে বুঝতে হবে সেটা। যারা এ কাজ করতে চায়না, তাদের কাছ থেকে জবাব নিতে হবে। দুর্নীতি করা যাবে না বলে, বিদেশি ঋণের টাকা খরচ হবে না। প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না। এ মানসিকতার কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top