রাত ১২:৪২, রবিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ দেশজুড়ে / খানসামায় চীনা বাদামের চাষ বেড়েছে
খানসামায় চীনা বাদামের চাষ বেড়েছে
মে ১৫, ২০১৭

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের খানসামায় অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি চীনা বাদামের চাষ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজারে ভালো দাম ও চাহিদা থাকায় বাদাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে চাষিরা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ৯ হেক্টর জমিতে মাইচ্চর (ঢাকা-১) এবং হাইব্রিড জাতের চীনা বাদাম চাষ করা হয়েছে। এর আগে গত দু’বছরে বাদাম চাষ হয় ১৪ হেক্টর জমিতে।

এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বহুল খাদ্যের সম্পূরক ও একাধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন চীনা বাদাম উপজেলার টংগুয়া, গোবিন্দপুর, সুবর্ণখূলী, আঙ্গারপাড়া, পাকেরহাট ও ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে জনপ্রিয়তার সাথে চাষ হচ্ছে। চাষীরা গম, ভুট্টা, করলা, পটল ও অন্যান্য ফসল চাষের পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে চীনা বাদাম চাষ করছে। চলতি মৌসুমে চীনা বাদামের জন্য আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষকৃত এসব ক্ষেতে বাম্পার ফল ধরেছে।

আঙ্গারপাড়া গ্রামের বাদামচাষী রবিউল ইসলাম জানান, প্রতি বিঘা জমিতে চীনা বাদাম উৎপাদনে হালচাষ, সার, সেচ, পরিচর্যা ও অন্যান্য বাবদ গড় খরচ হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৭০০ টাকা। প্রতি বিঘায় ফলন আসবে প্রায় ১১ মণের মত। কাঁচা অবস্থায় প্রতি কেজি পাইকারী দরে যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২৭ হাজার ৫০০ টাকা।
আর উৎপাদন খরচ দিয়ে মুনাফা হবে প্রায় ১৩ হাজার টাকার মত। তিনি ছাড়াও ওই এলাকার নজরুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, ফরহাদ হোসেন, সাপিয়ার রহমান, আজিজুল ইসলাম ও সফিকুল ইসলামসহ অনেক চাষী আগ্রহ সহকারে এসব বাদাম চাষ করছেন। উঁচু ধরনের জমিতে ব্যয়বহুল ফসলের চেয়ে স্বল্প খরচে চীনা বাদাম চাষ করা লাভজনক বলে চাষিরা উল্লেখ করেন।
উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মজিবর রহমান জানান, এক জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করলে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। তাই মাঝে মধ্যে রদবদল করে ফসল করতে হয়। এক্ষেত্রে অন্যান্য ফসলের মত সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে চীনা বাদাম চাষ হচ্ছে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top