রাত ৯:৪৮, বৃহস্পতিবার, ২৯শে জুন, ২০১৭ ইং
/ অর্থ-বাণিজ্য / অর্থনৈতিক অঞ্চলে থাই ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ
অর্থনৈতিক অঞ্চলে থাই ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ
মার্চ ২২, ২০১৭

সরকার যে ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করছে, থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা চাইলে সেগুলোর একটি তাদের দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে থাই পণ্যের মেলা ‘থাইল্যান্ড উইক ২০১৭’ এর উদ্বোধন করে বাণিজ্যমন্ত্রী অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে থাই ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনেক সুযোগ রয়েছে। থাইল্যান্ড এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। আমরা ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি। এগুলোর একটি নিয়ে থাইল্যান্ড বিনিয়োগ করতে পারে। আমরা তাদের বিনিয়োগের সব সুযোগ সুবিধা দেব।

মন্ত্রী বলেন, থাইল্যান্ড বাংলাদেশের বিশ্বাসী ও পরীক্ষিত বন্ধু। যদিও তাদের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যের পরিমাণ খুব একটা বেশি নয়। অধিকাংশ পণ্যই থাইল্যান্ড বাংলাদেশে রপ্তানি করে। আর আমাদের রপ্তানির পরিমাণ কম। এই ঘাটতির পরিমাণ কমাতে হবে। থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ট্রেড প্রমোশন এবং রয়্যাল থাই দূতাবাস যৌথভাবে চার দিনের এই মেলার আয়োজন করেছে। থাই উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের নিয়ে পঞ্চদশ বারের মত আয়োজিত এই মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আয়োজকরা জানান, মেলার প্রথম দুই দিন কেবল ব্যবসায়ীদের জন্য। ২৪ ও ২৫ মার্চ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্যও মেলা উন্মুক্ত থাকবে। প্রসাধন সামগ্রী, তৈরি পোশাক, ফ্যাশন সামগ্রী, ইলেকট্রনিক্স পণ্য, জুয়েলারি, কনফেকশনারি, খবার ও পানীয় এবং গৃহস্থলী পণ্য উৎপাদনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।

এদেরই একটি ‘থাই আইডিয়া, আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট’; প্রতিষ্ঠানটি কাঠ থেকে বিভিন্ন ধরনের চামচ ও চপস্টিক উৎপাদন করে। এর ব্যবস্থাপক প্রাংনুত সুরিয়াপর্ন জানান, প্রথমবারের মত তারা এ মেলায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে তাদের পণ্যের প্রচার পাবে বলে তিনি আশা করছেন। বাংলাদেশে অনেকেই থাই খাবার খায়। কিন্তু থাইল্যান্ডের মত চপস্টিক ব্যবহার করে না। আমি মনে করি, মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারলে তারা আমাদের খাবারের মতই খাওয়ার পদ্ধতিও ভালবাসবে। তখন তাদের রান্নাঘর আর খাবার টেবিলে আমাদের পণ্য ব্যবহার করবে। প্রাংনুত জানান, তাদের পণ্যগুলো মূলত তালগাছ থেকে বানানো হয়। গাছ কেটে কোনো ধরনের জোড়া না দিয়েই পণ্য উৎপাদন করেন তারা। প্রসাধন সামগ্রীর উৎপাদক ফিনেলও বাংলাদেশে তাদের বাজার সম্প্রসারিত করতে চায়। ‘বাংলাদেশে থাইপণ্যের বেশ চাহিদা রয়েছে। আমরা বাজার গবেষণা করে দেখেছি, আমাদের কোম্পানির পণ্যও এখানে বেশ চলবে,’ বলেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা নাজমুন নাহার। তিনি জানান, বাংলাদেশের বাজারে প্রসাধনসামগ্রী নিয়ে সারা বছর হাজির থাকতে তারা সব প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছেন। ‘এখন কেবল আনুষ্ঠানিক যাত্রার অপেক্ষা। তবে এরইমধ্যে মেলা চলে আসায় আমরা এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি,’ বলেন নাজমুন।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top