সকাল ৬:০৮, শুক্রবার, ২৩শে জুন, ২০১৭ ইং
/ Today Lead / গোদাগাড়ীর আস্তানায় পাঁচ জঙ্গিসহ নিহত ৬
গোদাগাড়ীর আস্তানায় পাঁচ জঙ্গিসহ নিহত ৬
মে ১২, ২০১৭

এ কে তোতা গোদাগাড়ী (রাজশাহী) : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জঙ্গি আস্তানায় আত্মঘাতী বিস্ফোরণে পাঁচ জঙ্গি ও জঙ্গিদের হামলায় এক দমকল কর্মী নিহত এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১১ মে) উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের মাছমারা বেনীপুর গ্রামে ফাঁকা মাঠে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি টিনসেড বাড়ি ঘিরে ফেলে পুলিশ।

 

সকাল  পৌনে ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টিনসেড বাড়িটিতে পানি ¯েপ্র করতে গেলে জঙ্গিরা বের হয়ে ধারালো অস্ত্র ও সাবল দিয়ে দমকল কর্মী আব্দুল মতিনের উপর হামলা চালায়। এ সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালালে জঙ্গিরা নিজেদের কাছে থাকা বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে করে পাঁচ জঙ্গি আত্মঘাতী হয়।


 এদিকে মতিনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল      (রামেকে) নেওয়ার পথে মারা যায়। দমকল কর্মী আব্দুল মতিন গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ভাটা গ্রামের মৃত এহসান মন্ডলের ছেলে। আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত পাঁচ জঙ্গি হচ্ছে- মাছমারা বেনীপুর গ্রামের মৃত মাতিনের ছেলে সাজ্জাদ আলী ওরফে মিষ্টু (৫০), তার স্ত্রী বেলীয়ারা বেগম (৪০), ছেলে আলামিন (৩০), মেয়ে কারিমা খাতুন (১৭) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর গ্রামের আশরাফুল ইসলাম (৩০)। পুলিশ কৌশলে জঙ্গি আস্তানা থেকে সাজ্জাদ আলীর নাতি সুরাইয়া আকতার আফিয়া (৩ মাস) ও জুবায়ের (৮) নামের দুই শিশুকে উদ্ধার করে। শিশু দু’টির মা ও সাজ্জাদ আলীর মেয়ে নারী জঙ্গি সুমাইয়া (২৫) ৩ ঘন্টা পর আত্মসমর্পণ করে।


 জঙ্গিদের ঘটানো  বোমার বিস্ফোরণে রাজশাহী গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবির) এএসআই উৎপল ও জেলা পুলিশের কনস্টেবল তাইজুল  আহত হয়। এই দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেকে) ভর্তি করা হয়। গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি বলেন, বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকে পুলিশ জঙ্গি আস্তানাটি ঘিরে ফেলে। এরপর জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু জঙ্গিরা সাড়া না দিয়ে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এক পর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাড়িটিতে পানি  ¯েপ্র করলে জঙ্গিরা বের হয়ে এসে দমকল কর্মী মতিনের ওপর হামলা চালায়।


 এএসপি একরামুল হক বলেন, হঠাৎ দেখি ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে কয়েকজন নারী পুরুষ দৌড়ে বের হয়ে আসছে। তাদের শরীরে সুইসাইড ভেস্ট পরা থাকায় আমরা পিছু হটতে থাকি এবং গুলি করতে থাকি। পুরো ঘটনাটি ঘটেছে মাত্র ১১ সেকেন্ডের মধ্যে। এএসপি আরও বলেন, সুইসাইড ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটলে দমকল কর্মী গুরুতর আহত হয়। এই ৫ জঙ্গির অন্তত ২ জন নব্য জেএমবি শীর্ষ পর্যায়ের।

 

এরা ভারত থেকে বিস্ফোরক আনতো এবং জঙ্গি রিক্রুটমেন্টের (সংগ্রহ) সঙ্গে জড়িত ছিল। প্রথমে (বুধবার রাত ৯টা থেকে) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা জঙ্গি আস্তানাটি ঘিরে রেখেছিল বলে নাম প্রকাশ না করে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান। জঙ্গি অভিযানে  নেতৃত্বে ছিলেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নিশারুল আরিফ, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী।

 

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ নেওয়াজ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জঙ্গি আস্তানার আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া সংবাদ সম্মেলন করে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অভিযান সান ডেভিল স্থগিত রাখেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি বোমা নিষ্ক্রিয় দল জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বাড়ির ভিতর থেকে ১১টি বোমা, ১টি পিস্তল ও দু’টি ম্যাগজিন  ও বিপুল জিহাদী বই উদ্ধার করে।


 বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নিশারুল আরিফ অভিযান সান ডেভিল সমাপ্ত ঘোষণা করেন। জঙ্গি আস্তানার পাশে মাঠে ছিটে ছড়িয়ে থাকা ৫ জঙ্গির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেকে) মর্গে পাঠায়। স্থানীয়  লোকজন জানায়, নিহত জঙ্গি সাজ্জাদ আলী ফেরি করে কাপড় বিক্রি করত। এক সময় সে স্থানীয় জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। সাজ্জাদ আলী ও তার জামাতা (সুমাইয়ার স্বামী) জহরুল ইসলাম (৩০), উপজেলার কাদিপুর এলাকায় একটি মাদ্রাসা স্থাপন করে। জামাই ও শ্বশুর মাদ্রাসার আড়ালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। 

 

২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর জেলা ডিবি পুলিশ সন্ত্রাস ও নাশকতা এবং জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জহরুল ইসলামকে আটক করে। বর্তমানে জহরুল ইসলাম কাশিমপুর কারাগারে রয়েছে। জহরুল ইসলাম উপজেলার দিয়াড় মানিকচক গ্রামের গিয়াস উদ্দীনের  ছেলে। তার  ভাই মিনারুল ইসলাম বেনীপুর জামে মসজিদের ইমাম।


 মিনারুল ইসলাম বলেন, তার ভাই জহরুল ইসলাম ও ভাবী সুমাইয়া খাতুন, জঙ্গি কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় তাদের এই পথ থেকে সরে আসতে বলা হয়েছিল। তার ভাই আটক হওয়ার পরেও একাধিক বার তার ভাবী সুমাইয়া খাতুনকে বুঝানো হয়েছে। কিন্তু সুমাইয়া খাতুন এই পথ ছাড়েনি। বেনিপুর গ্রামের নাম প্রকাশ না করে এক যুবক জানান, সাজ্জাদ আলীকে জঙ্গি সংগঠন ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে সেই (সাজ্জাদ আলী) বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিত। এই যুবক আরও জানান, সাজ্জাদ আলীর শ্বশুর লুৎফর রহমানও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। আর মাছমারা ও বেনিপুর এলাকা মূলত জামায়াত বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

 

স্থানীয় লোকজন আরও জানায়, দেড় মাস আগে মাছমারা গ্রাম থেকে পালিয়ে এসে বেনীপুর গ্রামে নতুন করে টিনসেড বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করে সাজ্জাদ আলী। জঙ্গি সাজ্জাদ আলী ও তার দুই ছেলে বাইরে বের হলেও দিনের বেলায় তার স্ত্রী এবং মেয়েরা বাড়ির বাইরে যেত না। আর যদি বের হলে তারা বোরকা পরে বের হতো। কারো সাথে কথা বলত না। তাদের বাড়িতে মাঝে মধ্যে অপরিচিত লোকজন যাওয়া আসা করত।


 সাজ্জাদ আলীর বড় ছেলে আলামিন দাখিল পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হয়। এরপর থেকে আলামিন পড়ালেখা ছেড়ে কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। মেয়ে কারিমা খাতুন ২০১৬ সালে গোগ্রাম মাদ্রাসা  থেকে দাখিল পাস করলেও নতুন করে কথাও ভর্তি হয়নি। আর নারী জঙ্গি সুমাইয়া তেমন লেখাপড়া করেনি।

 

স্থানীয় লোকজন আরও জানান, দেড় মাস আগে জঙ্গি কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা নিয়ে সাজ্জাদ আলীর সঙ্গে তার শ্বশুর লুৎফর রহমানের বাগ-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে লুৎফর রহমান তার জামাই সাজ্জাদ আলী ও মেয়ে বেলিয়ারাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। নিহত জঙ্গি সাজ্জাদ আলীর মা মারজান  বেওয়া বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল না।

  ছেলে সাজ্জাদ আলী জঘন্যতম অপরাধ করেছে। তাই ছেলের লাশ গ্রহণ করবে না মারজান বেওয়া।  বেলীয়ারা বেগমের মা সখিনা বেগম বলেন তার মেয়ে (বেলিয়ারার) লাশ দেখতে চাই না। এদিকে জঙ্গিদের হামলায় নিহত দমকল কর্মী আব্দুল মতিনের পরিবারকে পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে ৮ লাখ অনুদান দেওয়া হবে।

 

গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেকে) নিহত আব্দুল মতিনের লাশ দেখতে গিয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার সফিকুল ইসলাম ও ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) এ কে এম শাকিল নেওয়াজ অনুদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে নিহত মতিনের স্ত্রী তানজিলা খাতুনকে শান্তনা দেন। নিহত দমকল কর্মী আব্দুল মতিন এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন।


এদিকে আব্দুল মতিনের লাশ ময়না তদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসলে শোকের ছায়া নেমে আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মরহুম আব্দুল মতিনকে মহিশালবাড়ী গোরস্থানে দাফন করা হয়। সহকর্মীরা জানান, আব্দুল মতিন অত্যন্ত ভদ্র, নম্র, ধার্মিক ও সাহসী ছিলেন। সব সময় সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতো। মতিনকে হারিয়ে গোটা ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্সের সদস্যরা মর্মাহত। এদিকে গোদাগাড়ী মডেল থানায় ৫ জঙ্গি ও এক দমকল কর্মী নিহতের ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। আত্মসমপর্ণকারী নারী জঙ্গি সুমাইয়া খাতুন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। উদ্ধার হওয়া দুই শিশুকে চাচা মিনারুলের কাছে দেওয়া হয়েছে।

 


‘ধর্ষণের মেডিক্যাল রিপোর্ট আরও ২০ দিন পর’ : বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, তা জানতে আরও প্রায় ২০ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক  বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ওই ঘটনায় বেশ কিছু আলামতের পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।


এসব পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি, পেলে আশা করি, ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট দিতে পারব।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান। ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘ভিকটিমরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, তা প্রমাণের জন্য আমাদের কাছে তাদের পাঠানো হয়েছে। ঘটনার এক মাস দশদিন পর আমাদের কাছে কেসটি এসেছে। কোনও ভিকটিম ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, তা নির্ণয়ের জন্য আমরা কিছু পরীক্ষা করে থাকি। পরীক্ষাগুলোয় কিছু আলামতের ভিত্তিতে আমরা কমেন্টস করি।’

 ধর্ষণের ঘটনায় যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে ভিকটিম গেলে সমস্যা শনাক্ত সহজ বলে উলেখ করে সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘যত দিন যাবে, তত আলামত নষ্ট হতে থাকবে। এই ঘটনার বয়স একমাস দশদিনের মতো হয়ে গেছে। সময় বেশি গেলে কিছু কিছু আলামত আছে, যা নষ্ট হয়ে যায়। কিছু স্থায়ী আলামত আছে অথবা অনেক দিন এক্সিস্টিং করে। ওই আলামতগুলো যদি থাকে, ওগুলো আমরা পেয়ে বলতে পারব, তার বডিতে ফোর্সফুল ইন্টারকোর্স আছে কি নেই। তার বডিতে ওই আলামতগুলো আছে কিনা, এসব বিষয়ের ওপরই এই ফল নির্ভর করে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বোঝাতে পেরেছি কিনা? ধর্ষণের ঘটনায় কিছু কিছু আলামত ৪৮ ঘণ্টার বেশি থাকে না। ওটা দিয়ে আমাদের পরীক্ষা করা সম্ভব না।’


ঢামেকের এই চিকিৎসক বলেন, ‘এখন যদি বড় ধরনের কোনও ইনজুরি থাকে, ওই ইনজুরি যদি বডি থেকে সরে না যায়, তাহলে আলামত দেখে আমরা বলতে পারব, ইন্টারকোর্সের আলামত আছে কি নেই।’ ওই দুই তরুণীর পরীক্ষায় কী ধরা পড়েছে?—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পরীক্ষার রেজাল্ট আমাদের কাছে আসেনি। মাইক্রো ভাইরাস এবং  ডিএনএ পরীক্ষাসহ এক্স-রে-এর জন্য পাঠিয়েছি।

 

  ফিজিক্যাললি তাদের বডি পরীক্ষা করেছি, তাদের বডির সব পরীক্ষা নিয়ে, ওই রিপোর্টগুলো যখন  পর্যালোচনা করে আমরা একটি সিদ্ধান্তে যাব, তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কি না। ভিকটিমদের শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন কিনা?এমন প্রশ্নের জবাবে  সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘আসলে এই ফাইন্ডিংসটা এখনও আমরা ওইভাবে পর্যালোচনা করিনি। আমাদের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট টিম নিয়ে বসে আমরা তখন পর্যালোচনা ও আলাপ আলোচনা করব।’  এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনও পোশাক দেয়নি। তারা (ভিকটিম) পুলিশের কাছে দিয়েছে। পোশাকে যদি ইন্টারকোর্সের আলামত থাকে,  ওই নমুনা থেকে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা যাবে। যদি পোশাকটা না ধুয়ে থাকে, তাহলে এটা করা যাবে।’


সাফাত ও তার বাবার সব ব্যাংক হিসাব তলব : বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি সাফাত আহমেদ ও তার বাবা আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের সব ব্যাংক হিসাব তলব করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। একইসঙ্গে আপন জুয়েলার্সের হিসাবও চাওয়া হয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মইনুল খান বলেন, ‘সাফাত আহমেদ ও তার বাবা দিলদার আহমেদের সব ব্যাংক হিসাব তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের অর্থের উৎস জানতে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয়। এছাড়া তাদের ব্যবসায়িক লেনদেনে স্বচ্ছতা আছে কিনা, তা জানার জন্য আপন জুয়েলার্সেরও হিসাব চাওয়া হয়েছে।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top