বিকাল ৪:০৭, শুক্রবার, ২৮শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / গ্রাম আবার চিকিৎসক শূন্য হয়ে পড়ছে
গ্রাম আবার চিকিৎসক শূন্য হয়ে পড়ছে
মার্চ ৯, ২০১৭

গ্রামের মানুষের চিকিৎসা সেবা না পাওয়ার অভিযোগ পুরনো। এ সমস্যা কাটাতে একযোগে ছয় হাজার চিকিৎসককে গ্রামে পোস্টিং দেওয়া হয়। তাদের জন্য উন্নত আবাসন সহ প্রণোদনামূলক বেশ কিছু ব্যবস্থাও নেয় সরকার। এরপরও নানা অজুহাতে তারা আগের মতোই ঢাকায় চলে আসেন। গ্রাম আবার প্রায় চিকিৎসক শূন্য হয়ে পড়ছে। এ অবস্থা চললে গ্রামের মানুষের কী হবে?

 নিয়োগের পর থেকে ডাক্তারদের তদবির শুরু হয়ে যায় ঢাকায় আসার জন্য। কার আগে কে আসবেন তা নিয়ে দৌড়ঝাপ চলে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী এ পর্যায়ে বগুড়ায় এক রোগীর স্বজনকে ইন্টার্নি চিকিৎসকরা নির্মমভাবে মারধর করার ঘটনায় দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রী একই সঙ্গে ডাক্তারদের দিন রাত কষ্ট করে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকারও প্রশংসা করে বলেন, চিকিৎসকরা যখন সেবা দেন রোগীরা তখন প্রাণভরে তাদের দোয়া করে। একজন রোগীকে বাঁচিয়ে তোলার মতো বড় কাজ আর কিছুই হতে পারে না।

 মন্ত্রী বার্ণ ইউনিটের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, অগ্নিদগ্ধ একেকজন রোগীকে যেভাবে বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারির চিকিৎসকরা সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করে তা এক কথায় অনন্য। অগ্নিদগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা কাটাতেই প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দেশে গড়ে তোলা হয়েছে বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দেশে অগ্নিদগ্ধ মানুষের চিকিৎসা সেবা পরিধি আরো বাড়ানোর তাগিদ দেন। বক্তারা বলেন, দেশে অন্তত এক হাজার ৫০০ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রয়োজন থাকলেও এখন বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক আছেন মাত্র ৮০ জন।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top