সকাল ৭:৫৫, বুধবার, ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং
/ অর্থ-বাণিজ্য / বছরে ৮৮ লাখ নতুন ইন্টারনেট গ্রাহক গ্রামীণফোনে
বছরে ৮৮ লাখ নতুন ইন্টারনেট গ্রাহক গ্রামীণফোনে
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৭

দেশের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট সেবায় গত বছর নতুন ৮৮ লাখ গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন। এ সেবা থেকে বেড়েছে তাদের রাজস্বও।  অপারেটরটির ৫ কোটি ৮০ লাখ সক্রিয় গ্রাহকের ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছে। মঙ্গলবার ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে ২০১৬ সালের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান গ্রামীণফোনের সিইও পেটার ফারবার্গ। তিনি বলেন, ২০১৬ সাল ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের জন্য একটি সার্বিক সাফল্যের বছর। ডেটা রাজস্বের অব্যাহত প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি ভয়েস খাতেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই বছর আমরা সাফল্যের সাথে বায়োমেট্রিক যাচাই প্রক্রিয়া ও ৯০ শতাংশ সাইটে থ্রিজি পৌঁছে দিতে পেরেছি। পেটার ফারবার্গ বলেন, গ্রামীণফোন ৫ কোটি ৮০ লাখ সক্রিয় গ্রাহক নিয়ে ২০১৬ সাল শেষ করেছে, এখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ২ শতাংশ। তিনি বলেন, গত বছর গ্রামীণফোনে যুক্ত হয়েছে ৮৮ লাখ ডেটা গ্রাহক। এর ফলে মোট গ্রাহকের ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছে। গ্রামীণফোনের সিএফও দিলীপ পাল বলেন, গ্রামীণফোন ২০১৬ সালে ১১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, নতুন গ্রাহক এবং সেবা থেকে অর্জিত রাজস্ব (আন্তসংযোগ আয় ব্যতীত) আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে ১২ শতাংশ। সেই সাথে ডেটা রাজস্বের প্রবৃদ্ধিও অব্যাহত ছিল। ডেটা থেকে রাজস্ব বেড়েছে ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ। ব্যবহৃত মিনিট বাড়ার ফলে ভয়েস থেকে অর্জিত রাজস্ব বেড়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ। গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে নতুন গ্রাহক ও ট্রাফিক রাজস্ব (ইন্টারকানেকশন বাদে) ২০১৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে বলে জানান দিলীপ পাল। গ্রামীণফোন আয়কর দেওয়ার পর ২০১৬ সালে মুনাফা হয়েছে ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা, যা ২০১৫ তে ছিল ১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। এবছর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১৬ দশমিক ৬৮ টাকা।

দিলীপ পাল জানান, ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় গ্রামীণফোনের পরিচালক ম-লী ২০১৬ সালের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ৯০ শতাংশ (প্রতিটি ১০ টাকার শেয়ারের জন্য ৯ টাকা) চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর ফলে ২০১৬ সালের জন্য মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াল পরিশোধিত মূলধনের ১৭৫ শতাংশ, যা ২০১৫ সালের কর পরবর্তী মুনাফার ১০৫ শতাংশ (এর মধ্যে রয়েছে ৮৫ শতাংশ অন্তর্র্বতী নগদ লভ্যাংশ)। আগামী ২০ এপ্রিল গ্রামীণফোনের বার্ষিক সাধারণ সভায় এই লভ্যাংশ অনুমোদন হবে, এর জন্য রেকর্ড ডেট রাখা হয়েছে ২২ ফেব্রুয়ারি। বোর্ড অফ ডিরেক্টরস সব শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শেয়ার প্রতি ৯ টাকা লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে বলে জানানা দিলীপ।  দেশের বৃহত্তম করদাতা গ্রামীণফোন ২০১৬ সালে সরকারি কোষাগারে কর, ভ্যাট, শুল্ক ও লাইসেন্স ফি বাবদ মোট ৫ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা দিয়েছে, যা কোম্পানির মোট রাজস্ব আয়ের ৫১ শতাংশ।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top