সন্ধ্যা ৬:২৭, বুধবার, ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / গণহত্যা দিবস
গণহত্যা দিবস
মার্চ ১৩, ২০১৭

সংসদে শনিবার সর্বসম্মতিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে-২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হবে। গত মাসে দিবসটি পালনের বিষয়ে সংসদে আলোচনা হয়। পাকিস্তান সবসময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে এসেছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইটে’র নামে ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হত্যাযজ্ঞ চালায়।

 ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি জাতির দায় বোধের প্রকাশ ঘটেছে। প্রস্তাবটি পাসের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘের ঘোষণায় ‘জেনোসাইড’-এর যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ২৫ মার্চ রাতে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাঙালির ওপর প্রয়োগ হয়েছে। তিনি প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে পাসের আহবান জানান এবং বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদর এদেশিয় দোসরদের চালানো গণহত্যার কথা যারা ভুলে যায়, তাদের বাংলাদেশে থাকার কোন অধিকার নেই।

 যারা যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে দহরম মহরম করে, তাদেরও পাকিস্তানে চলে যাওয়াই ভাল। এই বাংলাদেশে তারা থাকলে এ দেশের মানুষের ভাগ্য সবসময় দুর্ভাগ্যে পরিণত হবে। স্মরণ করা যেতে পারে পাকিস্তানিদের এ গণহত্যা বা জেনোসাইডের এপিসেন্টার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ সদর দপ্তর ও পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর হলও প্রকৃত পক্ষে তারা নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করেছিল।

 রাজনৈতিক নেতা ও কর্মি, খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ছাত্র, শ্রমিক থেকে বস্তিবাসী সবাই ছিল তাদের টার্গেট। পকিস্তানি বর্বর সেনাবাহিনী খুব দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশের সর্বত্র গণহত্যা পরিচালনা করতে থাকে। সংসদে প্রস্তাব পাশ হয়েছে ‘এখন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করতে হবে’ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে আমরা দেখতে চাই।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top