দুপুর ১:১৩, রবিবার, ২৫শে জুন, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / পোলট্রি খাতে বাড়তি প্রণোদনা প্রয়োজন
পোলট্রি খাতে বাড়তি প্রণোদনা প্রয়োজন
এপ্রিল ১৫, ২০১৭

পোলট্রি ফর বেটার টুমরো শ্লোগান নিয়ে দেশে চলছে দশম আন্তর্জাতিক পোলট্রি প্রদর্শনী। কিন্তু নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত সম্ভাবনাময়ী এ খাতের উদ্যোক্তারা। পোলট্রিতে ব্যবহৃত কাঁচামালে ট্যাক্স আরোপ করায় খাবারের বাড়তি দাম, পরিবহণ ভাতা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল খামারিদের যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, উদ্যোক্তাদের ভবিষ্যতের দিকে না তাকিয়ে গত দুই বছর পোলট্রি খাতে কর আরোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া কাঁচামাল আমদানির ওপর শুল্ক ও অ্যাডাভ্যান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি) আরোপ করায় বাড়তি করের বোঝায় ক্ষতিগ্রস্ত এ খাতের উদ্যোক্তারা।


 অন্যদিকে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহণ খাতে গুণতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। আর বিদ্যুতের দাম বাড়ায় বাড়ছে মুরগির বাচ্চার দাম। এমন পরিস্থিতিতে এ খাতের বিকাশে বাড়তি প্রণোদনা ও ২০২১ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, পোলট্রি খাতে ব্যবহৃত খাবারের প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে ভুট্টা।

 খাবার উৎপাদনে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর ৫২ শতাংশ ভুট্টা ব্যবহার করা হয় কিন্তু সরকার ভুট্টার ওপর ৫ শতাংশ অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স নির্ধারণ করেছে। এ ছাড়া পোলট্রি খাবারের গুরুত্বপূর্ণ সয়াবিনের বীজ। সয়াবিন বীজ আমদানিতে সরকারকে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক ৪ শতাংশ  অ্যাডভান্স ট্রেড ভ্যাট প্রদান করতে হয় উদ্যোক্তাদের অর্থাৎ পোলট্রি খাতে ব্যবহৃত ৮৭ শতাংশ কাঁচামালের ওপর ১৯ শতাংশ কর প্রদান করতে হয় সরকারকে। ফলে খামারিদের ব্যয় হচ্ছে বাড়তি অর্থ, যার প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের উপর।

 এ ছাড়া গত ৬ বছরে পাইকারি ও ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ছয়বার। সর্বশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর। এ দিকে পহেলা মার্চ থেকে নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ায় আবারো বিদ্যুতের দাম বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এমন পরিস্থিতির নতুন করে উৎপাদন ব্যয় আরো বাড়ার শংকা পোলট্রি খাত সংশ্লিষ্টদের। 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top