রাত ৮:০২, বৃহস্পতিবার, ২২শে জুন, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / বিএনপি না এলেও নির্বাচন হবে: নাসিম
বিএনপি না এলেও নির্বাচন হবে: নাসিম
এপ্রিল ১৯, ২০১৭

বিএনপি না এলেও আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনাকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করেই নির্বাচন হবে এবং বিএনপি না এলেও নির্বাচন হবে।

বুধবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নির্বাচনে জনগণের মন জয় করেই মহাজোট ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষমতায় আসবে। ১৪ দল সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। নির্বাচনী লড়াইয়ে জয়ের জন্য, জঙ্গিবাদকে প্রতিহত করার মাধ্যমে উন্নয়নযুদ্ধে আছে এ সরকার সেই যুদ্ধ অব্যাহত রেখেই আগামীতে পুনরায় ক্ষমতায় আসবে মহাজোট সরকার। সেই নির্বাচনে কে এলো, কে এলো না, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র পথ জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচন হবে ব্যালটের যুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই তা হবে। নির্বাচনে কে এলো, কে এলো না, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। যে যত শ্লোগান তুলুক কাজ হবে না,এর কোন অর্থ  নেই আমাদের কাছে। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারকেই ক্ষমতা আসতে হবে। জনগণও এটা চায়। তা না হলে উন্নয়ন মুখ থুবরে পড়বে, জনগণ আবারো অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। ১৪ দল আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে অংশ গ্রহণ করবে এবং জনগনের ভোটে বিজয়ী হবে। জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, আমাদের সামনে যুদ্ধ দুটি। একটি জঙ্গিবাদবিরোধী যুদ্ধ, আরেকটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত উন্নয়নের যুদ্ধ। যথাসময়ে এই যুদ্ধের সফল সমাপ্তি ঘটাতে নির্বাচনে জয়লাভ করতে হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার দেশকে যতটুকু এগিয়ে নিয়ে যায়, বিপক্ষের সরকার ততটুকুই পেছনে নিয়ে যায়। এই যে মিউজিক্যাল চেয়ার, এ থেকে দেশকে রেহাই দিতে হবে। তথ্যমন্ত্রী ইনু বলেন, জঙ্গী দমনের যুদ্ধ চলছে এবং তা এখনও শেষ করা যায়নি। তবে এটা অনেক অগেই শেষ হয়ে যেতো যদি বিএনপি জঙ্গীদের আশ্রয় পশ্রয় না দিত। দেশ দু’টি যুদ্ধ চলছে। এটি হচ্ছে উন্নয়ন যুদ্ধ। অন্যটি হচ্ছে জঙ্গী দমনে যুদ্ধ। এ দুই কাজেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে অনেকের মতে ভাব রয়েছে যে যুদ্ধটা যেনো এটা প্রধানমন্ত্রীর নিজের। আসলে এটা মহাজোট, ১৪ দলের সবারই যুদ্ধ।

জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, জাতীয় পার্টি (জে-পি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহদাত হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টির জাকির হোসেন প্রমুখ। ‘জঙ্গিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্থ-উন্নয়ন সাফল্যকে  শ্লোনকারী দুর্নীতি-দলবাজি-দখলবাজি-অন্তর্কলহ ও অরাজনৈতিক কর্মকান্ড প্রতিহত করুন’ শীর্ষক সেমিনারের ধারণপত্র পাঠ করেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top