রাত ২:৫৮, রবিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / ফের পিছিয়েছে খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন
ফের পিছিয়েছে খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন
January 5th, 2017

খালেদা জিয়ার সময়ের আবেদনে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন আবারও পিছিয়ে গেছে।
 বৃহস্পতিবার ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার খালেদার বাকি বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য ১২ জানুয়ারি নতুন তারিখ ঠিক করে দেন।

ঢাকার বকশী বাজারে বিশেষ জজ আদালতের এই অস্থায়ী এজলাসে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলারও শুনানি চলছে। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য নতুন করে নেওয়ার আবেদন করেছে আসামিপক্ষ, যা নিয়ে দুপুরের পর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এ দুই মামলার শুনানিতে হাজির হতে খালেদা জিয়া আদালতে পৌঁছান বেলা সাড়ে ১১টার দিকে। প্রথমেই শুরু হয় দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম। তার পক্ষে আদালতে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মাহাবুবউদ্দিন খোকন, আব্দুর রেজাক খান, এজে মোহাম্মদ আলী, সানাউল্লাহ মিয়াসহ অন্যরা। দুদকের পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।

গত ১ ডিসেম্বর এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন খালেদা। ওই ট্রাস্টের তিন কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের এ মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে সুবিচার চান তিনি। এরপর মামলার কার্যক্রম স্থগিতের জন্য হাই কোর্টে আবেদন করেন বিএনপির চেয়ারপারসন। শপথ আইন ‘না মানার’ কারণ দেখিয়ে ৩২ জনের সাক্ষ্য নতুন করে নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয় ওই আবেদনে। ১৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার পক্ষে সাফাই সাক্ষী দেওয়ার জন্য ২২৫ জনের তালিকা আদালতের কাছে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু খালেদা পর পর দুটি ধার্য দিনে উপস্থিত না হওয়ায় তার অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি পিছিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা হাই কোর্টে তাদের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করলে কাজল এর বিরোধিতা করেন। পরে বিচারক নতুন তারিখ ঠিক করে দিয়ে এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি শুরু করেন। গত ২৯ ডিসেম্বর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদকে জেরা শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। পরে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ৫ জানুয়ারি দিন ঠিক করে দেন বিচারক। বৃহস্পতিবার এ মামলার কার্যক্রম শুরুর পর খালেদার আইনজীবী রেজাক খান নুরুদ্দীন নামে রাষ্ট্রপক্ষের এক সাক্ষীর সাক্ষ্য নতুন করে নেওয়ার আবেদন করেন। পরে শুনানি করা হবে বলে এরপর মধ্যাহ্ন বিরতিতে চলে যায় আদালত।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top