দুপুর ২:৩৯, মঙ্গলবার, ২৫শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / জনপ্রতিনিধিদের বরখাস্ত গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত
জনপ্রতিনিধিদের বরখাস্ত গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত
এপ্রিল ২১, ২০১৭

আব্দুল হাই রঞ্জু  : প্রকৃত অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর বিভিন্ন মতের দল থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। যা একটি স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোয় থাকার কোন সুযোগ নেই। যুগ যুগান্তর ধরে বাঙালি জাতি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আন্দোলন- সংগ্রাম করলেও বাস্তবে পূর্ণগণতান্ত্রিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার সফল দ্বারপ্রান্তে আজও আমরা পৌঁছতে পারিনি। সুতরাং জনগণের মধ্যে কষ্টের বিষয়টি এখনও প্রবলভাবেই বিদ্যমান। বিশেষ করে আমাদের দেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের উপযোগি যে স্থানটুকু এখনও চলমান আছে, সেখানেও বিরোধী মতকে পদদলিত করে ক্ষমতাসীনরা জনগণের মতামতের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে ক্ষমতার পালাবদলে কুটকৌশলের পথে হাঁটাকেই আজও নিরাপদ মনে করে।


 ফলে ছলে বলে কৌশলে কোন দল একবার ক্ষমতায় বসতে পারলে ক্ষমতাকে ধরে রাখতে দলীয় আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে হলেও পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করে। এ কারণেই স্বাধীনতা উত্তর গত ৪৫ বছরে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মত দলগুলো ক্ষমতাসীন হলেও প্রকৃত অর্থে স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হয়নি।

 

উল্টো বিরোধী মতের কোন দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হলে অনেক ক্ষেত্রে তিনিও স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। কারণ ক্ষমতাসীনরা বিরোধী মতের প্রতি জনরায় থাকলেও অদৃশ্য এক ধরনের আগ্রাসনের শিকার হয়েই তাদেরকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার কাঠামোর আওতায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দুর্দশার শেষ থাকে না। এমনকি অনেককেই আইনের নানা ফাঁক ফোকরে বরখাস্ত করা হয়, এমনকি কারাগার পর্যন্ত যেতে হয়।

 

 জনরায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম চালানোর যেমন সুযোগ থাকবে, তেমনি কেউ জনবিরোধী, রাষ্ট্র বিরোধী কিম্বা স্থানীয় সরকারের আইনি কাঠামোর পরিপন্থি কোন কাজ করলে বা দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে মামলা মোকদ্দমা হবে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু দেখা যায়, দীর্ঘ সময় কারাদন্ডের পর কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পায়। আবার প্রায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় খালাসও পেয়ে যান। মাঝপথ থেকে ক্ষমতাকালীন মেয়াদে বিরোধী মতের জনপ্রতিনিধিদের পক্ষে জনগণের কল্যাণে কাজ করার তেমন কোন সুযোগ থাকে না। ফলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এবং নির্বিঘœভাবে কাজ চালাতে পারবে এমন সরকার দলীয় প্রার্থীদের অনেককেই বিজয়ী করাকেই নিরাপদ মনে করে। এ কারণে বিরোধী মতের প্রার্থীদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা কাজ করায় অধিকাংশ সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে।

 

 ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার বদলে দুর্বল হয়। অথচ প্রতিবেশি দেশ ভারতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এতই মজবুত, সেখানে স্থানীয় সরকার তো বটেই, এমনকি বিধান সভা ও লোকসভা নির্বাচনে বিরোধী দল কিম্বা ব্যক্তি বিজয়ী হলে সেখানে তাদের স্বাভাবিক কাজ কর্মে ক্ষমতাসীনরা হস্তক্ষেপ করেন না। এমনকি বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধী দল সরকার গঠন করে কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সমন্বয় করে শাসনভার পরিচালনা করেন। যা আমাদের দেশে বাস্তবে তো নয়ই, চিন্তার মধ্যেও কল্পনা করা যায় না। কিন্তু কেন?  সোজাসাপটা উত্তর হলো, আমাদের দেশে ক্ষমতার স্বাদ এতই মধুর যে, ক্ষমতায় থাকতে পারলে গাড়ি, বাড়ি অর্থে বিত্তে, সম্মান প্রতিপত্তিতে মর্যাদার আসন অনেকটা স্বর্গীয় সুখের স্পর্শের মতো ভোগ করা সহজ হয়। অর্থাৎ ক্ষমতা দখলের রাজনীতির চরিত্র এমনভাবে বিকশিত হয়েছে, এ দেশে ক্ষমতার মসনদকে কেউই হারাতে চান না। ফলে জনগণের কাছে রাজনীতি ও রাজনীতিকদেরকে ব্যবসায়ী স্বার্থবাদীর মতোই মনে হয়।


 তবুও মানুষ স্বপ্ন দেখে, রাজনীতিকদের গালভরা বুলি শুনে আশায় বুক বাঁধে, হয়ত এ দফায় ক্ষমতাসীন হতে পারলে জনগণের ভাগ্য দুয়ার খুলতে পারে। কিন্তু বাস্তবে- সরকার যায়, সরকার আসে কিন্তু মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না। যা হবার তাই হয়, মানুষের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। এভাবেই এ দেশের সাধারণ মানুষের কাছে রাজনীতি গুটিকতক মানুষের ভাগ্য দুয়ার খোলার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তন কখন কি ভাবে হবে, তা জনগণের জানার অনেক বাইরে।


 অথচ স্বপ্ন ছিল, দেশ স্বাধীন হবে, স্বাধীন দেশে থাকবে না কোন শোষণ বঞ্চনা। মানুষ নির্বিঘেœ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। লুটপাট, ঘুষ দুর্নীতি বন্ধ হবে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কিন্তু বাস্তবে সবই মিথ্যা! পাকিস্তানি কোটিপতি ২২ পরিবারের বদলে স্বাধীনতা উত্তর এ দেশে লক্ষ কোটিপতি পরিবারের জন্ম হয়েছে। গুটিকতক মানুষের ভোগ বিলাসের জীবন যাপন নিশ্চিত হয়েছে। পক্ষান্তরে এ দেশের বৃহৎ এক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, অন্ন, বস্ত্রের মতো মৌলিক অধিকারগুলো আজও নিশ্চিত হয়নি। দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। কর্মসংস্থানের তীব্র সংকট। চাকরী যেন সোনার হরিণ! তাও কারো ভাগ্য চাকরী জুটলে গুণতে হয় বড় অংকের অর্থ। যা অনেকের পক্ষেই যোগান দেয়া সম্ভব হয় না।


 এমনকি সেবামূলক অনেক প্রতিষ্ঠানে চাকুরি পেতে হলে অনৈতিক অর্থের প্রয়োজন হয়। জনশ্রুতি আছে, চাকরির আশায় দালালদের হাত ধরে অনেকেই সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। কিন্তু চাকরির দেখা মেলেনি। এই যখন অবস্থা, তখন সাধারণ মানুষের দাঁড়াবার জায়গাটুকুই বা কোথায়? এরপরও ক্ষমতাসীনরা গর্ব করে উন্নয়নের খতিয়ান উপস্থাপন করেন। দেশের রাস্তা ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালতের যে উন্নয়ন হয়নি, তা বলা যাবে না। যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং হচ্ছে। কিন্তু এর পেছনেও বিদেশী ঋণের বোঝা টানার পাশাপাশি জনগণকে বিভিন্ন পরিসেবায় প্রতিবছরই বাড়তি অর্থের যোগান দিতে হয় অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত দায় চাপে আমজনতার ওপর।

 

 বিশেষ করে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোয় যেখানে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস, সেখানে জনস্বার্থে সকল কার্য পরিচালিত হবে, এটাই মানুষের প্রত্যাশা। কিন্তু আমাদের দেশটিকে গণতান্ত্রিক বলা হলেও, কার্যত স্থানীয় সরকার কাঠামোর অবস্থা খুব একটা ভাল না। প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে স্থানীয় সরকার কাঠামোকে শক্তিশালী করার কোন বিকল্প নেই।

 

অতীতে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নির্দলীয় ভাবে অনুষ্ঠিত হলেও এই প্রথম মহাজোট সরকারের আমলে দলীয় প্রতিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আবার স্থানীয় সরকার কাঠামোর অধীন কোন কোন নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হলেও দলীয় সমর্থন প্রকাশ্য ভাবেই দেওয়া হচ্ছে। অনেকটা লেজে গোবরে অবস্থা! কারণ নির্দলীয়ভাবে নির্বাচন যেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেখানে দলীয় সমর্থনের প্রশ্নই আসে না।


অর্থাৎ প্রকারান্তরে ক্ষমতাসীনরা র্নিদলীয়- এর আড়ালে নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে সর্ব ধরনের সহায়তা করে থাকে। ফলে সৎ ও সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিত অনেক গুণিজনের পক্ষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ থাকে না অর্থাৎ দিনে দিনে রাজনীতিকরণ এমন ভাবে প্রবল হয়েছে, যেখানে প্রকৃত অর্থে অরজনৈতিক সমাজসেবকরা গ্রাম্য পর্যায়ে আর নেতৃত্ব দিতে পারছেন না। ফলে দলীয় অদৃশ্য ক্ষমতার বলে স্থানীয় সরকারের দায়িত্বে থাকা কর্মকান্ড সুচারু রূপে যথাসময়ে সস্পন্নও হয় না। যার জ্বলন্ত প্রমাণ, হাওর অঞ্চল। যে অঞ্চলে ক্ষমতার খুঁটির জোরে সরকারি বরাদ্দ থাকার পরও যথাসময়ে বাঁধ রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি।

 

 ফলে লাখ লাখ হেক্টর জমির ফসল বাঁধ ভাঙা পানিতে তলিয়ে গেছে। এই হচ্ছে বাস্তবতা। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিরোধী মতের স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে সরকারও সে এলাকায় সহসাই উন্নয়ন তহবিলের বরাদ্দ দেয় না অর্থাৎ এক ধরনের সমন্বয়হীনতার দরুন উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হয়। আবার সুযোগ থাকলে, যে কোন অজুহাতে বিরোধী মতের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বরখাস্তও করা হয়।

 

এমন ঘটনার শিকার সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী, রাজশাহীর মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও হবিগঞ্জের গউস সহ তিন জন মেয়র আদালতের রায় নিয়ে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই বিএনপি সমর্থিত এই তিন মেয়রকে পুনরায় বরখাস্ত করা হয়। এ ধরনের ঘটনাকে নজির বিহীন মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফৌজদারী মামলার অভিযোগ পত্র আদালতে গৃহীত হলে জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিধান থাকলেও এ ক্ষেত্রে বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অতি সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, মেয়র বরখাস্তের বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বরখাস্তের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী জানেন না।

 

পক্ষান্তরে তিনিও হয়ত মনে করেন, এ ভাবে বরখাস্ত সংস্কৃতি গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। মুলত এ কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ টেনে এনে এমন মন্তব্য করেছেন। যা হোক, এ ধরনের সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে, তা না হলে গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলোকে শক্তিশালী করা কঠিন হবে। অতি সম্প্রতি নুতন নির্বাচন কমিশনের অধিন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সে নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। এরপরও বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ না জানিয়ে বরং মন্তব্য করেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হলে তাদের প্রার্থী আরো বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতেন। আর যদি ক্ষমতাসীনদের মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হতেন, তাহলে বিএনপি সে নির্বাচনকে কারচুপির নির্বাচন হিসাবে যে আখ্যায়িত করতেন, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।


 অর্থাৎ আমাদের দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীনরা ও ক্ষমতা প্রত্যাশী দলগুলোর মানসিকতার পরিবর্তন না হলে প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্রের সঠিক চর্চার বাস্তবায়ন কস্মিনকালেও সম্ভব হবে না অর্থাৎ আমাদের দেশের রাজনীতিতে সহনশীলতা, আস্থার সংকট এতই তীব্র, যেখানে জনরায়কে মেনে নিয়ে অভিনন্দন জানানোর সুযোগ খুবই কম। যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রাথী বিজয়ী হয়ে মিষ্টির ডালি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাসায় সাক্ষাত করায় দেশজুড়ে তিনি অভিনন্দিত হয়েছেন।

 

এ ধরনের মানসিকতা ব্যতিত গণতান্ত্রিক কাঠামোকে বিতর্কের উর্দ্ধে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে ক্ষমতাসীনদের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করে বরং ভালকে ভাল বলার মানসিকতাও পোষণ করা জরুরি। পরিশেষে শুধু এটুকুই বলতে চাই,


পরশ্রীকাতরতা, আক্রমণাত্মক আচরণ থেকে বেরিয়ে এসে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজ করার সুযোগকে ক্ষমতাসীনদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই শুধু স্থানীয় সরকার কাঠামোকে শক্তিশালী করা সম্ভব। অন্যথায় নির্বাচনে জনগণের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে সত্য, কিছু  জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। এজন্য জনপ্রতিনিধিদের নির্বিঘেœ কাজ করার সুযোগ আগামী দিনগুলোতে নিষ্কন্টক হবে- এটাই মানুষের প্রত্যাশা।
  লেখক ঃ প্রাবন্ধিক
০১৯২২-৬৯৮৮২৮

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top