রাত ১২:৪০, রবিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / একটি বাসা, এতটুকু আশা!
একটি বাসা, এতটুকু আশা!
মে ১৭, ২০১৭

আতাউর রহমান মিটন : নিয়মিত পত্রিকা পড়তে আমার ভয় লাগে। কারণ ইতিবাচক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক জ্ঞান-গর্ভ আলোচনা থাকলেও খারাপ সংবাদগুলোই পত্রিকার পাতায় অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। দুঃসংবাদগুলো আমাদের জানতে হবে অবশ্যই, তবে তারও চেয়ে বেশি বোধহয় ভাল সংবাদগুলো জানা দরকার। দরকার জনগণের বিশ্লেষণী ক্ষমতা শাণিত করা, মানুষের বিবেক নাড়া দেয়ার মত করে বিষয়বস্তু উপস্থাপন।


ঢাকায় একটি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনাটি এখন সকলেই জানেন এবং এই ঘটনাকে উপজীব্য করে শোনা কথা ও নিজস্ব ধারণা মিলিয়ে নানা রম্য কাহিনী প্রতিদিন ছড়াচ্ছে। অনেকেই এখন ভাবতে শুরু করেছেন এই ঘটনার পেছনে আরও কোন বড় ঘটনা লুক্কায়িত আছে। সোনা চোরাচালান ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ বা হাত বদলের সাথে এই ঘটনার সম্পর্ক আছে কি না সেটাও এখন চায়ের টেবিলে আলোচিত বিষয়।


 কুমিল্লার তনু হত্যাকান্ড নিয়েও গণমাধ্যম সরব হয়েছিল। কিন্তু দেশে সংঘটিত নারী নির্যাতন বা অন্যান্য অমানবিক ঘটনাগুলোর কতটুকুই বা গণমাধ্যমে আসে? বনানীর ঘটনার আগেই গাজীপুরে নিজের শিশু কন্যার উপর সংঘটিত যৌন নির্যাতনের বিচার না পেয়ে এক হতাশাগ্রস্ত বাবা ট্রেনের নীচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বনানীর ঘটনায় গাজীপুরের সেই কাহিনী এখন চাপা পড়েছে। গরীব মানুষ বলে কি গাজীপুরের ঘটনা কম গুরুত্বপূর্ণ!


‘আমাদের আমবাগানে আজকাল ভাল আম হয় না কিন্তু বিলেতের আপেল বাগানে প্রচুর আপেল হচ্ছে। তাই বলে কি আমরা বলব যে আম গাছ কেটে আপেল লাগালেই আমরা সমৃদ্ধি অর্জন করব? অথবা ‘ঘানিতে সরিষা চেপে আমরা তেল পাই। কিন্তু তাই বলে সেখানে ফুল ফেলে দিয়ে চাপলে কি আমরা মধু পাব?’ প্রশ্ন দুটো আমার নয়, রবীন্দ্রনাথের। তিনি আমাদের আকাঙ্খা ও পদক্ষেপ এর মধ্যে অসামঞ্জস্যতা ফুটিয়ে তোলার জন্য এই প্রশ্নটি করেছেন।


 আমাদের বর্তমান সমাজের মধ্যেও কি আমরা এমন অসামঞ্জস্যতা দেখছি না? আমরা যা চাই আর আমরা প্রতিদিন যার পেছনে ছুটে বেড়াই তার মধ্যে মিল কোথায়? ফুল চেপে যদি মধু না পাওয়া যায় তাহলে সমাজকে ভেতর থেকে জাগিয়ে না তুলে সমাজ পরিবর্তন কিভাবে করা সম্ভব? চারিদিকে যা ঘটছে তা আসলে ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’। অপশক্তিরা নিজেদের ‘ধরাছোঁয়ার উর্দ্ধে’ ভাবতে পারছে বলেই তারা আজ বেপরোয়া।


 সমাজের বিদ্যমান ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কার করা ছাড়া এই অব্যবস্থা রোধ করা সম্ভব হবে না। সম্প্রতি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে যে, বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যানশিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) তথ্য মতে বাংলাদেশ থেকে ২০১৩ সালে ৯৬৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার এবং ২০১৪ সালে ৯১১ কোটি ডলার পাচার হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকেও বিদেশে অর্থপাচারের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।


 এমতাবস্থায়, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া দাবি জানিয়ে বলেছেন, “এই অর্থপাচার রোধে কোনো শর্ত ছাড়া আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ধারা ১৯বি-এর যুগোপযোগী সংশোধন করা জরুরি।”


পাঠক, ‘অপ্রদর্শিত আয় বা অর্থ’ কথাটার মানে কি? আমি যতটুকু জানি সরকার ঘোষিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রতিবছর জমা দেয়া আয়কর হিসাব বিবরণী (ট্যাক্স রিটার্ণ) তে অনুল্লিখিত অর্থকে ‘অপ্রদর্শিত আয়’ বলা হয়। ‘ঘুষ খাওয়া’ বা ‘কালোবাজারী করা’ বা কারও কাছ থেকে জোর করে অর্থ আদায় করা অপ্রদর্শিত আয়ের অন্যতম উৎস। তবে এর বাইরেও অনেকের কাছে টাকা থাকতে পারে যা সাধারণভাবে ‘অপ্রদর্শিত আয়’ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।


আমাদের অনেক সম্মানিত পেশাজীবী আছেন যাঁরা মেধা খাটিয়ে বা কঠোর পরিশ্রম করে আয় করেন কিন্তু নিজেদের আয় গোপন রেখে কর ফাঁকি দেন। এমন আয় ‘অপ্রদর্শিত আয়’ হলেও এটাকে আমাদের সমাজ অনৈতিক হিসেবে গণ্য করে না। কিন্তু ‘ঘুষ’ বা অন্য কোন অনৈতিক পন্থায় অর্জিত আয়  নিঃসন্দেহে ঘৃণিত এবং এই অর্থ জায়েজ করার জন্য সরকার কোন উদারতা দেখাতে পারেন না।


প্রতিবছর বাজেট এলেই ‘কালো টাকা’ সাদা করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। টাকার রং তো একই তাহলে এখানে কালো বা সাদা কথাটার অর্থ কি? আসলে এক্ষেত্রেও ঐ অপ্রদর্শিত আয় এর কথাটাই চলে আসে। অর্থাৎ ‘অপ্রদর্শিত আয়’ আর ‘কালো টাকা’ প্রায় সমার্থক।  কালো টাকা কাদের কাছে থাকে? এই টাকা আসে কোথা থেকে? ভারতে সম্প্রতি মোদী সরকার যখন ৫০০ ও ১০০০ রুপি নোট বাতিল করে, তখন সেখানে বিরাট হৈ চৈ সৃষ্টি হয়। এমন কি বিভিন্ন স্থানে এসব নোটের বস্তা পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলেও শোনা যায়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্নীতি কমানোর অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপটি নিয়েছিলেন। এটা তার জন্য এক দুঃসাহসিক ঘোষণা ছিল। এমনকি এর ফলে তিনি ‘হত্যাকান্ডের শিকার’ হওয়ারও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। যদিও বাস্তবে এই ব্যবস্থায় ভারতে ‘দুর্নীতি’ কতখানি কমেছে তা নিয়ে বিস্তর সংশয় আছে। কারণ দুর্নীতিবাজরা সবসময় কৌশল খোঁজে এবং তারা ঠিকই একটা পথ বের করে নেয়। বাংলাদেশেও তাই হচ্ছে।


বাংলাদেশের সরকার অতীতে ‘কালো টাকা’র প্রতি পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছে। ফলে দুর্নীতি এখানে প্রশ্রয় পেয়েছে বলে আমি মনে করি। রিহ্যাব চেয়ারম্যান এবার ‘কালো টাকা’ না বলে ‘অপ্রদর্শিত আয়’ হিসেবে ঐ একই ধরনের অর্থকেই বৈধতা দানের প্রস্তাব করেছেন।

ধরা যাক, সরকার রিহ্যাব প্রধানের দাবি মেনে নিলেন অর্থাৎ ফ্ল্যাট বা জমি কেনায় ব্যবহৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলেন না। তাহলে পরিণতি কি দাঁড়াবে? সব ঘুষঘোর, দুর্নীতিবাজেরা আরও বেপরোয়া হয়ে অবৈধ পথে আয় করতে চেষ্টা করতে থাকবেন আর সেই আয় দিয়ে বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি ইত্যাদি কিনবেন।

 এতে করে রিহ্যাব ব্যবসায়ীদের ব্যবসার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হলেও সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি ও প্রশাসন কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ভেবে দেখেছেন? মানুষ এখনই মরিয়া ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট বা প্লট কেনার জন্য, এই অনুরোধ রক্ষা করা হলে তখন তাঁরা আরও বেপরোয়া হয়ে যাবে। সমাজকে এগিয়ে নিতে চাইলে এটা কোনভাবেই করা যাবে না। এটা করা উচিত নয়। বরং রিহ্যাব প্রস্তাবিত গৃহঋণের সুদের হার কমানো, স্বল্পবিত্তদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঋণ-এ ছোট ছোট ফ্ল্যাট কেনার বন্দোবস্ত দেয়ার দাবিগুলো বিবেচনা করা উচিত।


আমার মনে হয়, আবাসন শিল্পের উন্নয়ন এবং সকলের জন্য মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করার জন্য এবং সর্বোপরি শহরের উপর বর্দ্ধিত মানুষের চাপ কমানোর জন্য সরকারের উচিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গৃহঋণ সুবিধা সম্প্রসারিত ও সহজলভ্য করা।

শহরের কর্মস্থলের সাথে আরামদায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলে এবং সহজ শর্তে ঋণ নিয়ে গ্রামেই বা উপজেলা শহরে নিজের বাড়িটাকে সুন্দর করে তৈরী করতে পারলে কেন মানুষ শহরের কংক্রিটের বস্তিতে গিয়ে বাস করবে? গৃহঋণ এর উপর সুদের হার কমানো একটি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এই হার কোন অবস্থাতেই ৬% এর বেশি হওয়া উচিত নয়। অথবা এই ঋণ পরিশোধ এর মেয়াদ ২৫-৩০ বছর হওয়া উচিত। নগরায়ন একটি অনিবার্য বাস্তবতা।

 আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত অথচ প্রাকৃতিক ছন্দময়তা ও মায়ায় ঘেরা একটি ছোট্ট বাড়ি কার না পছন্দ বলুন! যদি ঢাকা শহরে বসবাসকারী মানুষদের সন্তুষ্টি নিয়ে জরীপ করা হয় তাহলে দেখা যাবে খুব কম মানুষই এই শহরে বাস করতে পেরে সন্তুষ্ট।

কিন্তু তবু তারা এই শহর ছেড়ে চলে যাবার কথা ভাবতে পারেন না। কেন পারেন না? সরকারকে সেই কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে ‘সমন্বিত নগরায়ন’ পরিকল্পনা করতে হবে। সারাদেশের মানুষকে বঞ্চিত করে ঢাকাকে তিলোত্তমা বানানোর কোন প্রস্তাবই গ্রহণযোগ্য নয়। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক সমান এবং সরকারকে সকলের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই পরিকল্পনা করতে হবে।


আসন্ন বাজেটে সরকারকে গৃহঋণ সহজলভ্য করার জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব করছি। যাতে করে অধিক মানুষ এই ঋণ গ্রহণের সুযোগ পায় এর ফলে আবাসন শিল্প চাঙ্গা হয়। সন্দেহ নেই যে, নানা কারণে বাংলাদেশের আবাসন শিল্প প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শেয়ারবাজারের ধ্বস, বিদেশে অর্থ পাচার ইত্যাদি নানাবিধ কারণে একটা স্থবির অবস্থার মধ্যে পতিত হয়েছে।

 তবে কিছু কিছু উদ্যোক্তার সীমাহীন লোভ বা অতি মুনাফা করার প্রবণতা এ ক্ষেত্রে একটা বড় বাধা। মানুষের সামর্থ্যরে মধ্যে কিস্তি দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হলে অবশ্যই আরও অনেকেই ফ্ল্যাট বা প্লট কিনতে উৎসাহী হবে। প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স এর উপর বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হলে এই খাত আরও অগ্রসর হতে পারে।


 বাংলাদেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে ভাল হচ্ছে। সরকার দাবি করছে এবার জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২৪ শতাংশ। যদিও বিশ্বব্যাংক বলছে এই হার হবে ৬.৮ শতাংশ। হার যাই হোক না কেন বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক এটা সত্য। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

এক. রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স আয় বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি। বিশ্বব্যাংক এর মতে, এই তিনটি খাতেই আমাদের অগ্রগতি খুব বেশি নয়। বরং রেমিট্যান্স কমেছে, আশানুরূপ বিনিয়োগ হচ্ছে না, এমতাবন্থায়, আমাদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে চাইলে বা বৃদ্ধি করতে হলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে।


আগামী  জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৯ সালের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হবে। অনেকে মনে করেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সরকার নির্বাচনের সময় কিছুটা এগিয়ে এনে আগামী বছরের শেষদিকে বা অক্টোবর-নভেম্বরেও নির্বাচন সম্পন্ন করে ফেলতে পারে। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল অতীতের মত সহজ বিজয় পাবে না। বিএনপি এবার নির্বাচন করবে এটা নিশ্চিত। সাধারণতঃ ক্ষমতাসীন দলের প্রতি মানুষের আস্থা হ্রাস পায়।


 সেটা আওয়ামী লীগ এর ক্ষেত্রেও আছে। এমতাবস্থায়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আসন্ন জাতীয় বাজেটকে মানুষকে আস্থায় নেয়ার বাজেট হিসেবে উত্থাপন করতে চাচ্ছে। দলটির এই রাজনৈতিক কৌশল নেয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু তাদেরকে ঠিক করতে হবে, তারা কি ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করবেন নাকি ভোক্তা বা সাধারণ জনগণের পক্ষে থাকবেন?


বিএনপি অনেক দেরিতে হলেও একটি সুনির্দিষ্ট ‘ভিশন ২০৩০’ জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর এই প্রবণতাটা খুবই ইতিবাচক। জনগণ এই ঘোষিত ভিশন কিভাবে নেবে সেটা জনগণের বিষয় কিন্তু রাজনীতির এই গুণগত পরিবর্তনের ধারাকে সকলেই স্বাগত জানিয়েছে। পেশী শক্তি দেখিয়ে বা প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভোটে জেতা সম্ভব নয়।

 মনে রাখতে হবে, ভোটারও এখন পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে সচেতন। এই ভোটারের মন জয় করতে হলে কর্মিদের কথা-বার্তা ও কার্যক্রমে সৃজনশীলতা ও দক্ষতা থাকতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং করে ভোটে জেতার পুরোনো বাসনা থেকে দূরে থাকাই ভাল। জনতার জয় হোক।
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯
 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top