দুপুর ১:০১, শুক্রবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / বাড়ছে সড়কে প্রাণহানি
বাড়ছে সড়কে প্রাণহানি
মার্চ ৬, ২০১৭

মোটরযান আইন অনুযায়ী মহাসড়কে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার নির্ধারণ করে দিয়েছে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল। শহর ও লোকালয়ের সড়কগুলোতে এ গতিসীমা সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার। এ জন্য যানবাহনগুলোতে গতি নিয়ন্ত্রক যন্ত্র (স্পিড গভর্নর) রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং এ যন্ত্রের ওপর নির্ভর করেই মোটর যানের ফিটনেস সনদ দেওয়া হয়। যানচালকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। চালকদের প্রশিক্ষণ দিতে বলা হয়েছে। এমনকি দুর্ঘটনার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু এসব নিয়ম কানুনের কিছুই মানছেন না যান মালিক ও চালকরা।

 পরিবহণ মালিকরাও নির্বিঘেœ ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাচ্ছেন পথে। এমনকি যাত্রী পথচারীরাও চলাচলে অসতর্ক। ফলে সড়কপথে দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না। থাকছে না মৃত্যুর মিছিল। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দেশে মোট ২০৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ২৪৭ যাত্রী। আহত হন ৩৭২ জন। অথচ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে চলতি বছর সে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

 অবশ্য দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি শাস্তির একটি ইতিবাচক নজির সৃষ্টি হয়েছে। ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক মিশুক মুনীর সহ পাঁচজন নিহত হওয়ার মামলার রায়ে বেপরোয়া বাস চালক জমির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদ  দিয়েছেন আদালত। কিন্তু দুর্ঘটনা কমাতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষ্য নেই। বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top