সকাল ৮:৩৫, শনিবার, ২৭শে মে, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / প্রাথমিক সমাপনীতে সাফল্য
প্রাথমিক সমাপনীতে সাফল্য
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬

 

শিক্ষার্থীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উল্লাস করছে। মেতেছে আনন্দে -পরীক্ষার ফল প্রকাশ হওয়ার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বৃহস্পতিবার ছিল সেই দৃশ্য। অষ্টমশ্রেণীর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল।

 এতে পাসের হার ৯২.৩৩। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৮ জন প্রার্থী। এ বছর জেএসসিতে গড় পাসের হার ৯২.৮৯, জেডিসিতে গড় পাসের হার ৯৪.০২। গত ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হয় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা। সারা দেশে ৭ হাজার ১৯৪টি কেন্দ্রে ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে ২৯ লাখ ৩৪ হাজার ১১৮ জন এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে ৩ লাখ ৬৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা আশার আলো দেখতে পেয়েছি।

 নকলের উৎসবের যুগ পেরিয়ে আমরা পরীক্ষায় কমবেশি সৃজনশীল পদ্ধতি প্রচলন করতে পেরেছি। এখন আমাদের শিক্ষার মানোন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে। জিপিএ-৫ প্রাপ্ত অনেক শিক্ষার্থী যখন দেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ব্যর্থ হন, তখন ধরে নিতেই হয় গলদ কোথাও রয়েছে। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ভালো ফল অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে।

 তবে শিক্ষার মানের বিষয়টিও শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা যেন মাথায় রাখেন। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাবে- এ চিন্তা মাথায় রেখেই সরকার শিক্ষানীতিতে পরিবর্তন এনেছে, সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতির সংযোজন ঘটিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পাচ্ছে। নির্ভরশীলতা কমেছে গাইডের ওপর। এতে করে তারা প্রকৃত জ্ঞানার্জনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা কৃতকার্য শিক্ষার্থীসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top