রাত ২:৩৫, শুক্রবার, ২০শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ রাজশাহী / নন্দীগ্রামে ইউপি সদস্য নজু হত্যা মামলা তদন্তে সিআইডি
নন্দীগ্রামে ইউপি সদস্য নজু হত্যা মামলা তদন্তে সিআইডি
মে ১৫, ২০১৭

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের আমড়া গোহাইল গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ও সাবেক জাপা নেতা নজরুল ইসলাম ওরফে নজু হত্যা মামলা আলোর মুখ দেখতে চলেছে। দীর্ঘ ৩ বছর ১০ মাস পর আলোচিত এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সফল হয়েছে সিআইডি। খুব শিগগিরই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে চলেছে সিআইডি। গতকাল সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হাসান শামীম ইকবাল।

২০১৩ সালের ১৯ আগস্ট সাবেক ইউপি সদস্য ও সাবেক জাপা নেতা নজরুল ইসলাম ওরফে নজুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ধারণা করা হয়, পেশাদার খুনিরা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় নজুর ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, সাবেক চেয়ারম্যান আফছার আলী, ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান, জাহেদুর রহমান ও আশরাফুল ইসলামসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯২ সাল থেকে থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করে পরপর বেশ কয়েকবার নির্বাচিত হয় নজরুল। তিনি থানা পুলিশের বিশ্বস্থ সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। চাঁনপুরে সরকারি একটি পুকুর নিয়ে এলাকার কতিপয় লোকজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে নজরুলের বিরোধ হয়ে আসছিল। এ হত্যা মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন নন্দীগ্রাম থানার তৎকালীন ওসি শাহজাহান আলী। মামলায় থানা পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করলেও হত্যা মামলার ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। মামলাটি তদন্তে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় থানা পুলিশ।

পরে ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উজ্জল কুমার রায় এর তত্ত্বাবধানে বগুড়া জেলা পুলিশ অফিসে পাঠানো হয়। তারপরেও আলোচিত এই হত্যাকান্ডের রহস্য অন্ধাকারেই থেকে যায়। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য মামলাটি বগুড়া সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। মামলা তদন্তকালে সিআইডির দুজন কর্মকর্তার পর হাতবদল হয়ে সিআইডির বর্তমান এএসপি হাসান শামীম ইকবাল এর হাতে যায়। এরপর সুষ্ঠু তদন্তে নজু হত্যা মামলার রহস্যের জট খুলতে শুরু করে। সিআইডির তদন্তে আলোর মুখ দেখতে চলেছে আলোচিত এই হত্যা মামলা। খুব শিগগিরই মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করবেন জানিয়ে সিআইডির এএসপি ইকবাল বলেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছে। মামলার তদন্তে মূল রহস্য বেরিয়ে এসেছে। অচিরেই রিপোর্ট আদালতে দাখিল করব।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top