সকাল ৬:১৯, মঙ্গলবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ চট্টগ্রাম / কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭

মিয়ানমারের গণহত্যা থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা দেখতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন তিনি।

মঙ্গলবার ( ১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে কুতুপালং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা সোয়া দশটার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৯০৯ ফ্লাইটটি। সেখান থেকে সড়কপথে উখিয়ার কুতুপালংয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে সফরে রয়েছেন, তার ছোট বোন শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, কক্সবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সেনাবাহিনী প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, পুলিশের আইজি এ কে এম শহীদুল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হাসেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রেস সচিব ইহসানুল করিমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন শুরুর পর এখন পর্যন্ত কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিপীড়ন চলে আসছে কয়েক দশক ধরে। বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে সেখান থেকে পালিয়ে এসে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছেন।

তাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও তাতে সাড়া দেয়নি মিয়ানমার।

রোহিঙ্গাদের এই স্রোত ঠেকাতে মিয়ানমারে জাতিসংঘের মতো কোনো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার তত্ত্বাবধানে একাধিক নিরাপদ এলাকা (সেইফ জোন) গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। যদিও তাতে কোনো কর্ণপাত করছে না দেশটি।

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top