দুপুর ২:৪৭, মঙ্গলবার, ২৩শে মে, ২০১৭ ইং
/ লাইফস্টাইল / এবার ডাক বিভাগে যুক্ত হলো নারী ড্রাইভার
এবার ডাক বিভাগে যুক্ত হলো নারী ড্রাইভার
এপ্রিল ২৭, ২০১৭

করতোয়া ডেস্ক: এবার ডাকবাহী মেইল গাড়িতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নারী ড্রাইভার। সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম রাজধানীর ডাক ভবন চত্বরে ১০টি গাড়ির চাবি তুলে দেন ১০ জন নারী চালকের হাতে। এখন থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন রাস্তায় ডাকবাহী গাড়ি চালাতে দেখা যাবে এই নারীদের। দেশে ৯ হাজার ৮৮৬টি ডাকঘর রয়েছে বাংলাদেশের ডাক বিভাগের; কর্মী রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। এক সময় লাভজনক হলেও রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠানটি গত ২ অর্থবছরে গড়ে ২০০ কোটির বেশি টাকা লোকসান দিয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, ডাক বিভাগের ডাক পরিবহন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অধীনে নতুন যোগ হতে যাওয়া ১১৮টি যানবাহনের মধ্যে ২০ শতাংশের চালক থাকবেন নারী। এটি খুব সুন্দর দৃষ্টান্ত হবে। আমাদের মেয়েরা হেভি ভেহিকেল চালনার জন্য প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত। তারা যখন গ্রামাঞ্চলে বা ঢাকা শহরে এই গাড়িগুলো চালাবেন, তখন সেটি হবে দর্শনীয় ও প্রশংসা করার মত একটি কাজ।


নারী চালকদের নিয়োগপত্র এবং বেতন-ভাতা সঠিকভাবে দেওয়ার বিষয়ে ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলেন প্রতিমন্ত্রী। নতুন প্রকল্পের অধীনে পাওয়া ৯টি ওপেন বডি পিকআপ ভ্যান এবং ১০টি কভার্ড ভ্যানের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, অবশিষ্ট গাড়িগুলো আগামী জুন মাসের মধ্যে পাওয়া যাবে। গাড়ি কেনার পাশাপাশি এ প্রকল্পের অধীনে ৩৩টি গ্যারেজও নির্মাণ করা হবে। ডাক বিভাগের নিজস্ব পরিবহন না থাকায় ভাড়া বা চুক্তির মাধ্যমে সড়কপথে ডাক পরিবহন করতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাণিজ্যিক পার্সেল ও লজিস্টিকস পরিবহন চালু হবে।


দেশের সব ডাকঘরে সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করাই বাস্তবায়নাধীন নতুন প্রকল্পের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, প্রতিটি ডাকঘরে সেবার ধরন বাড়ানোর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পোস্ট অফিসগুলোকে বিশেষ ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। পোস্ট অফিস বিশেষ ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করলে পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। এজন্য সমস্ত কাজ শেষ হয়ে গেছে।  প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ একটি কাজ করতে চাই।


 এখানে প্রত্যেক বাবা-মা তাদের কন্যার লেখাপড়ার জন্য মাত্র পাঁচ টাকা দিয়ে একটি ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব খুলতে পারবেন। সরকারের কাছে আমরা প্রস্তাব করব, সেখানে একটু যদি ইনসেনটিভ দেয়, তাহলে কন্যার বয়স যখন ১৮ বছর হবে তখন সেটি আমরা কন্যার হাতে তুলে দিতে চাই। এই অংশটি দিয়ে সে ভবিষ্যতে লেখাপড়ার জীবনটি কনটিনিউ করতে পারবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top