সকাল ৬:০৮, শুক্রবার, ২৩শে জুন, ২০১৭ ইং
/ Today Lead / প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতায় ভারসাম্য চান খালেদা জিয়া
প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতায় ভারসাম্য চান খালেদা জিয়া
মে ১০, ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রীর ‘একক নির্বাহী ক্ষমতা’ দেশে ‘সংসদীয় সরকারের আবরণে একটি স্বৈরাচারী একনায়কতান্ত্রিক শাসনের’ জন্ম দিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে সংবিধান সংশোধন করে ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে।গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি। 

 

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে বিএনপি কিভাবে দেশ পরিচালনা করবে- তার রূপকল্প ‘ভিশন-২০৩০’ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন শুরুর কথা থাকলেও তা শুরু হয় ২৫ মিনিট দেরিতে। এ সময় বেশকিছু কর্মীকে হুড়োহুড়ি করে ওয়েস্টিনের বলরুমে ঢুকতে দেখা যায়। গত বছর ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে ‘ভিশন ২০৩০’ এর রূপরেখা তুলে ধরেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এই সংবাদ সম্মেলনে তারই পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে বলে বিএনপি নেতাদের ভাষ্য।


বিএনপির ভিশন-২০৩০ প্রণয়নের উদ্দেশ্য সম্পর্কে খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণই সব উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। যেসব বাধা জনগণের মেধা, শ্রম, উদ্যোগ ও উৎসাহকে দমিয়ে দেয় সেগুলোকে দূর করে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে বিএনপির ‘ভিশন-২০৩০’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই রূপকল্পে বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও  উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে ২৫৬টি পয়েন্ট তুলে ধরেন বেগম জিয়া।


পৌনে দুই ঘণ্টার সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, গণতন্ত্রের চেয়ে উন্নয়ন শ্রেয়- এই ধারণা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার অপচেষ্টা বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করবে। সংবিধানের পঞ্চদশ ও ষষ্ঠদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যে ‘বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক বিধান’ যুক্ত করা হয়েছে, সেগুলো সংস্কার করার অঙ্গীকারের কথাও বলেন খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংবিধান সংশোধন করে ‘গণভোট ব্যবস্থা’ পুনঃপ্রবর্তন করবে এবং জাতীয় সংসদকে সকল কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবে। ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে সংবিধানের এককেন্দ্রিক চরিত্র অক্ষুণœ রেখে জাতীয় সংসদে উচ্চ কক্ষ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের হাতেই রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে চায়। আমরা ‘ওয়ান ডে ডেমোক্রেসিতে’ বিশ্বাসী নই। জনগণের ক্ষমতাকে কেবল ভোট দেওয়ার দিনে আবদ্ধ রাখতে চাই    না। খালেদা জিয়া প্রতিশ্রুতি দেন, তার দল রাষ্ট্র ক্ষমতা পেলে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ ও কারা ব্যবস্থাপনায় সংস্কার আনার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করবে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংবিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠা করা হবে ন্যায়পালের পদ।


তিনি বলেন, বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে জাতির কাছে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য সুনীতি, সুশাসন ও সু-সরকারের সমন্বয় ঘটাবে বিএনপি। দলটি রাজনৈতিক-সামাজিক বিভাজনের অবসানও ঘটাতে চায়। বিএনপির সময়েই বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল বলে আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করে এলেও খালেদা জিয়া দাবি করেন, তার দল দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে- সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ বিশ্বে স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি।

 

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে ওই ধরনের কোনো কর্মকান্ড বরদাশত করবেন না এবং জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির মাধ্যমে জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটন করা হবে। দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ধর্মের শিক্ষার প্রচার এবং শান্তি ও সম্প্রীতির চেতনাকে সুসংহত করার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাস দমনের একটি কর্মকৌশল প্রণয়ন করবে বিএনপি।  


বিএনপি নেত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে তার দল সালিসি আদালত পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখবে। সুপ্রিম কোর্টের অধীন পৃথক সচিবালয় করবে। বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ সকল কালা কানুন বাতিল করবে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের অবসান ঘটাবে। রূপকল্পের মধ্যে আরও রয়েছে-প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য বিচারক নিয়োগের মাধ্যমে মামলার জট কমিয়ে আনা হবে, বিচার ব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য উচ্চ পর্যায়ের জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করা হবে, পুলিশ বাহিনীকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে, পুলিশের কনস্টেবল/ট্রাফিক পুলিশ এবং এএসআই পর্যন্ত নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে একটানা ৮ ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব দেওয়া হবে না, ৮ ঘন্টার অতিরিক্ত সময় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কর্মঘন্টা হারে যুক্তিসংগত ওভার-টাইম ভাতা প্রদান করা হবে।

 

দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নারী ও প্রান্তিক নৃ-গোষ্ঠী কোটা ব্যতিরেকে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে। পরিসেবা প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, সব ধরনের রাষ্ট্রীয় ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাসমূহের সেবার মান ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় অতিস্বল্প আয়ের জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। বেসরকারি খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য বার্ধক্যের দুর্দশা লাঘবের উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে একটি ‘পেনশন ফান্ড’ গঠন করা হবে।

বাস-ট্রেন-লঞ্চে বিনা ভাড়ায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের বিধান করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ক্ষমতায় গেলে বিএনপি সব মুক্তিযোদ্ধাকে ‘রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক’ হিসেবে ঘোষণা করবে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রণয়নের নামে দুর্নীতির অবসান ঘটানো হবে এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করা হবে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিবিড় জরিপের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি সঠিক তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করবে। মুক্তিযোদ্ধাদের বাস-ট্রেনে-লঞ্চে যাতায়াতে নির্ধারিত ভাড়ার অর্ধেক মূল্যে যাতায়াতের বিধান করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে মাথাপিছু আয় ৫০০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত করা হবে। ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে। অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ডিভিশন বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসমূহ পরিচালনা ও তদারকির ভার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে ন্যস্ত করা হবে।

 

শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করা হবে, জাতীয় টিভিতে একটি পৃথক শিক্ষা টিভি চালু করা, স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা। ২০৩০ সালের মধ্যে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতকে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে রূপান্তর করা হবে। জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান বিবেচনায় প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।রূপকল্পে আরো রয়েছে, ক্ষমতায় গেলে তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করা হবে। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার জন্য নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের একজন সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক, আইটি বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক সমন্বয়ে একটি কমিশন গঠন করা হবে।

 

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রুজুকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে। বাজারমূল্য ও মূল্যস্ফীতির সাথে সঙ্গতি রেখে সকল সেক্টরে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য প্রতি দুই বছর অন্তর রিভিউ ব্যবস্থা চালু করা হবে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের বিষয়ে বলা হয়েছে, বর্তমানে রাজনৈতিক কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বিচারে সাসপেন্ড/ বরখাস্ত/ অপসারণ করা হচ্ছে, যা অনৈতিক ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির পরিপন্থী। আদালত কর্তৃক দন্ডপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাহী আদেশবলে সাসপেন্ড/বরখাস্ত/অপসারণ করা হবে না।


স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে বলা হয়, বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এচ (এবহবৎধষ চৎধপঃরঃরড়হবৎং) ব্যবস্থার প্রর্বতন করা হবে। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একজন চিকিৎসক নির্দিষ্ট থাকবেন। ফলে ডাক্তারদেরও কর্মসংস্থান হবে। গরিব মানুষের জন্য ৫০ ধরনের প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হবে। রাজধানী শহরে প্রাপ্ত সকল চিকিৎসা সুবিধা ক্রমান্বয়ে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারিত করে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা দেশের মফস্বল পর্যায়েও সহজলভ্য করে তোলা হবে।

 

প্রত্যেক ডাক্তারকে কমপক্ষে দুই বছর আবশ্যিকভাবে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা দিতে হবে।  রূপকল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে, এক বছরব্যাপী অথবা কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত, যেটাই আগে হবে, শিক্ষিত বেকারদের বেকার ভাতা প্রদান করা হবে। আরো বলা হয়েছে, শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকট নিরসন কল্পে শুকিয়ে যাওয়া বা পলিমাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-বিল, নদী-নালা এবং হাজা-মজা পুকুর ও দীঘি পুনঃখনন করা হবে। রাজধানী ঢাকার জনজীবনের স্বার্থে বুড়িগঙ্গা, বালু ও তুরাগসহ ঢাকার চারপাশের জলাভূমি দূষণমুক্ত করে এগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, জ্বালানি উৎপাদনে পারমাণবিক শক্তির নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এই আলোকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি পুনঃপরীক্ষা করা হবে। সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নকল্পে দ্বিতীয় যমুনা সেতু, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া প্রান্তে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু ও ব্রহ্মপুত্র সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ঢাকার সাথে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের দ্রুত যোগাযোগের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস হাইওয়ে নির্মাণ করা হবে।


ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আমরা যে ভিশন উপস্থাপন করলাম তা অর্জন কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়। নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার অর্থ্যাৎ একটি যথার্থই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে আমাদের এই ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়ন করা হবে ইনশা-আল্লাহ। আমরা আশা করি, এই ভিশন বাস্তবায়নে আমরা দেশবাসীর সক্রিয় সমর্থনের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানসমূহেরও সহযোগিতা পাব।  

 
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-আল রশিদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা

রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, রুহুল আলম চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ডা. জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদিন, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এজে মোহাম্মদ আলী, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, ইসমাইল জবিউল্লাহ, অধ্যাপক তাজমেরি ইসলাম, আবদুল কাইয়ুম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, অধ্যাপক সাহিদা রফিক, গোলাম আকবর খোন্দকার, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর

রহমান ঢালী, যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মাহবুবের রহমান শামীম, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ও শামসুদ্দিন আহমেদ দিদার প্রমুখ।


২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে ছিলেন-আন্দালিব রহমান পার্থ, মোস্তফা জামাল হায়দার, শফিউল আলম প্রধান, সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, রেদোয়ান আহমেদ, জেবেল রহমান গাণি, ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এএইচএম কামরুজ্জামান খান, মুফতি মো. ওয়াক্কাস, এমএ রকীব, সৈয়দ মজিবুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, আজহারুল ইসলাম, সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সৈয়দ মাহবুব হোসেন, সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।

 পেশাজীবীদের মধ্যে ছিলেন-ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ড. খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, ড. মাহবুব উল্লাহ, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী প্রমুখ। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ভারতসহ ঢাকায় নিযুক্ত বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের প্রত্যেককে বিএনপির ভিশন-২০৩০ এর ইংরেজি ভার্সনের একটি করে কপিও সরবরাহ করা হয়।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top