দুপুর ২:৩২, বুধবার, ২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ জাতীয় / জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি: হুদা
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি: হুদা
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭

সাভার প্রতিনিধি : আগামী পাঁচ বছর সুষ্ঠু ভোট আয়োজনে নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বকে ‘চ্যালেঞ্জিং’ হিসেবে দেখছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। চার নির্বাচন কমিশনারকে সঙ্গী করে  বৃহস্পতিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

সিইসি বলেন, আমরা এখনও চেয়ারে বসিনি। তাই বিস্তারিত কিছু বলার সময় এখনও আসেনি। তবে এতটুকু বলব, আমরা আন্তরিক। দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি, যাতে আমরা সার্থক হতে পারি। সার্চ কমিটির দেওয়া ১০টি নামের সুপারিশ থেকে গত ৬ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনকে নতুন ইসির জন্য নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওই রাতেই প্রজ্ঞাপন জারি করে। কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে ইসিতে কমিশনার হিসেবে রয়েছেন সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধে নির্বাচন কমিশনের নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মজিবুর রহমান। পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে সিইসি নূরুল হুদার নেতৃত্বে অপর চার কমিশনার ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর তারা সেখানে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শক বইতে স্বাক্ষর করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এদিকে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি)  বৃহস্পতিবার সকালে সাভারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কমিশনে ফিরে বৈঠক করেন। ইসি সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, ইসি সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এতে পরিচিত পর্ব ছাড়াও আলোচনা হবে বিভিন্ন নির্বাচন নিয়ে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভা। এরপর ৬ মার্চ রয়েছে সিলেটের ওসমানী নগর, খাগড়াছড়ির গুইমারা ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন। আর ২২ মার্চ রয়েছে গাইবান্ধ-১ আসনের উপ-নির্বাচন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কে এম নুরুল হুদাকে সিইসি করে পাঁচ সদস্যের কমিশন নিয়োগ দেন। অন্য নির্বাচন কমিশনাররা হলেন, মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রি জে (অব.) শাহাদত হোসেন। বর্তমান কমিশনের মেয়াদ রয়েছে ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে তারা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়াও ৬০ হাজারেরও বেশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করবেন। গত বুধবার সুপ্রিস কোর্টে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে শপথ নেওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রথমে সিইসি পরে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা নির্বাচন ভবনে প্রবেশ করেন। তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা। এরপর সবাই সিইসির কক্ষে গিয়ে স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে কাজে যোগদান করেন। বিকেল পাঁচটায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সিইসি। বর্তমান নির্বাচন কমিশন দেশের দ্বাদশ নির্বাচন কমিশন।

 

 

 

 

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top