সকাল ৬:২১, মঙ্গলবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / খুন-ধর্ষণ বেড়েছে
খুন-ধর্ষণ বেড়েছে
সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালকদের ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী। এ ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফলে ঈদের আগের দিন। আর ঈদের ছুটির তিন দিনে ওই কিশোরীসহ দেশের নানা স্থানে পাঁচজন ধর্ষণের শিকার হয়। সাত বছরের শিশুকেও ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। একই সময় ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ২০ জন খুন হয়েছেন। ঢাকায় যুবলীগ নেতা-কর্মিদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেতা মশিউর রহমানকে খুনের অভিযোগ উঠেছে।

 জামালপুরে প্রেক্ষাগৃহে মোবাইল ফোনের আলো জ্বালানোকে কেন্দ্র করে খুন হয়েছে নবম শ্রেণির ছাত্র মমিনুর রহমান। বগুড়ায় খাওয়ার পর বিল চাওয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে মুশফিকুর রহমান নামের হোটেল ব্যবস্থাপক খুন হয়েছেন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজারে পুলিশের কনস্টেবল মাহমুদ সুমন খুন হয়েছেন। এসব খুনের বেশির ভাগের কারণ রেষারেষি ও আধিপত্য বিস্তার। ধর্ষণ ও খুনের যে ঘটনাগুলো ঘটছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সবচেয়ে আশংকার ব্যাপার হচ্ছে, অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি।

 অর্থবিত্ত, রাজনৈতিক প্রতিপত্তি-সবকিছুকে খাটিয়ে, ব্যবহার করে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। মানুষ স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের অপরাধ চিত্র এবং অপরাধের মাত্রা ও পরিমাণ দেখে শংকিত না হয়ে পারা যায় না। এ অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই এই সমাজের বসবাসযোগ্যতা বিনষ্ট হবে। দেশ অপরাধীদের অভয়ারন্যে পরিণত হবে। তাই বিষয়টি এখনই দেশের নীতি নির্ধারক, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, সমাজ বিজ্ঞানী ও সচেতন নাগরিকদের গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। অপরাধীরা যেন কোনক্রমেই রাজনৈতিক প্রশ্রয়-আশ্রয় না পায়। পাশাপাশি পুলিশের কার্যকর ভূমিকা বাড়াতে হবে। অপরাধীদের বিচার হতে হবে। শাস্তির দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top