সন্ধ্যা ৭:৩৩, শনিবার, ২৫শে মার্চ, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / বিনিয়োগে বেসরকারি খাত
বিনিয়োগে বেসরকারি খাত
মার্চ ৮, ২০১৭

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতও বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘ মেয়াদে বড় অংকের অর্থায়নের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনেক ধরনের বিধি-নিষেধ রয়েছে। এ ছাড়া অবকাঠামো খাতে দুর্বলতা, উন্নত বন্ড বাজার না থাকা, বিদেশিদের দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগের সুযোগ অবারিত না থাকা, চলমান ও আসন্ন প্রকল্পগুলোর তথ্য এক জায়গায় না থাকাসহ বেশকিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর না হলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) থেকে বড় ধরনের বিনিয়োগ আশা করা কঠিন।

 সরকারি বিনিয়োগ কিছুটা বেড়েছে কিন্তু তা প্রবৃদ্ধিতে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। বিগত কয়েক বছর ধরে বেসরকারি বিনিয়োগ কমছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, গ্যাস-বিদ্যুৎ অবকাঠামো, সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে না। বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা সেভাবে বিনিয়োগে এগিয়ে আসছে না, বরং অর্থ মজুদ রাখতেই তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। মনে হয় তারাও দেশে বিনিয়োগ সম্পর্কে কোনো এক অজানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। এটা তো জানা কথা বিনিয়োগ না বাড়লে প্রবৃদ্ধিও বাড়বে না।

বর্তমান সরকারের টার্গেট বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা। এটি অবশ্যই মহৎ উদ্দেশ্য। সব সমস্যা কাটিয়ে উঠে বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত ও সেগুলি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা দরকার। বর্তমান বিশ্ব পার করছে চরম এক অস্থির সময়। চলমান অস্থিরতা কাটিয়ে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্ত হাতে হাল ধরতে হবে। বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান সরকারকেই করতে হবে।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top