রাত ৩:৫৪, শনিবার, ২৮শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / নারী স্বাধীনতা একটি জটিল প্রক্রিয়া
নারী স্বাধীনতা একটি জটিল প্রক্রিয়া
মার্চ ১৩, ২০১৭

তাহমিনা আকতার পাতা :  একজন মানুষের জন্মের ইতিহাস থেকে শুরু করে সমগ্র জীবনের যে পর্যায়ক্রমিক ধারা তার প্রতিটি ধাপকে রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয়, অনুশাসন এবং রাষ্ট্রিয় চরিত্রগত কাঠামোর দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে প্রথমেই যে সত্যটি বেরিয়ে আসে তা হলো একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী অনেক বেশি মাত্রায় পরাধীন এবং তা প্রত্যক্ষ। সৃষ্টিগত অর্থে মানুষের মধ্যে এই যে বৈষম্য তা যদি দূর করা না যায় তাহলে শুধু চিরাচরিত বাঙালি ঐতিহ্য কেন সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি, কোন কিছুরই বিকাশ ঘটানো সম্ভব নয়। যা বহু বছর পূর্বেই লেনিন উপলব্ধি করেছিলেন।


তিনি বলেছিলেন, “নারীকে ঘরোয়া দাসত্ব থেকে মুক্তি দিতে হবে। নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি ব্যতিত সমাজতন্ত্রের পক্ষে উক্তিটি এজন্যে এনেছি যে ধনতন্ত্র তথা পূঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় নারী মুক্তি আন্দোলন সার্থক রূপ লাভ করবে না। কেননা পূঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা নারী মুক্তিকে প্রত্যক্ষ সমর্থন করে না কখনো।হাজার বছর ধরে নারীদের মধ্যে পরাধীনতার বীজ যেভাবে রক্তের সাথে মিশে আছে তা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সহজ নয়। এর জন্য বাস্তব সম্মত পদক্ষেপ প্রয়োজন। সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার প্রয়োজন। কিন্তু সেদিকে তীক্ষ্ম মেধা খরচ না করে অনেকেই আঁতেলের মতো নারী অধিকার আদায়ের জন্য গলাবাজি করছেন এবং গদবাধা কিছু যুক্তি উপস্থাপন করে সস্তা জনপ্রিয়তা কুঁড়িয়ে নিচ্ছেন ব্যক্তিগত ব্যবসার খাতিরে।

 আসল সমস্যা জেনে শুনে কেউই উদঘাটন করছেন না। এর পিছনে আমার যুক্তি হলো, যারা এই আন্দোলনের বদৌলতে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য চিৎকার করে মাইক্রোফোন ফাটাচ্ছেন, গরম করছেন পত্রিকার পাতা (সবাই নয়) বাস্তবিক অর্থে অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে তারাই পড়ে আছেন সেই অনুশাসনের মুখোশ। তারা নারী স্বাধীনতার নামে নারীকে স্বেচ্ছাচারিতায় রূপান্তর করে সুকৌশলে নারীকে ঠেলে দিচ্ছেন আরো পিছনে। আর এই সুযোগে কিছু কিছু নারীবাদী মহিলা চরিত্র ঐ সমস্ত মিথ্যাচারের মন্ত্রকে বিশ্বাস করে সমস্যার গভীরে না পৌঁছেই এক তরফাভাবে এই চক্রান্তের জন্য দায়ী করছেন সমস্ত পুরুষদের।


ইদানিং অনেকেই আবার নারী স্বাধীনতাকে ফ্যাশন বা যুগের হাওয়া বলে বাঁকা চোখে কটাক্ষ করছেন। কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এটা মোটেও ফ্যাশন নয়। বরং এটা বহু শতাব্দীর অত্যাচারিত, নিষ্পেশিত, শৃঙ্খলিত নারীর বুকের অন্দরে ফুলে ফেঁপে ওঠা এক আকাঙ্খার নাম, প্রতিবাদের ভাষা।বর্তমান শতাব্দীতে নারী স্বাধীনতাকে বেগবান করতে হলে পাশ্চাত্যের নারীবাদী গতিধারাকে আগে ভালো করে বিশ্লেষণ করতে হবে, বুঝতে হবে তার দর্শন। বিকৃত মানসিকতার স্বভাব দৃষ্ট চরিত্রগুলোর অনেকেই নারীকে পুঁজিবাদী সমাজের পণ্য বলে মনে করে থাকেন। কিন্তু নারী যে পণ্য নয় তা প্রথমে নারীকেই তাদের ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তায় প্রমাণ করতে হবে। নারীর পরাধীনতা যেহেতু নারীর নিজস্ব সমস্যা তাই এর সমাধানের জন্য সমাজ, ধর্ম তথা রাষ্ট্র যতই গতিরোধ করুক প্রথমে নারীকে তার সক্ষমতা, সচেতনতার দ্বারা প্রায়োগিক প্রতিফলন ঘটাতে হবে। এর জন্য সর্ব প্রথম প্রয়োজন নারী শিক্ষার প্রসার, প্রয়োজন সচেতনতা।


আমাদের সমাজে এমন অনেকেই আছেন যারা নারী প্রগতির ধারাকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখেন এবং ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে সমাজের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে তৈরি করেন বিভ্রান্তি। সঙ্গত কারণে কেউ কেউ মনে করেন পুরুষ শাসিত সমাজে পুরুষদের কর্তৃত্ব খর্ব করতে হলে সমাজে নারীদেরকে পুরুষের মতো গড়ে উঠতে হবে, পুরুষের মতো প্যান্ট সার্ট পরতে হবে, চুল ছোট রাখতে হবে, ধুমপান করতে হবে, স্বামীর বন্ধুদের সাথে বসে এক সাথে মদ খেতে হবে, অর্থাৎ নিজস্ব ব্যক্তি স্বাতন্ত্রবোধ বিসর্জন দিয়ে পুরোপুরি পুরুষালী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে, স্বাধীনতার নামে অপস্বাধীনতাকে প্রশ্রয় দিতে হবে, আজকাল অনেকেই মনে করেন এভাবেই তো পুরুষদের শায়েস্তা করে নারী স্বাধীনতাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

নারী স্বাধীনতা সম্পর্কে এই হীন দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ক্ষতিকর বলে আমি মনে করি। বাইরে অতি আধুনিকতার হাল্কা প্রলেপ আর ভিতরে মধ্য যুগের অন্ধকার জিইয়ে রাখলে চলবে না। পশ্চাৎপদ, আড়ষ্ঠতা ও সীমাবদ্ধ চিন্তা-চেতনা পরিহার করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এর জন্য নারীবাদী সংগঠনগুলোকে হতে হবে উদ্যোগী। প্রকৃত পক্ষে নারী মুক্তির আলো, সুকল্যাণ বাতাস তখনই প্রবাহিত হবে, যখন একটা জাতি সমগ্র চিন্তা চেতনায়, জ্ঞানে, বুদ্ধিতে স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ বুঝবে। নারী মুক্তি সম্পর্কে মানুষের স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি এবং নিজস্ব মতামত তৈরি হবে; পরিবর্তন ঘটবে পশ্চাৎপদ চিন্তা-চেতনার, পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটবে নিজস্ব ব্যক্তিত্বের।


আমি বার বার যে কথাটি বুঝাতে চাচ্ছি তা হচ্ছে নারীবাদ সম্পর্কে আগে সঠিক চিন্তা-চেতনার উন্মেষ ঘটাতে হবে। প্রকৃত ব্যাপারটা আগে বুঝতে হবে সমস্যার আলোকে। নারী মুক্তি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকার কারণে অনেকেই ভুল পথে চালিত হচ্ছেন। যার কারণে অনেকেই আজ মনে করেন, “নারীবাদ” মানেই উগ্রতা, বেপরোয়া, যা নারীকে প্রশ্রয় দেয় স্বামী সংসারকে উপেক্ষা করতে, সংসারের দায়িত্ববোধকে অস্বীকার করতে, শিক্ষা দেয় অতি আধুনিক ফ্যাশন প্রিয় হতে, স্বীকৃতি দেয় ফ্রি মিক্সিং-এ। তারা আরো মনে করেন, বিয়ে হচ্ছে স্রেফ প্রাণহীন চুক্তির মতো যা কিনা পুরুষের তৈরি নারীদের বন্দি করবার শৃঙ্খল মাত্র। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে স্বাভাবিক সংসার ধর্ম পালনের সঙ্গে নারীবাদের যে তেমন কোন বিরোধ নেই এ সত্য তারা স্বীকার করতে রাজি হন না। এই হচ্ছে আমাদের নারী স্বাধীনতার গতিধারাকে সামনে নেবার চিন্তা চেতনা। সঙ্গত কারণে যা হবার তাই হচ্ছে। হাব ভাবে মনে হচ্ছে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারী মুক্তি আন্দোলন অনেকটা সফল রূপ নিয়েছে। কিন্তু জনসংখ্যার হারের সাথে শতকরা হিসাব মেলাতে গেলে এর বিপরীত রূপটাই ধরা পড়বে।


এঙ্গেলসের মন্তব্যের মধ্য দিয়ে নারী জাতির সার্বিক রূপ আমরা উন্মোচন করতে পারি। তিনি বলেছেন, “মাতৃধারার উচ্ছেদ সাধন নারী জাতির বিশ্ব ঐতিহাসিক পরাজয় বিশেষ ছিল। পুরুষ গৃহে কর্তৃত্ব করে, নারী অবদমিত হয়, গোলামী স্বীকার করতে বাধ্য হয়। নারী পুরুষের কাম প্রবৃত্তির চরিতার্থ করে ক্রীতদাসী আর সন্তান উৎপাদনের যন্ত্রে পরিণত হয়।নারী এবং পুরুষের মধ্যে এই যে বৈষম্য, আজ নতুন নয়। বহু শতাব্দীর পরিকল্পিত রূপরেখার এই বিন্যাস যুগে যুগে সমাজ, রাষ্ট্র এবং ধর্মের দোহাই দিয়ে পুরুষ নারীদের মগজ ধোলাই করে রেখেছে। একথা অস্বীকার করবার কোন জায়গা নেই।


যেহেতু অধিকাংশ শাসক শ্রেণি পুরুষ ফলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে নিয়ম কানুনও তারা নিজের সুবিধা মতো তৈরি করেছে। আর সেই ধর্মের দোহাই দিয়ে নারীকে চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি করে রাখা হয়েছে বহু শতাব্দী ধরে। তারপরও আমি সোচ্চার কন্ঠে বলবো নারী মুক্তি আন্দোলনের যে ধারা সুচিত হয়েছে বা হচ্ছে তার পিছনে পুরুষের অবদানকে ছোট করে দেখলে চলবে না। যুগে যুগে নারীকে পুরুষের আধিপত্যের শিকার হতে হয়েছে সত্য। তাই বলে এক চোখে দেখে সমস্ত পুরুষের বিরুদ্ধে পুরুষ বিদ্বেষী ভূমিকায় নারীদের নামতে হবে তার কোন যুক্তি নেই।

 ইদানিং অনেকেই এই ভুলটা করছেন। যার কারণে নারী মুক্তির আসল পথ এখনো রয়ে গেছে অন্তরালে। প্রকৃত পক্ষে নারী যতই নিজেকে প্রগতিবাদী ভাবুক আর ‘নারীবাদ’ নিয়ে চিৎকার করুক পুরুষের সহযোগিতা ছাড়া নারী সামগ্রীক উন্নতির পথে ভাটা পড়বেই। দুইশত বছর পূর্বে নারী স্বাধীনতার সোচ্চার কন্ঠ মেরি উলস্টোন ক্র্যাফট থেকে বেগম রোকেয়া এবং বর্তমানে যারা এসব নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন তারা সকলেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পুরুষের সহযোগিতাকে এক বাক্যে অস্বীকার করতে পারবেন না বলেই আমার বিশ্বাস। বেগম রোকেয়াও এতো দূর অগ্রসর হতে পারতেন না যদি না তার ভাই সহযোগিতা করতো। কাজেই এক পেষে চিন্তা ত্যাগ করে কবির কণ্ঠের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে নারী এবং পুরুষ এক বাক্যে বলি “এ পৃথিবীতে যা কিছু মহান সৃষ্টি, চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর”। [কাজী নজরুল ইসলাম]


অতীত, বর্তমান এর চালচিত্র প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিবেচনা করে দেখলে স্পষ্টই একটা বিষয় চোখের সামনে ফুটে ওঠে তা হলো নারীরা যে কোন স্থানে, যে কোন ভাবে জানা-অজানায় হর হামেশা কোন না কোন ভাবে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। নারীর ইচ্ছা-অনিচ্ছা সবকিছুই হিসেব-নিকেষ করে চলতে হয়। পুরুষের পাতানো প্রেম-ভালোবাসার ফাঁদে পা দিয়ে নারীকে সবমসয়ই নিজের কাজ থেকে সংকুচিত হয়ে থাকতে হয়েছে। নারী যখনই আপন যোগ্যতায় নিজের কাজ করার দৃঢ় সংকল্প করেছে; তখনই পুরুষের তৈরি কিছু নিয়ম নীতি নারীকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে হয়েছে ক্ষেত্র বিশেষে।

 এছাড়া ইভটিজিং, যৌতুক বলী, এ্যাসিডে ঝলসানো, ধর্ষণ- এগুলো এখন নারীদের ক্ষেত্রে নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা। নারীর রূপের নিখুঁত বর্ণনা করে পুরুষ সমাজ নারীর ভেতরের সম্ভাবনার সৃষ্টিশীল রূপরেখাকে কোন দিনই যোগ্যতার মাপকাঠিতে তেমনভাবে দেখতে পায়নি। এই আধুনিক যুগে নারীকে এখনও অনেক পুরুষ ভাবে “নারী হচ্ছে রূপের সম্ভার আর ভোগের সামগ্রী” কিন্তু একজন শিক্ষিত, রুচিশীল, কর্পোরেট নারী আমাদের সমাজের জন্য কত বড় অহংকার অনেক পুরুষ তা মানতেই চায় না। নারীর ত্বক, চোখ, চেহারা, গড়ন দেখতেই তারা ব্যস্ত।


সবশেষে বলতে চাই কারও ব্যক্তিগত সমস্যার আলোকে নয় বরং সামগ্রীকতার সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তিগত আক্রোশের জায়গা থেকে মনগড়া বিভ্রান্ত বক্তব্য প্রদান কিংবা নারী স্বাধীনতার নামে অপস্বাধীনতাকে পরিহার করতে হবে। নারী শিক্ষার প্রসারের সাথে সাথে আত্মসচেতনতা, আর্থিক মুক্তি, আত্মনির্ভরতা এবং নারী ব্যক্তিত্বের প্রসার ঘটাতে হবে। তাহলে সমাজনীতি, অর্থনীতির কালো অন্ধকার কেটে যাবে। নারী আইনবীদদের সহযোগিতায় মান্ধাতা আমলের অচল আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে। নারীদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা থাকতে হবে।

নারী মুক্তির সঙ্গে যেহেতু নারীর মানসিক ও আর্থিক মুক্তির সম্পর্ক নিহিত, সে কারণে শিক্ষার গুরুত্বটা বেশি। যথার্থ শিক্ষা মনকে সাহসী করে, উদার করে ও স্বাধীন করে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য কমাতে হবে। নারীর প্রকৃত শিক্ষা শুরু করতে হবে পরিবার থেকেই। সন্তানের মধ্যে বৈষম্যের রেখা টানা চলবে না। নারী পুরুষ উভয় উভয়কে বুঝতে হবে সচেতনতার জায়গা থেকে। পুরুষের যেমন বুঝতে হবে নারীর জরায়ুর বিকল্প নেই, তেমনি নারীকে বুঝতে হবে স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়। প্রত্যেকেই যদি প্রত্যেকের প্রতি সহনশীল মানসিকতা ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করি তাহলে কোন সমস্যাই প্রকট নয় মানুষের কাছে। নারী মুক্তি আন্দোলনের ইতিহাস বহু পুরানো ইতিহাস। সমাজ পরিবর্তনের এই যাত্রা শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। এই পরিবর্তন অপ্রতিরোধ্য।

নারী মুক্তি আন্দোলন কোণঠাসা হলে গোটা জাতির জন্যে তা অভিশাপ বয়ে আনবে। এথেকে পুরুষরাও রেহাই পাবে না। কাজেই শুধু নারী নয়, নারীবাদকে স্বীকৃতি দিয়েই এর গতি সামনের দিকে নিয়ে যেতে বিবেকবান সকল পুরুষদের ও উচিত স্বইচ্ছায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। শেষ কথা হলো, আসুন কোন কাঁদা ছোড়া ছুঁড়ি নয়, এক বাক্যে উচ্চারণ করিÑ
“বুঝি না নারী, বুঝি না পুরুষ
জন্মোবধী এক সত্য মানি
তা হলো মানুষ।”
আইনজীবী জজ কোর্ট, ঢাকা।
০১৭১১৮২৫৫৫৪



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top