ভোর ৫:৫৯, শুক্রবার, ২২শে জুন, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশির বাধায় পন্ড
গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ
জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশির বাধায় পন্ড
মার্চ ১৫, ২০১৭

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি (নিপিবি) ও বাসদসহ বাম দলগুলোর জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশি বাধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।  বুধবার আন্দোলনকারীদের সাথে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং কাঁদুনে গ্যাস, জলকামান ও লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। প্রতিবাদে আজ সারাদেশে বিক্ষোভ পালন করা হবে।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলসহ সাত দফা দাবিতে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের এই কর্মসূচি দিয়েছিল সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। এর আগে এসব দাবিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরতালও পালন করে তারা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ তিনটি দলের নেতাকর্মীরা জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকায় জড়ো হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে বেলা ১২টার দিকে মিছিল নিয়ে পল্টন ঘুরে প্রেসক্লাবের পূর্ব পাশের গলি দিয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। তারা ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে এবং টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যাবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন বাম নেতা-কর্মীরা। সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স এ সময় বলেন, এটা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল।

আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবারবুলেটে আমাদের ৫০ এরও বেশি কর্মী আহত হয়। আমরা হরতাল পালন করার পরও সরকার দাবি মানেনি। আমাদের এই আন্দোলন চলবে। জানানো হয়েছে, গুরুতর আহত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফ্রন্ট শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অনিমেষ রায়, সদস্য অপু, কেন্দ্রীয় ছাত্র ফ্রন্টের সদস্য অর্ণব চক্রবর্তী। পুলিশের আঘাতে কতজন আহত হয়েছেন জানতে চাইলে গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, এখন পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা বলতে পারব না, তবে ছাত্র ইউনিয়নের শাহরিয়ার নামের এক কর্মীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি আমরা। পুলিশের বাধার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার নাবিদ কামাল বলেন, তারা ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশ করে রাস্তার উভয় পাশে রাখা গাড়ি ভাঙচুর করছিল, পুলিশের দিকে ইট পাটকেল ছুড়ছিল। পুলিশ তখন অ্যাকশনে গেছে। আমি নিজেও হাতে আঘাত পেয়েছি। এদিকে সংঘর্ষ শুরুর পর বেলা ১২টার দিকে প্রেসক্লাব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে বেলা পৌনে ১টার দিকে আবার যান চলাচল শুরু হয়।

নতুন কর্মসূচি: ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা ও হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিক্ষোভ পালন করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিকেল ৪টায় বিক্ষোভ পালন করা হবে।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top