বিকাল ৪:০৬, শনিবার, ২৭শে মে, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / পাটের আবার বহুমুখী সুদিন
পাটের আবার বহুমুখী সুদিন
এপ্রিল ২১, ২০১৭

একটা সময় ছিল বাংলাদেশে পাটের জয় জয়কার অবস্থা ছিল। কিন্তু আশির দশকের পর থেকে পাটের বাজার আস্তে আস্তে কমতে থাকে। আয় কমতে কমতে এক সময় এমন অবস্থার মধ্যে এসে ঠেকেছিল যে গরু বাঁধা দড়ি কিংবা পাট খড়ি ব্যবহারের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় সামান্য কিছু পাট -আবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের সেই পাটের সুদিন আবার ফিরতে শুরু করেছে।

 

 সারাদেশের কৃষি ব্যবস্থা ছিল পাটময়। মৌসুমে যেদিকেই যাওয়া যেত সারি সারি পাট ক্ষেত দেখতে মন জুড়িয়ে যেত। রাস্তার দুধারে পাটের ক্ষেতের জন্য আশেপাশে কোনো ক্ষেত দেখতে পাওয়া যেত না। সে সময় হাট বাজার করার জন্য পাটের ব্যাগ ছিল ঐতিহ্য। কিন্তু দিন পাল্টায়ে আর দিন পাল্টানোতে পাটের জন্য খারাপ সময় ডেকে এনেছে।

 

একদিকে দিনে দিনে বিশ্ব বাজারে পাটের বিকল্প তন্তু আবিষ্কার হয়েছে অপরদিকে সে সময় কৃত্রিম তন্তু দামে পাটের তুলনায়। অনেক সস্তা হওয়াতেই অনায়াসে সেগুলোর ব্যবহার বৃদ্ধি পেতে থাকে। সেজন্য কমতে থাকে পাটের গুরুত্ব ও দাম। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃ স্থানীয় সরকার ক্ষমতায় এসে শিল্প ও কলকারখানা চালু করার ক্ষেত্রে কিছু বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

 

 পাটের কোন কিছুই ফেলনা নয়। ছোট বড় সব ধরনের পাট গাছ থেকে পুষ্টিকর পাটশাক পাওয়া যায়। পাট যে আবার গুরুত্ব পেতে শুরু করে তাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে সেটি ধরে রাখতে হলে এর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top