দুপুর ১:০২, শুক্রবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শীর্ষে বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শীর্ষে বাংলাদেশ
মার্চ ১০, ২০১৭

গত সাত বছরে দেশের বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন সক্ষমতা তিনগুণের বেশি বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার মেগাওয়াট। তা সত্ত্বেও গ্রীষ্ম মৌসুমে নিয়মিতই চলে বিদ্যুতের যাওয়া-আসা। ফলে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বাংলাদেশ রয়ে গেছে শীর্ষ তালিকাতেই। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মিটিং এশিয়ান ইনফ্রাসট্রাকচার নিডস শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত হারে বাড়ছে। ২০০০ থেকে ২০১২ সালে এটি বছরে গড়ে সাত দশমিক ৪০ শতাংশ হারে বেড়েছে।

 

 তবে এ হার এখনো অন্যান্য উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোর চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কিছু দেশ এখনো মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদনে আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এ জন্য দেশগুলোতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পরিমাণ অনেক বেশি। এতে দেশগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আর হ্রাস পাচ্ছে শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতা।

 প্রতিবেদনের তথ্য মতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে উন্নয়নশীল এশিয়ার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। এর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তান। বাংলাদেশে মাসে গড়ে ৬৫ বার বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। নেপালে এর সংখ্যা মাসে ৫১ ও পাকিস্তানে ৩১। চীনে ও ফিলিপাইনে এ হার একেবারেই নুন্যতম। মাসে একবার দুবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয় দেশ দুটিতে। বিদ্যুতের সিস্টেম লস বিষয়ে এই প্রতিবেদনে বলা হয় এশিয়ার সবচেয়ে বেশি সিস্টেম লস নেপালে প্রায় ৩০ শতাংশ, চীন ও আজারবাইজানে এ হার ১৪ এবং বাংলাদেশে ১৩ শতাংশ।

 বিদ্যুৎ ছাড়াও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সড়ক ও রেল অবকাঠামো উঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। এতে প্রতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্বল চিত্র দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর তিন।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top