সকাল ৬:০৯, শুক্রবার, ২৩শে জুন, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / উপকূলীয় এলাকায় খনিজ সম্পদ
উপকূলীয় এলাকায় খনিজ সম্পদ
মে ১৬, ২০১৭

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার বালিতে মিশে আছে প্রচুর পরিমাণে অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ সম্পদ। কক্সবাজারসহ টেকনাফ ও এর আশেপাশে উপকূলীয় এলাকায় এই অতিমূল্যবান খনিজ পদার্থের মোট ১৭টি স্থান রয়েছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় খনিজ বালি আবিষ্কার হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা সমুদ্রে গ্যাসের সন্ধান করছি।


 বিভিন্ন ব্লক করে বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে জরিপ করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভূগর্ভস্থ গ্যাস তো আমরা অনেক আগে থেকেই উত্তোলন করে বাসাবাড়িসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফুলবাড়িয়া কয়লাখনিও রয়েছে আমাদের। এখন উপকূলীয় অঞ্চলে বালুকারাশি থেকে সংগ্রহ করতে হবে মুল্যবান ধাতব পদার্থ। অথচ বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহারের জন্য এসব খনিজ পদার্থ বাংলাদেশ উচ্চমূল্যে আমদানি করে থাকে।


 আবিষ্কৃত এসব খনিজ সম্পদের ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে আমদানি খাতে ব্যয় যেমন কমত, তেমনি প্রাপ্ত খনিজ সম্পদ দেশীয় শিল্পের চাহিদা মিটিয়ে অদূর ভবিষ্যতে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বারও উন্মুক্ত হতো। খনিজ বালি শিল্পে ব্যবহার, বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন ও বাজারজাত করণে অনেকের আগ্রহ থাকলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কোন স্থির সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।


 এ কারণে এসব মূখ্য সম্পদ দেশব্যাপী অবহেলা ও অযতেœ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। আমরা দেশের খনিজ সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার চাই। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই দেশ ও জাতির স্বার্থকে অক্ষুন্ন রেখে পদক্ষেপ নিতে হবে। পরিবেশের ওপর কোন আঘাত না এলে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, এর সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া, উত্তোলন এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেশের লাভ কতটুকু, সেটা দেখে আমাদের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে হবে, যেন এ প্রাকৃতিক সম্পদ আমরা কাজে লাগাতে পারি।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top