সকাল ৯:৫৪, বুধবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ আইন-আদালত / বনানীতে দুই ছাত্রীকে ধর্ষন মামলা সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে যাচ্ছে ধর্ষকদের ৬ মোবাইল
*রিমান্ড শেষে সাফাতের দেহরক্ষী কারাগারে
বনানীতে দুই ছাত্রীকে ধর্ষন মামলা সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে যাচ্ছে ধর্ষকদের ৬ মোবাইল
মে ২০, ২০১৭

বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামিদের কাছ থেকে জব্দ করা ছয়টি মোবাইল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি’র ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। এছাড়া আসামি নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার জন্যও অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে ডিএমপির উপ-কমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) মাসুদুর রহমান। অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামী আপন জুয়েলার্স মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদের দেহরক্ষী রহমত আলী ওরফে আজাদকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঢাকার মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির করার পর রহমত আলীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক দেবব্রত বিশ্বাস।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করে রহমত আলীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে শনিবার দুপুরে তাকে আবার আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইসমত আরা এমি। আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের পারিপার্শ্বিক যেসব তথ্য ছিল রহমত আলীর কাছে, সবই সে পুলিশকে জানিয়েছে। ধর্ষণে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। এ কারণে নতুন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই। তবে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। শুনানি শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে রহমত আলী ওরফে আজাদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

পুলিশ জানায়, ‘বনানীর ধর্ষণ মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কিছু ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন। তাই শনিবার আদালতের কাছে এসব ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস পরীক্ষার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলে সেগুলো ল্যাবে পাঠানো হবে।’
গত ২৮ মার্চ রাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার প্রায় ৪০দিন পর গত ৬ মে তারা বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাফাত আহমেদ, সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়ি চালক বিল্লাল হোসেন ও বডি গার্ড রহমত আলী ওরফে আজাদকে আসামি করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে সব আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top