দুপুর ১:৪৮, রবিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগোচ্ছে দেশ
চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগোচ্ছে দেশ
January 14th, 2017

 

বাংলাদেশের অর্থনীতি মোকাবেলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। বিদায়ী বছরের পুরোটা সময় অর্থনীতির প্রধান ছয় সূচকে ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। এর মধ্যে প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেড়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কমেছে মূল্যস্ফীতি, সুদের হার কমানো হয়েছে। ব্যালান্স অব পেমেন্ট ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল, চলতি আয় ইতিবাচক।

জানুয়ারিতে আরেক দফা জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে। এতে করে শিল্পের উৎপাদন খরচ হ্রাস পাবে। বাড়বে বিনিয়োগ। সব মিলিয়ে রূপকল্প-২১ সামনে রেখে যেসব অর্থনৈতিক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে তার পুরোটা বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রতিটি সূচকে দেশের অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল, প্রাণোদীপ্ত, অগ্রসরমান। এই সময়ে রফতানি আয় বেড়েছে, রেমিটেন্স প্রবাহ একটু কমলেও আবার তা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

 নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হলেও দাতারা বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন করে অর্থায়ন করছেন। মেগা দশ প্রকল্প বাস্তবায়নে জাতীয় বাজেট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। বিদায়ী বছর জুড়েই অর্থনীতিতে স্বস্তি ছিল। বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বড় বড় অবকাঠামো বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। মধ্য আয়ের দেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। অর্থনীতিতে এতসব ভাল খবরের মধ্যে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

এর মধ্যে রাজস্ব আদায়ে কিছুটা চাপে আছে অর্থনীতি। বিনিয়োগ বোর্ডের ওয়ান স্টাপ সার্ভিস এখনও বাস্তবায়ন হতে পারেনি। চাহিদা অনুযায়ী উদ্যোক্তারা কলকারখানায় গ্যাসের সংযোগ পাচ্ছে না। কারখানা গড়তে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত জমি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ধীরগতির লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে সবে কর্মসংস্থানেও বাড়ছে নতুন চ্যালেঞ্জ। নতুন বছরে ছয়টি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে দুর্বল অবকাঠামো, অর্থনৈতিক বহুমুখিতার অভাব, অর্থায়নে সীমিত সুযোগ, বন্দর সমস্যা, অদক্ষ শ্রমশক্তি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অপ্রতুল বরাদ্দ, জনসংখ্যা চাপ ইত্যাদি।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top