রাত ৩:১৫, শুক্রবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং

আজকের ই-পেপার

করতোয়া ডেস্ক : রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে সুন্দরবন ও আশপাশের পরিবেশের কোনো তি হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোরকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বুধবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডবিউইএফ) ৪৭তম বার্ষিক সভায় ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের পেনারি সেশনে কথা বলছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দাভোসের কংগ্রেস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সেশনের আলোচনায় আল গোর রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে সুন্দরবনের তির আশঙ্কা করলে শেখ হাসিনা তাকে আশ্বাস দিয়ে এ কথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন। সেশনে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিবেশবিদ আল গোর সুন্দরবনের পাশে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি তোলেন। তার বক্তব্যের প্রেেিত শেখ হাসিনা বলেন, যেখানে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছি, সেটা সুন্দরবনের প্রান্তসীমা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে, ওর্য়াল্ড হেরিটেজ ঘোষিত এলাকা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে। আল গোরকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাই, বাংলাদেশে আসুন। আপনি নিজেই এসে দেখুন রামপালে কী হচ্ছে, সেখানে কোনো তি হচ্ছে কিনা। শেখ হাসিনা বলেন, আমি বাংলাদেশের নাগরিক, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। কিসে তি হবে কিসে তি হবে না, আমার চেয়ে কেউ উদ্বিগ্ন নয়। কোনো তি হলে আমি নিজেই তা করবো না। রামপালের বিরুদ্ধে বিােভ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি তোমরা এসে দেখো। তারা যুক্তিসংগত কোনো কারণ দেখাতে পারেনি। তাদের সেখানে পরিদর্শন করার কথা বলেছি। তারা সাড়া দেয়নি। তারা কেন হইচই করছে তারাই জানে, অযথাই ইস্যু তৈরি করছে। তাদের মনে হয়তো অন্য উদ্দেশ্য আছে। রামপালে সুন্দরবনের তির আশঙ্কা নাকচ করে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেখানে যে পাওয়ার প্যান্ট করছি সেটা কিন কোল পাওয়ার প্যান্ট। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। সুন্দরবন ও আশপাশের এলাকার পরিবেশ রায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়ায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুরে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমাদের একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে। ওখানে কৃষির কোনো তি হয়নি, পরিবেশ, গাছপালা, মানুষ কোনো ধরনের তি হয়নি। প্রায় দেড় দশক ধরে এখানে কার্যক্রম চলছে, কোনো তিই চোখে পড়েনি। সমুদ্র উচ্চতা বেড়ে গেলে বাংলাদেশের বিরাট অংশ নিমজ্জিত হবে। এ রকম পরিস্থিতি হলে তা কীভাবে মোকাবেলা করা হবে? সেশনের সঞ্চালক থমাস এল ফ্রিডম্যানের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদেেপর কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যদি সমুদ্রের পানি এক মিটার বৃদ্ধি পায় বাংলাদেশের একটা বিরাট অংশ ডুবে যাবে। এটা মোকাবেলার জন্য আমরা নিজস্ব কিছু পদপে গ্রহণ করছি। আমরা উপকূলে গ্রিন বেল্ট করছি, সবুজায়ন করা হচ্ছে। নতুন জেগে ওঠা চরে বনায়ন করা হচ্ছে। নিজস্ব সম্পদে কাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি। তি মোকাবেলা ও অভিযোজনে কাজ করে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্র তল বৃদ্ধির জন্য আমরা দায়ী নই। এ সমস্যা আমাদের তৈরি নয়। এটা উন্নত দেশগুলোর সৃষ্টি। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য সমুদ্র তলের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কার্বন নিঃসরণের জন্য এটা হচ্ছে। উন্নত দেশগুলো এটা করছে। তাদেরও দায়িত্ব আছে, বাংলাদেশের মতো তিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়া উন্নত দেশগুলোর দায়িত্ব। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, উন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী। অথচ আমরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। দেশে বনায়ন বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে যখন দায়িত্বগ্রহণ করি তখন বাংলাদেশে বন ছিলো মাত্র ৭ শতাংশ। সেটাকে আমরা ১৭ শতাংশে উন্নীত করেছি। দ্রুতই বনায়নকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। সেশনে অন্যদের মধ্যে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ, এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী স্টুয়ার্ট গালিভার প্রমুখ।

 

 

 

রাষ্ট্রপতির সংলাপ শেষে নিরপে সার্চ কমিটির আশায় বিএনপি

গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে স্বাধীন-নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটি ‘নিরপে সার্চ কমিটি’ গঠন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বিএনপি। একইসঙ্গে ঐকমত্যের ভিত্তিতে ইসি গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের বিষয়েও তিনি ‘কার্যকরী পদপে’ নেবেন বলে আশা দলটির।  বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অপর্ণের পর সাংবাদিকদের কাছে দলের এমন প্রত্যাশার কথা বলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শেষ হচ্ছে। তাই নতুন ইসি গঠনে সংসদের বাইরে থাকা বিএনপিসহ ৩১টি রাজনীতিক দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির মাসব্যাপী সংলাপ গত বুধবার শেষ হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বেশিরভাগ দল সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে। তবে তা না হওয়া পর্যন্ত সার্চ কমিটির পইে মত দিয়েছে বেশিরভাগ দল। সংলাপ শেষ হওয়ার পর ইতোমধ্যে সব দলের প্রস্তাব বিবেচনা করে ইসি গঠনের কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যেও সংলাপ করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির এ আহ্বান প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্র কখনোই ফলপ্রসূ ও কার্যকরী হবে না, যদি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা না থাকে। একটা সহনশীল সমঝোতা-সংলাপের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র বিকশিত হয়। সেটা রাষ্ট্রপতিও বলেছেন। সেজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরো বলেন, আমরা বরাবরই ইতিবাচক রাজনীতি করি। এই ইতিবাচক রাজনীতির মধ্য দিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন একটি সুন্দর প্রস্তাব দিয়েছেন। এর ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে ডেকেছেন, কথা বলেছেন। এখন আমরা আশা করব, রাষ্ট্রপতি সত্যিকার অর্থে একটি নিরপে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিরপে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন, যা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য যোগ্য হবে। তবে নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠিত না হলে এ দেশের মানুষ তা কখনোই গ্রহণ করবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। আমরা তার ৮১তম জন্মবার্ষিকীতে শপথ নিতে এসেছি- জিয়াউর রহমানের আদর্শ, রাজনৈতিক দর্শন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রা এবং গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে বিএনপি।

 

বিশেষ প্রতিবেদন

‘বগড়্যার মেলা’ সারা জাগিয়েছে সবার মনে

রাজকুমার নন্দী : ঐতিহাসিক করতোয়া বিধৌত সমৃদ্ধনগরী পুন্ড্রবর্ধন আজকের বগুড়া। ঐতিহ্য আর সভ্যকার পীঠস্থান, আউলিয়া দরবেশের পূণ্য স্মৃতিধণ্য উত্তরের সবচাইতে সমৃদ্ধ আর উজ্জবীত জনপদ এই বগুড়া। এই জেলার পবিত্র ভূমিতে জন্ম নিয়েছেন অসংখ্য বরেণ্য মানুষ, যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্র সমাজের প্রতিটি স্তরে। সমৃদ্ধ বগুড়া জেলার গৌরবজ্জোল সেই ইতিহাসের সাথে আজকের প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরি করতে আয়োজিত হয়েছিল মিলন মেলার। নামকরন করা হয়েছে ‘বগ্ড়্যার মেলা’। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে রাজধানীতে প্রথমবারের মত আয়োজিত ‘বগড়্যার মেলা’ সাঙ্গ হলেও এর মধ্য দিয়ে জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিকে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন মেলার আয়োজকরা। তারা বলছেন, বগুড়ায় আরো কী কী উন্নয়ন হওয়া দরকার, মেলার মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে সেই বার্তাও, যা ভবিষ্যতে বগুড়ার উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া এর মধ্য দিয়ে ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়াবাসীর মিলনমেলা ঘটানো সম্ভব হয়েছে, যা ধরে রাখতে প্রতি বছর এ আয়োজনের আশা উদ্যোক্তাদের।

মেলায় অংশ নেওয়া স্টল গুলোর মধ্যে দৈনিক করতোয়ার স্টলে ছিল উপচেপড়া ভীড়। সমাপনী দিনে স্টলটিতে আসেন দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক। করতোয়া স্টলে আরো আসেন করতোয়া সম্পাদক পতœী রীনা মোজাম্মেল ও দৈনিক ভোরের দর্পণের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাসরিন হায়দারসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এছাড়া মেলায় আগত অতিথিরাও করতোয়া স্টল ঘুরে দেখে তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। করতোয়া স্টলে রক্ষিত ‘মন্তব্য খাতায়’ দর্শনার্থীরা পত্রিকাটির উন্নয়নে তাদের সূচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। এদিকে, স্টলে স্থাপিত মনিটরে চারদিন ধরেই দৈনিক করতোয়া পত্রিকার সম্পাদক মোজাম্মেল হককে নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারি প্রচার করা হয়, যেখানে পত্রিকাটির ‘সুদীর্ঘ ইতিহাস’ তুলে ধরে তিনি। ‘বগড়্যার মেলা’ প্রসঙ্গে করতোয়া সম্পাদক বলেন, ‘ঢাকায় চারদিনব্যাপী এই মেলার মধ্য দিয়ে জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্পর্কে আমরা শুধু রাজধানী ও দেশবাসী নয়, সমগ্র পৃথিবীতেই একটা ম্যাসেজ-ধারণা দিতে সক্ষম হয়েছি। মেলায় দৈনিক করতোয়ার একটি স্টল ছিল, যেখানে আমরা মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আশা করছি, বগুড়াকে পরিচিত করানোর এ মেলা প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হবে।’ ‘দৈনিক করতোয়া’ স্টলটিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল মানুষের উপচেপড়া ভীড়। স্টলটি দৈনিক করতোয়া ও ভোরের দর্পণ পত্রিকা, বগুড়ার করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, করতোয়া অডিটরিয়াম, করতোয়া প্রিন্টার্স এন্ড পাবলিকেশন, করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিস, করতোয়া ফিলিং স্টেশন ও ন্যাশনাল প্রিন্টিং এন্ড প্রেস সম্পর্কিত তথ্য, করতোয়ার লোগো সম্বলিত সেরামিকের মগ, ক্যাপ, টি-শার্ট (পোলো), টি-শার্ট, টাই, ব্যাগ, কোর্টপিন, ঘড়ি ও কলম নিয়ে সাজানো হয়েছিল। স্টলটি থেকে মেলায় অংশ নেয়া প্রত্যেকটি স্টলে চারদিনই বিনামূল্যে দৈনিক করতোয়া ও ভোরের দর্পণ পত্রিকা সরবরাহ করা হয়। এছাড়া মেলায় আগত দর্শনার্থীদেরও চারদিনই বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয় পত্রিকা দু’টি। দৈনিক করতোয়া’র ঢাকা অফিসের সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত। পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক মাহমুদুর রহমান খোকন, চীফ রিপোর্টার সৈয়দ আহমেদ অটল, যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক এম এস সাহাব, মফস্বল সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, জেনারেল ম্যানেজার সহিদুর রহমান বুলু, সহকারি জেনারেল ম্যানেজার মো. খবির উদ্দিন। স্পোর্টস রিপোর্টার আমিনুল হক মল্লিক, স্টাফ রিপোর্টার রুদ্র রাসেল, মাহফুজ সাদি, সুলতানুর রহমান, মশিউর নেরু, মো. এরশাদ আলী, গনেশ মোদক  এবং স্টলটির সার্বক্ষণিক দায়িত্বে ছিলেন আঞ্জুুমান আরা মুন।

‘বগড়্যার মেলা’ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বগুড়া সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান রন্টু এবং সাধারণ সম্পাদক একেএম কামরুল ইসলাম দৈনিক করতোয়াকে বলেন, ঢাকায় প্রথমবারের মতো এ মেলা হওয়ায় ছোট-খাট ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে। তবে বগুড়ার প্রচুর মানুষ  পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় আসায় এটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। বগুড়ার ইতিহাস-ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি বগুড়ায় আরো কী কী উন্নয়ন হওয়া দরকার, মেলার মধ্য দিয়ে আমরা সেই বার্তা দিতে পেরেছি। এটি অবশ্যই মেলার সার্থকতা। ঢাকায় প্রতি বছর ‘বগড়্যার মেলা’ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তারা।

মেলায় বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী দই, ক্ষীরসা ও অন্য পণ্যসামগ্রীর পসরা সাজিয়ে কিউট, সাউদিয়া দই ক্ষীরসা এন্ড সুইটস, বগুড়া থেকে এলাম, লেখিকা রোমেনা আফাজের বই প্রদর্শনী, গোয়ালা, গোল্ডেন বাংলাদেশ, বগুড়া থিয়েটারের মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, লাইট হাইস, ঐতিহ্য বগুড়া, হিমাচল বুটিক, নাজনীন বুটিক হাউস, টিএমএসএস, টিএমএসএস’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং কন্সট্রাকশন লিমিটেড ও পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, পিঠা ঘর, প্রাণ ও দৈনিক করতোয়াসহ ২০টির মতো স্টল অংশ নেয়। বগুড়ার মিষ্টান্ন ও অন্য পণ্যসামগ্রীর পসরা সাজিয়ে মেলায় অংশ নেয়া স্টলগুলোর মধ্যে মেলায় ‘বগুড়া ডাইরেক্টরি’ প্রকাশ করা হয়। শেষদিনে ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়া সমিতির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেইজেরও উদ্বোধন করা হয়। মেলা থেকে জেলার শতাধিক লোক বগুড়া সমিতির সদস্য হতে ফর্ম সংগ্রহ করেন এবং ১৫ জনের মতো সমিতির সদস্য হন। ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়া সমিতি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বগুড়ার যৌথ উদ্যোগে চারদিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এটিএন বাংলা এবং দৈনিক করতোয়া ছিল মেলার মিডিয়া পার্টনার।

মেলার উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম ওমর, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান-এমডি মাহফুজুর রহমান। ওইদিন দ্বিতীয়পর্বের অনুষ্ঠানে বগুড়ার মেয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক ছিলেন প্রধান অতিথি। দ্বিতীয় দিনে মেলায় আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। মেলার তৃতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শোয়েব শাহরিয়ার ও বিশিষ্ট অভিনেতা আহসানুল হক মিনু। মেলা সমাপ্তির দিনে এসেছিলেন-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম কুদ্দুস। চারদিনের আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান রন্টু। মেলার প্রথমদিকে উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও সময় গড়ানোর সাথে সাথে তা বাড়তে থাকে। শেষদিনের উপচেপড়া ভীড়ে সন্তুষ্ট আয়োজকরা। তবে মেলায় শুধু বগুড়ার লোকেরাই নয়, ঢাকায় বসবাসরত অন্য জেলার মানুষের উপস্থিতিও ছিল আশাব্যঞ্জক। মূলত বগুড়ার ইতিহাস-সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং বগুড়ার প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন কিনতে তারা মেলায় আসেন। বগুড়ার শিল্পীদের দিয়ে জেলার সংস্কৃতিকে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে প্রতিদিন বগুড়া থেকে দু’টি বাসে করে ৪৫০ জনের মতো শিল্পী ঢাকায় এসে মেলায় পারফর্ম করেন। তারা বগুড়ার ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে তুলে ধরে গান (পালাগান-বাউলগান-কবিগান), লাঠিখেলা, নাটক, নৃত্যসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। ‘আমরা বগড়্যার ছল, পুঁটি মাছ মারবার য্যায়ে ম্যারা আনি ব্যোল’, বগুড়ার এই আঞ্চলিক গানটি মেলায় ছিল সবার মুখে মুখে।

 

 

রাজশাহী বিভাগ

যশোরে বাস- অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩


যশোরের সদরে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই সহোদরসহ একটি অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন।

রোববার সকালে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান।

হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী।

নিহতরা হলেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার ফুলসারা গ্রামের বদরুদ্দিন ঢালীর ছেলে লাভলু ঢালী (৩৫), তার ভাই জাকির ঢালী (২৫) এবং একই এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে ফরিদ হোসেন (২৮)।

আহতরা হলেন চৌগাছার ফুলসারা এলাকার সোহেল (২৫),আশরাফুল (৩০), সাজেদুর (২৬), শওকত (২৬), আসাদ (৩৫) এবং চান্দা আফরা এলাকার উজ্জ্বল (৩০)। তাদের যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি ইলিয়াস বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অটোরিকশাটি চৌগাছা থেকে যশোরের দিকে যাচ্ছিল। পথে বিপরীতমুখী একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই লাভলু নিহত হন।   

“স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধারের পর ঢাকায় নেওয়ার পথে ফরিদ ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকিরের মৃত্যু হয়।”

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

সন্ধান মিলল গাইবান্ধার যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতার

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর সাদুল্যাপুর উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতার খোঁজ মিলেছে সৈয়দপুরে। গত বুধবার গভীররাতে একটি মাইক্রোবাসে করে তাদের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে রেখে যায় কয়েকজন। পরে সেখান থেকে তারা বাড়িতে আসেন। ওই দুই নেতা হলেন সাদুল্যাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মনোয়ারুল হাসান জীম মন্ডল এবং ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সাদেক। জীম মন্ডল জানান, গত বুধবার রাত পৌনে ১২টায় তাদের একটি মাইক্রোবাসে করে সৈয়দপুর শহরে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তারা বাড়িতে ফেরেন। তবে এই ১০ দিন তারা কোথায় ছিলেন বা কারা তাদের আটকে রেখেছিল তা বলতে রাজি হননি। উল্লেখ্য, ৯ জানুয়ারি রাত ১১টায় জীম ও সাদেক মোটরসাইকেলে করে সাদুল্যাপুর থেকে লালবাজার হয়ে নলডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম নয়নের কাছে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন।
অপরদিকে সাদুল্যাপুর থেকে উধাও হওয়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবদলের ৪ নেতার মধ্যে ২ নেতার সন্ধান মিললেও নিখোঁজ অপর দুই নেতা নলডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা স¤পাদক মাইদুল ইসলাম প্রিন্স ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সাধারণ স¤পাদক শফিউল ইসলাম শাপলার এখনও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১০ জানুয়ারি সকালে সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গার রেলগেট কাচারী বাজার এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

মুশফিক, কায়েসকে ছাড়াই শেষ টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ

প্রথম টেস্টে ব্যক্তিগত সংগ্রহ ১৫৯ রান। দলের ৫৯৫ রানের প্রথম ইনিংসে তা ছিল দারুণ যোগ। সেখানে পরের টেস্ট ম্যাচে?

কিছুই দিতে পারছেন না মুশফিকুর রহিম। কারণ বুড়ো আঙ্গুলের আঘাতের কারণে অধিনায়কই যে নামতে পারছেন না মাঠে।

ক্রাইস্টচার্চে তাকে ছাড়াই শুক্রবার মাঠে নামবে বাংলাদেশ টেস্ট দল। আর দ্বিতীয় টেস্টে নেতৃত্ব দেবেন তামিম ইকবাল।

২০০৭ সালের পর এই প্রথম মুশফিককে ছাড়াই টেস্টে ব্যাটিং করতে নামবে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন ধরে মিডল অর্ডারে নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলে আসা

অন্যদিকে ইমরুল কায়েসের অভাবও ভালই অনুভব করতে হবে বাংলাদেশকে। তামিম ইকবালের সঙ্গে ইমরুলের জুটি বাংলাদেশের সেরা উদ্বোধনী জুটি বলে মনে করা হয়। সেখানে ইমরুলে বদলে ওপেনিং-এ প্রথম ব্যাট হাতে দেখা যাবে সৌম্য সরকারকে ।

ওপেনার কাম বদলি উইকেট কিপার ইমরুল কায়েস প্রথম টেস্টে রান নেয়ার সময় উইকেট বাঁচাতে গিয়ে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে গেলে আর উঠে দাঁড়াতেই পারেন নি। পরে স্ট্রেচারে করে ফেরত যেতে হয় মাঠের বাইরে।

মুশফিক নেই। তার বদলে উইকেট আগলানোর দায়িত্ব পড়ে যার হাতে সেই ইমরুল কায়েসও নেই। তাহলে উইকেটে কে থাকবেন?
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২য় টেস্টে উইকেটকীপার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে নুরুল হাসান সোহানের।

ওয়ানডে সিরিজ এবং টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার পর ওয়েলিংটনে প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে বিশাল সংগ্রহ গড়ে আশা জাগিয়েছিল সফরকারীরা। তবে শেষপর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্টে পরাজয়ই মেনে নিতে হয়। কারণ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটসম্যানরা দাড়াতে না পারায় ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

এই সফরে এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি বাংলাদেশ। আর শেষ টেস্টে সফরকারীরা মাঠে নামছে ইনজুরি আক্রান্ত একটি দল নিয়ে

আইন-আদালত
আর্ন্তাজাতিক
তথ্যপ্রযুক্তি

জামিন পেলেন কল্যাণ কোরাইয়া

গাড়ির ধাক্কায় আলোকচিত্রী জিয়া ইসলাম আহত হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার অভিনেতা কল্যাণ কোরাইয়াকে অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম  সোমবার আসামিপক্ষের আবেদনের শুনানি করে কল্যা।ণের জামিন মঞ্জুর করেন।

বাদীপক্ষের অন্যিতম আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় রনি জানান, দুই হাজার টাকা মুচলেকায় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন অর্থাৎ অভিযোগপত্র অথবা চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল পর্যন্ত জামিনে থাকতে পারবেন কল্যারণ কোরাইয়া। বাদীপক্ষের অপর আইনজীবী প্রশান্ত কর্মকার  জানান, আসামিকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যুক্ত করে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার এস আই ওমর ফারুক খান সোমবার আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন। সেখানে তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্যও মিলেছে, যা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। তারপরও এ মামলার সবগুলো ধারাই জামিনযোগ্য বলে বিচারক আসামিকে জামিন দিয়েছেন বলে জানান প্রশান্ত। গত ৯ জানুয়ারি মধ্যরাতে রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটির সামনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় আহত হন মোটর সাইকেলে থাকা জিয়া। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কল্যাইণও সেখানে গিয়েছিলেন। পরদিন সন্ধ্যালয় এই অভিনেতা ফেইসবুকে ‘আই এম ইনোসেন্ট’ লিখে স্ট্যায়টাস দিলে তা অনেকের নজরে পড়ে।

পুলিশও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  তাকে থানায় ডেকে নেয়। এরই মধ্যেয প্রথম আলোর নিরাপত্তা ব্য্বস্থাপক অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাজ্জাদুল কবির কলাবাগান থানায় কল্যানণের নামে মামলা করেন। রাতেই কল্যানণকে গ্রেপ্তার করার কথা জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণকে আদালতে তোলা হলে রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয় আদালত। পরে গত রোববার কল্যাণের পক্ষে তার নতুন আইনজীবী ফারুক মিয়া জামিনের আবেদন করলেও সেদিন জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত পুলিশ প্রতিবেদন আদালতে না আসায় এবং আসামির আগের আইনজীবীর অনুমতি না নিয়ে নতুন আইনজীবী আবেদন করায় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন।

শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
ধর্ম
সাহিত্য
লাইফস্টাইল
স্বাস্থ্য