সকাল ১০:৩৭, বৃহস্পতিবার, ২৭শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ বিনোদন / দারুণ লিখেন ঢাকার গীতিকবিরা জিৎ গাঙ্গুলী
দারুণ লিখেন ঢাকার গীতিকবিরা জিৎ গাঙ্গুলী
জুলাই ১৬, ২০১৭

প্রথমবার বাংলাদেশে আসলেন কেমন লাগছে?
বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে নামার পর মনেই হয়নি যে অন্যকোন দেশে এলাম। আসলে কৃষ্টি কালাচারে বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গের মধ্যে এতো মিল যে মনেই হয়না ভিন্ন কোন দেশে এসেছি। আগে থেকেই বাংলাদেশের প্রতি অনেক টান ছিলো। এখানে আসার পর অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করছে। যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।
বাংলাদেশের গান সম্পর্কে আইডিয়া আছে কী?আমরা যারা গানের জগতের লোক তাদের ভিবিন্ন দেশের গানের সম্পর্কেই আইডিয়া রাখতে হয়। কোন দেশ কেমন গান করে বিষয়টি আমাদের মাথায় থাকে। আর এটা তো বাংলাদেশ।বাংলা ভাষায় গান। এ দেশের গান সম্পর্কে শুধু আইডিয়াই না নিয়মিত বাংলাদেশের গানও শোনা হয়।  বাংলাদেশের কোন কোন শিল্পীর গান শোনা হয়?

সিনেমার গান তো অবশ্যই শোনি। তবে বেশি শোনা হয়েছে জেমস আইয়ুব বাচ্চু ও মাইলসের গান। এরা ভারতেও বেশ জনপ্রিয় শিল্পী।এখন তো যৌথ প্রযোনার মতো যৌথভাবে গান ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণ হচ্ছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে যৌথপ্রযোজনায়  নির্মিত ছবির মতো  ইদানিং গানও হচ্ছে। এটা তো সুখবরই মনে করি আমি।

যেহেতু আমাদের সংস্কৃতি এক, ভাষা এক তাই এগুলোর আদান প্রধান আমাদের দুই দেশের শিল্পীদের জন্যই ভালো দিক। তবে এতে করে যেন দুই দেশেরই স্বার্থ ঠিক থাকে এ বিষয়ের দিকে লক্ষ রাখাটাও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখতে হবে।কলকাতার শিল্পীরা বাংলাদেশে অ্যালবাম প্রকাশ করছে, সিনেমায় গান গাচ্ছে। কিন্তু এ দেশের শিল্পীদের কলকাতায় গানে তেমন একটা দেখা যায়না। এটা কী সহযোগীতার অভাবে?

অবশ্যই না। সিনেমায় কিন্তু এ দেশের অভিনেতা অভিনেত্রীরাও কলকাতায় বেশ সম্মান নিয়েই কাজ করছেন। সেখানকার দর্শকদের জনপ্রিয়তাও পাচ্ছেন। এ দেশের অনেক শিল্পীরাও  ভারতে গিয়ে গান গাচ্ছেন। তবে অনেক সময় যোগাযোগের অভাবে উপস্থিতি কম দেখা যায়। শক্ত মধ্যস্থতাকারী হলে দুই দেশেরই শিল্পীরাই কাজ করে উপকৃত হবেন।তামিল হিন্দি গানের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করে টিকে থাকতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কলকাতায় বাংলা গানের বাজার বা চাহিদা কেমন?
এটা তো প্রতিযোগীতা করে টিকে থাকার যোগ। শুধু গান নয়, সকল বিষয় নিয়েই আমাদের মানুষদের প্রতিযোগীতা করে টিকে থাকতে হয়। কলকাতায় অন্য ভাষার সঙ্গে প্রতিযোগীতা করে বাংলা গানকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে তেমনি এ দেশেও কোন না কোন কিছুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে গান এগিয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় এখনও বাংলা গানের বাজার ভালো। অদূর ভবিষ্যতে আরও ভালো হবে বলে আশা করি।

প্রস্তাব পেলে বাংলাদেশের ছবিতে  প্লে­ব্যাক বা বাংলাদেশের গীতিকারদের সঙ্গে কাজের ইচ্ছে আছে কী?অবশ্যই আছে। ভারতে আমি তো সিনেমার গানই বেশি করি। এ দেশের সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করারও ইচ্ছে আছে। আর এ দেশে অনেক ভালো ভালো গীতিকার রয়েছে। যারা অনেক ভালো ভালো গান লিখছেন। তারা উদ্যোগ নেক। আমি বাংলাদেশের গীতিকার সঙ্গেও কাজ করতে চাই। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেই ভিবিন্ন রিয়েলিটি শো’র মাধ্যমে শিল্পী তুলে আনা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে আপনার কাছে কেমন মনে হয়?

বিষয়টি অবশ্যই ভালো দিক। এ ধরনের রিয়েলিটি শো’র মাধ্যমে অনেক ভালো ভালো শিল্পী বের হয়ে আসছে। এদের অনেকেই শিল্পী হিসেবে ইন্ডাষ্ট্রিতে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। তবে ঝড়ে যাওয়ার সংখ্যাও কম নয়। এ ঝড়ে পাওয়ার পিছনেও রয়েছে বিশেষ একটি কারণ। সেটি হচ্ছে তারা যখন প্রতিযোগী হয়ে থাকে। তখন তাদের মধ্যে চর্চাও থাকে। প্রতিযোগীতা শেষ হয়ে গেলেই চর্চা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। গান হচ্ছে চর্চার বিষয়। এটি না থাকলে গানে সফলতা আসবে না। পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তা তো রয়েছেই।

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top