সকাল ৬:০১, রবিবার, ২৫শে জুন, ২০১৭ ইং
/ দেশজুড়ে / নাগেশ্বরীতে ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ আতঙ্কিত কৃষক
নাগেশ্বরীতে ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ আতঙ্কিত কৃষক
এপ্রিল ১৭, ২০১৭

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে  বোরো ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগের আক্রমণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষক। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে ২১ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছেন কৃষক। চৈত্রে নিয়মিত বিরতীতে বৃষ্টি হওয়ায় চারা গাছগুলো সুস্থ সবল হয়ে ওঠে। শীষ বের হওয়ার পূর্বে অথবা পরে হঠাৎই সেগুলো আক্রান্ত হচ্ছে বাইকোলারিস অরাইজি ছত্রাক সৃষ্ট নেক ব্লাস্ট রোগে। রোগাক্রান্ত গাছের জীবাণু ও পোকামাকড়ের মাধ্যমে তা দ্রুত এক জমি থেকে ছড়িয়ে পড়ছে অন্য জমিতে। রোগের আক্রমণে ধানের পাতা, গিট, শীষের গোড়া, শাখা-প্রশাখা কালো. দুর্বল হয়ে এবং পানি ও খাদ্য না পেয়ে ধান পুষ্ট হওয়ার আগে চিটা হয়ে যাচ্ছে শীষের সব ধান, মরে যাচ্ছে ধানগাছগুলো।

রোগের দমন ব্যবস্থাপনায় কৃষি অফিস থেকে প্রচারণা চালানো হলেও বিস্তার ঠেকানো যাচ্ছে না। গত বছরের তুলনায় রোগাক্রান্ত ক্ষেতের সংখ্যা এবারে অনেক বেশি। কৃষক আব্দুল্লাহ, মফিজুল, স্বাধীন, মনছুর, জয়নাল বলেন, গত কয়েক বছর থেকে এ এলাকায় ধান ক্ষেতে  নেক ব্লাস্ট  রোগের আক্রমণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এবারও সেচ নির্ভর বোরো মৌসুমে এর আক্রমণ ব্যাপক। এ কারণে ফলন বিপর্যয়ের ধকল আমাদের সইতে হবে আগামী ৬ মাস। আমরা আতঙ্কিত। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, জমিতে অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার প্রয়োগ, রোগাক্রান্ত বীজ ব্যবহার, দিনে প্রচন্ড গরম ও রাতে ঠান্ডা অবস্থা বিরাজ করায় রোগটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তা ছড়িয়ে পড়ছে বিস্তীর্ণ ক্ষেতে। আমরা মনিটরিং করে বোরো ধানের ব্লাস্ট রোগের প্রতিকারে ১৬ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম নাভিটো অথবা ১৬ গ্রাম ট্রুপার অথবা ১৬ মিলি এমিটারটপ অথবা ১৬ গ্রাম জিল অথবা ২ গ্রাম নোইন অথবা অটোস্টিন ও ৮০ গ্রাম পটাশ মিশিয়ে ৪-৫ দিনে ২ বার স্প্রে করতে কৃষকদের পরামর্শ  দেওয়া হচ্ছে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top