রাত ৮:৪৯, সোমবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / ফ্রান্সে হিংসার রাজনীতি প্রত্যাখ্যাত
ফ্রান্সে হিংসার রাজনীতি প্রত্যাখ্যাত
মে ১০, ২০১৭

ফ্রান্সে ম্যাক্রোনের বিজয়ে যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ল ইউরোপ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কারণ উগ্র ডানপন্থি মেরিন লে পেন নির্বাচিত হলেই ব্রেক্সিটের মতো ঘটে যেতে পারত অস্থিরতা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভেঙেও যেতে পারত। বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে ইমানুয়েল ম্যাক্রোন প্রতিদ্বন্দ্বী লে পেনের ইউরোপ বিরোধী জিকির থামিয়ে দিয়েছেন।


 একই সঙ্গে অভিবাসন বিরোধী যে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা পেন ঘোষণা করেছিলেন তা রক্ষা পেয়েছে ফ্রান্সে অবস্থানকারী এশিয়া সহ বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক অভিবাসী। সেসব অভিবাসীর মধ্যেও ফিরেছে স্বস্তি। পেন ঘোষণা করেছিলেন, তিনি নির্বাচিত হলে ফ্রান্সে  ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিন্ন মুদ্রা ইউরো বাতিল করবেন। তবে তিনি পরাজিত হওয়ার পর সেই ইউরোর দামও বেড়ে গেছে।


ম্যাক্রোর বিজয়ে শোভাযাত্রা হয়েছে ইইউ পার্লামেন্টে শহর ব্রাসেলসে। ফ্রান্সে নির্বাচনী ফলের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবিষ্যতে নির্ভর করত বলে সারা বিশ্ব তাকিয়েছিল সেদিকে। লে পেন এর এজেন্ডায় ছিল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসা, অভিন্ন মুদ্রা ইউরো বাতিল করা, অভিবাসী ও মুসলমানদের বিরোধিতাও তার প্রধানতম এজেন্ডা ছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্প ছিলেন লে পেনের সমর্থক।

 

 ট্রাম্প- লে পেনের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অনেক ক্ষেত্রে এক। এতেই মুক্ত বিশ্বে আতঙ্কের জন্ম দেয়। এ বিজয় শুধু ম্যাক্রোনের বিজয় নয়। এ বিজয় গণতন্ত্রের পক্ষে বিজয়, সহনশীল সমাজ ব্যবস্থার বিজয়, ঘৃণা-বিদ্বেষ, হিংসা-প্রতিহিংসার বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রিয় মানুষের রায়।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top