রাত ৮:৫৫, সোমবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি
নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি
মে ২০, ২০১৭

চাহিদা মতো পণ্য বাজারে পাওয়া গেলে আকস্মিক মূল্য ওঠানামার কথা নয়। যদি মজুদদারের গুদামে পণ্য থাকে এবং অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা হয়, তাহলে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেবেই। ভোক্তারা পণ্য মূল্য বৃদ্ধির সেই ফাঁদে নিজেদের পরিশ্রমলব্ধ অর্থ মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় করতে বাধ্য হন।

 

সরকার যদি মজুদদারির ওপর কড়াকড়ি আরোপ এবং আইন মানাতে সচেষ্ট হয়, তাহলে ইতিবাচক ফল লাভ সম্ভব। ভোক্তাদের তখন নিত্য পণ্য কিনতে পকেট উজাড় হয় না। এতে সরকার ও ভোক্তা সাধারণ উভয়েরই লাভ।


 এ জন্য পণ্যের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের পাশাপাশি অসাধু মজুদদারি রোধ করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন। রমজান আসন্ন। কিন্তু তার আগেই বাজারে অগ্নিমূল্য। মাছ, মাংস মুরগি থেকে শুরু করে শাক, সব্জি, চাল, চিনি, ডাল সহ নিত্য পণ্যের দাম অনেকগুণ বেড়ে গেছে।

 

সবকিছুই বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ, এবার বিক্রেতাদের দাম বাড়ানোর বাহানা অতি বৃষ্টি আর হাওড়ে বন্যা। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে যখন বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম মেনে সব সময় দ্রব্যমূল্য ওঠানামা করে না, সেখানে সব সময় বাজারের ওপর চোখ রাখতে হয়।


দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের কারসাজি রোধে আগে ভাগেই সরকারি মনিটরিং এর ব্যবস্থা থাকতে হবে। পণ্যের আমদানি, মজুদ ও বাজার মনিটরিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল রাখার জন্য টিসিবির মাধ্যমে নিত্য পণ্য আমদানির উদ্যোগ কতটা যুক্তিগ্রাহ্যভাবে এগোচ্ছে, সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে।

 

সঙ্গত কারণেই টিসিবিকে আমদানির পরিমাণ যুক্তিগ্রাহ্যভাবে বৃদ্ধি করতে হবে। এভাবে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান রাখতে হবে। আমদানি, মজুদ ও বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু রেখে পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রাখুন।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top