বগুড়া বুধবার | ১৪ শ্রাবণ ১৪২২ | ১২ শওয়াল ১৪৩৬ হিজরি | ২৯ জুলাই ২০১৫
ব্রেকিং নিউজ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
এই সংখ্যার পাঠক
১৪৮৮৭২
সার্চ
জেলা প্রশাসকদের সৃজনশীল হওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
করতোয়া ডেস্ক :
একুশটি বিষয়ে বিশেষ নজর রাখার তাগিদ দিয়ে 'পুরনো ধ্যান-ধারণা বদলে' জেলা প্রশাসকদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল মঙ্গলবার তিন দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, রুটিন কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রতিটি জেলায় কি ধরনের নতুন কাজ হাতে নেওয়া যায়, যা ওই... বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল তার কার্যালয়ে তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন -ফোকাস বাংলা
নির্বাচিত সংবাদ
ঈদের দশদিন পার হলেও কমেনি পাবনা-ঢাকা রুটের বাস ভাড়া
ঈদের দশদিন পরও স্বাভাবিক হয়নি পাবনা-ঢাকা রুটের বাস ভাড়া। এখনও লাগামহীনভাবে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছে বাস মালিকরা। যাত্রীদের অভিযোগ, বাস কাউন্টারগুলোতে টিকেট কিনতে গেলে একেকজনের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে একেক রকম ভাড়া। কখনও দ্বিগুন ভাড়া নেয়া হচ্ছে। এতে করে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। আর বাস মালিকপক্ষ বলছেন, ঈদের কারণে যাত্রীদের চাপ থাকলেও মালিক সমিতির নির্ধারিত মূল্যই নিচ্ছেন তারা। ঢাকা যাচ্ছেন এমন কয়েকজন যাত্রীর সাথে আলাপকালে তারা জানান, প্রথমদিকে যাত্রীদের প্রচন্ড চাপ আর অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকে সিদ্ধান্ত নেন কিছুৃদিন পর যাবার। কিন্তু ঈদের ১০ দিন পার হলেও সে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এখনও বাস কাউন্টারগুলোতে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ থাকায় ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বেশি। সাধারণত পাবনা থেকে ঢাকার ভাড়া ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা। কিন্তু ঈদের পর থেকে ৫শ থেকে ৬শ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। আবার দ্বিগুন ভাড়াও নেয়া হচ্ছে কারো কারো কাছ থেকে। অনেকে বেশি দামেও টিকেট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের যে নাজুক অবস্থা তাতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দাঁড়ানোর পরিবেশ নেই। অসংখ্য গর্তে ভরা টার্মিনাল এলাকা। বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে যায়। বিশুদ্ধ পানি ও টয়লেটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাও নেই। যাত্রীদের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাননি পাবনা এক্সপ্রেস কাউন্টারের টিকেট মাস্টার শিমুল। শ্যামলী পরিবহণ কাউন্টারের টিকেট মাস্টার মোস্তফা জামান সুইট বলেন, পাবনা থেকে ঢাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৪২০ টাকা। অন্য সময়ে নেয়া হয় ৩২০ টাকা। এটা মালিক সমিতিরই নির্দেশ। বেশি নেয়া হয় না, মালিক সমিতির নির্ধারিত চার্ট অনুযায়ী ভাড়া নিচ্ছি। কিংস ট্রাভেলস কাউন্টারের টিকেট মাস্টার ওয়াহেদুজ্জামান রফিক বলেন, দ্বিগুণ ভাড়া নেয়ার অভিযোগ সত্য নয়। ৬শ বা ৭শ টাকা ভাড়া আমরা নিচ্ছি না। আমরা ৪২০ টাকা বাড়া নিচ্ছি। ঈদের পর ঢাকা থেকে খালি গাড়ি আসে সেজন্য সামান্য কিছু ভাড়া বৃদ্ধি হয়। পাবনা জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি ফিরোজ খান বলেন, ভাড়া বেশি নেয়ার অভিযোগ আমাদের কাছে নেই। তবে অন্যান্য সময়ে ২০-৫০ টাকা কম নিলেও এখন সেটা নেয়া হচ্ছে না। সরকার নির্ধারিত চার্ট অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। কোনো মালিক যাতে বেশি ভাড়া না নেন সে বিষয়েও আমরা সতর্ক আছি।
যুবলীগকে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে এমপি হাবিবর রহমান
বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ হাবিবর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দেশব্যাপী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত আছে। বর্তমান সরকারের এ সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত করতে একটি কুচক্রী মহল দেশে জঙ্গিবাদ কায়েম করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। যুবলীগকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওই সকল জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোনাহাটা কেয়ামতউল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সম্মেলনে প্রথম অধিবেশনের উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ভিপি শেখ মতিউর রহমান। ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মিলনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি টিআইএম নূরুন্নবী তারিক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন, সহসভাপতি প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল সনি, জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল হক, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা রিপন। সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বনি আমিন মিন্টু। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আলিম আল রাজি বুলেট, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক গোলাম মুহিত চাঁন প্রমুখ।
ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
বৈরী আবহাওয়ায়, প্রবল বাতাস আর প্রচন্ড বৃষ্টির কারনে ফরিদপুরের ন্মিমাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। টানা ৭/৮ দিনের নাকাল আবহাওয়ায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও কৃষকরা মুখ থুবড়ে পড়ছে। প্রচন্ড বাতাস আর বৃষ্টির কারণে কৃষক মাঠে নামতেই পারছে না। পাট কাটতে না পারায় পাটের গোড়া পঁচন ধরছে এরই মধ্যে। জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায় একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে সদরপুর, চরভদ্রাসন, ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় ন্মিমাঞ্চলের অবস্থা বেশী নাজুক। সালথার গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাপ, দিয়াপাড়া, আগুলদিয়া, ফুকরা, বালিয়া-গট্টি, ভাবুকদিয়া, নারানদিয়া, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের আজলপুট্টি, নওপাড়া, বারখাদিয়া, মুরটিয়া, রামকান্তপুর ইউনিয়নের খলিশাডুবি, মদনদিয়াসহ বেশ কিছু গ্রামে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও বৈরি আবহাওয়ায় প্রচন্ড বৃষ্টি আর প্রবল বাতাসের কারণে কৃষকরা থমকে পড়েছে। কাজ ছেড়ে বাড়িতে অবস্থান করছে বেশির ভাগ কৃষক। গতকাল মঙ্গলবার সকালে দেখা যায়, আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে থাকায় সারা মাঠজুড়ে কৃষকরা কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণরাও তাদের প্রয়োজনীয় কাজে অফিস আদালত ও হাটবাজারে যাচ্ছে।
রংপুরের কন্ঠশিল্পী তোতার জীবন সংকটাপন্ন
একসময়ের বাংলাদেশ বেতার ও বিভিন্ন স্টেজ শো-এর দাপুটে কন্ঠশিল্পী রংপুরের আবু লায়েক খান তোতার জীবন আজ অত্যন্ত সংকটাপন্ন। যার কন্ঠে আধুনিক গান শুনে মানুষ মুগ্ধ হতো, সেই মানুষটির কন্ঠ আজ কান্নায় ভারী হয়ে আসছে। জীবনের শেষ বেলায় পঙ্গুত্ববরণ করে নীরবে কেঁদে সময় পার করছেন। এই সংকটাপন্ন শিল্পী রংপুরের অতি পরিচিত মুখ, একসময় ব্যস্ত সময় পার করেছেন বিভিন্ন স্টেজ শো আর বাংলাদেশ বেতারে গান গেয়ে। জয় করেছেন মানুষের হৃদয়। এখন আর ব্যস্ততা নেই, অগাধ সময়, কিছু করার নেই, শুধু চেয়ে থাকা ছাড়া। আধুনিক গানের কন্ঠশিল্পী আবু লায়েক খান তোতা ১৯৫১ সালে রংপুর নগরীর চাউল আমোদ পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ডাঃ আজাহার আলী খান। আবু লায়েক খান তোতা ছাত্র অবস্থায় বাংলাদেশ বেতারের আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। লেখাপড়া শেষ করে তিনি ১৯৮৩ সালে সৌদি আরবে যেয়ে চাকরি করেন। ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরে আসেন। দেশে এসে নতুন করে শুরু করেন বিভিন্ন স্টেজে গান গাওয়া। তিনি নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসাকালীন সময়ে ধরা পড়ে পায়ে ইনফেকশন। আর এই ইনফেকশনের কারণে পর্যায়ক্রমে পায়ের আঙ্গুল এবং পায়ের হাঁটুর উপর থেকে একেবারে কেটে ফেলা হয়। এখন তিনি চলাফেরা করতে পারছেন না। তার প্রতিদিন গড়ে ওষুধের পিছনে দেড় হাজার টাকা লাগে। এত টাকা খরচ করার সামর্থ্য নেই তার। তোতা জানান, তিনি সুস্থ হয়ে আবার কন্ঠে গান করতে চান। এজন্য সমাজের বিত্তবান ও বন্ধু-বান্ধবের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন। আর্থিক সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে হবে আবু লায়েক খান তোতা ০১৭১১১৭৫০০৫ ও ০১৭২১২১৬১৩৬।
দৃঢ়তা ও একাগ্রতাই যে কোনো শিক্ষার্থীকে তার মূল লক্ষ্যে পেঁৗছাতে সাহায্য করে
বগুড়া করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গতকাল মঙ্গলবার কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রেহেনা আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৌফিক আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এ কে এম জাহিদুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ আঞ্জুমান আরা বেগম, প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, আব্দুর রশিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি গোপাল চন্দ্র সরকার তার বক্তব্যে বলেন, দারিদ্রতা শিক্ষার অন্যতম বাধা নয়, দৃঢ়তা ও একাগ্রতা যে কোনো ছাত্রছাত্রীকে তার মূল লক্ষ্যে পেঁৗছাতে সাহায্য করে। উচ্চ মাধ্যমিকের এই স্তরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে মূল লক্ষ্যে পেঁৗছাতে হবে। বিশেষ অতিথি তৌফিক আজিজ তার বক্তব্যে বলেন, ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সকলের সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে ভালো ফলাফল করা সম্ভব। শিক্ষকদের উচিত ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিকভাবে শিক্ষা দান করা। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদানে সকল সুযোগ এই প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান। যার ফলে সঠিকভাবে বর্তমান যুগপোযোগী শিক্ষা দান করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রেহেনা আরিফ ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সকল নিয়মকানুন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মেনে চলার আহবান জানায়। কলেজের প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে নবাগত শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে বক্তব্য রাখে আরেফিন আহম্মেদ, খালিদ হোসেন, জাকিয়া আফরিন, আশিক শেখ, জান্নাতুল ফেরদৌস। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রভাষক আবু মুসা।
বগুড়ায় আদালতের সামনের রাস্তার গতিরোধকে ছিট্কে পড়ছে যাত্রী
বগুড়া পৌরসভা আদালতের সামনে কোর্ট হাউস ষ্ট্রিটে যে গতিরোধক নির্মাণ করেছে তার ওপর দিয়ে রিক্সা বা অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে যাত্রীরা রাস্তার উপরে ছিট্কে পড়ছে। কোন নীতিমালা অনুসরণ না করে গতিরোধক বা \'ট্রাম্বল ষ্ট্রিপ\'গুলো নির্মাণ করা হয়েছে। \'ট্রাম্বল ষ্ট্রিপ\' করার সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে কোন পরামর্শ ছাড়াই নিয়ম বহির্ভুত ভাবে আদালতের সামনের ব্যস্ত রাস্তায় \'ট্রাম্বল ষ্ট্রিপ\' স্থাপন করায় জলেশ্বরীতলা ব্যবসায়ী সমিতি প্রতিবাদ জানিয়েছে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ আলী বাবু জানান তিনি নিজে পৌরসভার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন। তাতে কর্ণপাত করেনি পৌরসভা। অথচ এই অপরিনামদর্শী গতিরোধকের কারণে রিক্সাসহ খোলা যানবাহন থেকে যাত্রীরা শুধু ছিটকেই পড়ছে না, ব্যস্ত এ সড়কে ভয়াবহ যানজটেরও সৃষ্টি করছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম আরও জানান, \'ট্রাম্বল ষ্ট্রিপ\' এর উচ্চতা ১৫ মিলিমিটার এবং চওড়া ১২০ মিলিমিটার। সংখ্যায় থাকবে ৫ টি । বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান তিনিও এটি নির্মাণের বিরুদ্ধে পৌরভার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন।
'মাছে-ভাতে বাঙালি'র ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে খুব বেশিদিন সময় লাগবে না
জাতির স্বাবলম্বিতার জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি আর পরিশ্রম। এই তিনটির সমন্বয় করা গেলে সক্ষমতা আসবে, সাফল্য আসবেই। তার বড় প্রমাণ আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ক্ষুদ্র শক্তি নিয়েই এই তিনের সমন্বয় ঘটিয়ে পরাশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে। শুধু তাই নয় কৃষিতে উৎপাদন বাড়িয়েছে। মাতৃও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ রিজার্ভ করে আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। সঠিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে এসব কাজ সফলভাবে বাস্তবায়ন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। বাংলাদেশ এখন বিদেশের কাছে একটা রোল মডেল। তিনি বলেন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে দেশে মাছেরও উৎপাদন বেড়েছে। তাই \'মাছে-ভাতে বাঙালি\'র ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে খুববেশিদিন সময় লাগবে না। গতকাল তিনি বগুড়ায় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। স্থানীয় পরিষদ মিলনায়তনে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রওশন আরা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আব্দুর রউফ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ডভিশন বাংলাদেশ\'র বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত এডিপি ম্যানেজার জুয়েল হাজ্জাত। উপস্থাপনায় ছিলেন মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এরপর পুলিশ লাইন্স\'র পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এ সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবর্গ ছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়ফুজ্জামান ফারুকী, আব্দুল জলিল ও মনিরা সুলতানা, সহকারী পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান ও মোঃ সরফরাজসহ অন্যান্য পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তা। দিনের কর্মসূচির সূচনায় সকালে কালেক্টরেট ভবন থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদে এসে শেষ হয়। এসব কর্মসূচিতে ওয়ার্ল্ডভিশন, টিএমএসএসসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবর্গ, মৎস্য চাষি, হ্যাচারি ও খামার মালিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষেরা অংশ নেন।
চট্টগ্রামে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ, গ্রেফতার ৬
পরিচিত বিত্তশালীদের তালিকা তৈরি করত দালালরা। তালিকাভুক্তদের মেয়েদের মাধ্যমে ফোন করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদেরকে একটি বাসায় নিয়ে আসত চক্রটি। এরপর হাত-পা বেঁধে চালানো হতো নির্যাতন এবং করা হতো সুন্দরী মেয়েদের সঙ্গে ফটোসেশন। মুক্তিপণ হিসেবে পরিবারের কাছে দাবি করা হতো মোটা অংকের টাকা। টাকা দিলে অপহৃতদের ছেড়ে দেওয়া হতো এবং ঘটনা জানাজানি হলে ওই ছবি অনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হতো ভুক্তভোগীদের। অপহরণের এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গ্রেফতার হওয়া অপহরণকারী চক্রের ছয় সদস্যের কাছ থেকে। নগর গোয়েন্দা পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে পাঁচলাইশ থানার বেবি সুপার মার্কেট এলাকার একটি বাসা থেকে ছয় অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, অপহরণ চক্রের প্রধান চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার বাগপুর বেপারি বাড়ীর মৃত দুদু মিয়ার ছেলে মো. শাহাবুদ্দিন ওরফে বাচ্চু (৪৫), শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী শেলি আক্তার (৩৪), লোহাগাড়া আজিজ নগর এলাকার শুক্কুর আলমের মেয়ে শারমিন আক্তার প্রিয়া (২২), কক্সবাজার জেলা পেকুয়া উপজেলার শিলখালী এলাকার মৃত সেকান্দর মাস্টারের ছেলে মো. সেলিম (৪৮), চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার পশ্চিম পটিয়া এলাকার বিএ সোলায়মানের বাড়ীর মৃত নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. ওসমান (৩৪) ও সাতকানিয়া থানার ধর্মপুর চৌধুরী বাড়ি এলাকার জসীম উদ্দিনের ছেলে মিনহাজ উদ্দিন এনাম (২৯)। তারা সবাই পাঁচলাইশ থানার বেবি সুপার মার্কেট সালাম পাড়া আদর্শ ভিলায় শাহাবুদ্দিনের বাসায় থাকত। এসময় শাহাবুদ্দিনের বাসা থেকে হাত-পা বাধা অবস্থায় আঁখি আক্তার নামে এক পোশাক শ্রমিকসহ সাতজন মেয়ে ও বিত্তশালীদের একটি তালিকা উদ্ধার করা হয়। নগর গোয়েন্দো পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, \'পরিচিত বিত্তশালীদের টার্গেট করে সুন্দরী মেয়েদের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে জোরপূর্বক মুক্তিপণ আদায় করত চক্রটি। বিভক্ত হয়ে চক্রটি নগরীর বিভিন্ন জায়গায় এ ধরণের কর্মকান্ড চালাতো। এদের কাছ থেকে রক্ষা পেয়ে ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও অনেকে চক্ষু লজ্জ্বায় করেনি। এ ধরণের অপহরণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তে নামে।\' এডিসি তানভীর বলেন, \'গোয়েন্দা পুলিশের এক এসআইকে দিয়ে চক্রটির সদস্য শারমিনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলানো হয়। ফাঁদে ফেলে ওই এসআই এর সঙ্গে দেখা করতে আসলে পুলিশ শারমিন আক্তারকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাসে সে বিভিন্ন সময়ে অপহরণের ঘটনা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে মূলহোতা শাহাবুদ্দিনসহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় বিত্তশালীদের একটি তালিকা ও সাতজন মেয়েকে উদ্ধার করা হয়।\' শাহাবুদ্দিনের বাসায় পুরুষদের আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো এবং ফোন করত শারমিন। আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হতো এবং মুক্তিপণ দিলে আটককৃতদের ছেড়ে দিত তারা। এ চক্রের সঙ্গে ১৫-১৬ জন সদস্য নগরীর বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় আছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এডিসি তানভীর। তিনি বলেন, \'উদ্ধারকৃতদের মধ্যে আঁখি আক্তারকে গত দুই মাস আগে ইপিজেড এলাকা থেকে চক্রটি অপহরণ করে। তাকে বাধ্য করে তারা এসব কাজে ব্যবহার করত। আঁখি এ ঘটনায় অপহরণ ও নারী নির্যাতন আইনে দুইটি মামলা দায়ের করেছে।\' মায়ের সঙ্গে নগরীর অলংকার মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো শারমিন। এক বছর আগে ওই এলাকায় ?আনোয়ার রাজু নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় তার। চাকরি দেওয়ার কথা বলে রাজু শারমিনকে এ পেশায় নিয়ে এসেছে বলে দাবি করেছে শারমিন। গ্রেফতার হওয়া শারমিন আক্তার বলেন, \'আনোয়ার রাজু ভালো চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে এ পেশায় নিয়ে আসে। পরে এ পেশা থেকে বের হতে চেষ্টা করলেও রাজুর হুমকির কারণে পারিনি। এছাড়া পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে এ চক্রে থাকতে হয়েছে।\' গত এক বছরে প্রায় ১৫ জনকে আটকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছে জানিয়ে শারমিন বলেন, \'আমি ছাড়াও অনেক মেয়ে আমাদের এ চক্রে কাজ করে। গত এক বছরে আমার মাধ্যমে ১৫ জনের কাছ থেকে তারা টাকা আদায় করেছে। আমাকে প্রতিজনে ৫ হাজার টাকা দিতো।\' অপহরণের মূলহোতা শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় হত্যা মামলা রয়েছে বলে জানান এডিসি তানভীর। গ্রেফতারকৃতদের নগরীর বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত চারটি মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসকদের সৃজনশীল হওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
একুশটি বিষয়ে বিশেষ নজর রাখার তাগিদ দিয়ে \'পুরনো ধ্যান-ধারণা বদলে\' জেলা প্রশাসকদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল মঙ্গলবার তিন দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, রুটিন কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রতিটি জেলায় কি ধরনের নতুন কাজ হাতে নেওয়া যায়, যা ওই জেলার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে, সেই ধরনের নতুন নতুন পন্থা আবিষ্কার করা, কৌশল নির্ধারণ করা এবং বাস্তবায়ন করার দিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। সরকারের নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকরা যে জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে, সে কথাও তাদের মনে করিয়ে দেন শেখ হাসিনা। দেশের সব জেলার প্রশাসকদের নিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারকদের তিন দিনের এই সম্মেলনের উদ্বোধন হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে। জেলা প্রশাসকরা ছাড়াও মন্ত্রী পরিষদের সদস্য এবং প্রশাসনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঔপনিবেশিক আমলে জেলা প্রশাসনের জন্ম হলেও বর্তমানে কালের বিবর্তনে আজ সবকিছুরই পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে কীভাবে এই দেশ পরিচালনা করব, উন্নত করব এবং এগিয়ে নিয়ে যাবো সেটাই হচ্ছে বিবেচ্য বিষয়। কাজেই পুরনো ধ্যান-ধারণা পরিবর্তন করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, একটি জেলার সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে জেলা প্রশাসনের কর্মীদের ওপর। ভূমি ব্যবস্থাপনা, নির্বাচন পরিচালনা, ভেজালবিরোধী অভিযান, পরিবেশের সুরক্ষা, বৃক্ষ নিধন ও পাহাড় কর্তন রোধ, পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি কর্মসূচির বাস্তবায়নের মত কাজগুলো তাদের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়। তবে এসব \'রুটিন কাজের\' পাশাপাশি জেলা প্রশাসকদের সৃজনশীল হওয়ার তাগিদ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, একেক অঞ্চলের একেকরকম বিশেষত্ব রয়েছে। যেমন একেক জেলায় একেক জিনিস উৎপাদন, মানুষের ও জীবনযাত্রার মধ্যে ভিন্নতা দেখা যায়। এক্ষেত্রে কোন এলাকার মানুষের কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, বা কোন এলাকায় কোন ধরনের পণ্য উৎপাদন হতে পারে, কোন এলাকার জন্য কী পদক্ষেপ নিলে সে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নত হতে পারে সে ধরনের বিশেষ দিকগুলো একটু খুঁজে বের করা। সব ভয়-ভীতি ও প্রলোভনের ঊধর্ে্ব থেকে আইনের আওতায় দায়িত্ব পালন করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাষ্ট্র তথা জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণই হবে আপনাদের মূল লক্ষ্য। সেবার মনোভাব নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকলে আপনাদের পক্ষে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব হবে। ডিসিদের মানুষের প্রতি দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এদেশের খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষ; তাদের অর্জিত অর্থই কিন্তু আপনাদের বেতন-ভাতা, বা আমরা যে যা কিছু ভোগ করি.. এটা কিন্তু তাদেরই অবদান। তাই তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করা এবং উন্নত জীবন দেওয়া, এটা কিন্তু সকলের কর্তব্য। চলতি বছরের শুরুতে রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে নাশকতা দমনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক সমস্যা থেকে মনুষ্যসৃষ্ট সমস্যা আরও কঠিন ছিল। সেগুলো আপনারা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছেন। আপনারা সক্রিয় ছিলেন বলেই এ ধরনের অবস্থা থেকে আমরা উত্তরণ ঘটাতে পেরেছি। ভবিষ্যতে যাতে \'এ ধরনের কাজ\' কেউ করতে না পারে সে বিষয়েও সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি। শেখ হাসিনা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ অবকাঠামো, তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নের তথ্য-উপাত্ত ডিসিদের সামনে তুলে ধরেন। সাক্ষরতার হার বাড়ানো, স্কুলে ঝড়ে পড়া রোধ করা এবং দুস্থদের আবাসনের ব্যবস্থা করতেও ডিসিদের নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই দেশে একটা মানুষও নিরক্ষর থাকবে না। কোনও জেলায় একটা মানুষও যেন গৃহহীন না থাকে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। লক্ষ্যমাত্রার আগেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার প্রত্যয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের আগে যেন মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে পারি সে লক্ষ্য নিয়েই সকলকে আরও দ্রুত কাজ করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে \'আরও কঠোর ব্যবস্থা\' নিতে এবং সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতেও ডিসিদের নির্দেশ দেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের ২১টি বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেন। সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করা; নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পাচার; মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার; যৌতুক, ইভটিজিং এবং বাল্যবিবাহ রোধ করা; প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ; গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন; সম্ভাবনাময় স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশের মতো বিষয় এতে রয়েছে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশে সহায়তা করা; তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করা; নারীশিক্ষার হার বৃদ্ধি; ছাত্র-ছাত্রীদের ঝরে পড়ার হার কমানো এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও প্রধানমন্ত্রী বলেন। তিনি বলেন, ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সরকারি ভূমি রক্ষায় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কৃষি-উৎপাদন বৃদ্ধিতে সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জ্বালানির সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। ভেজাল খাদ্য বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি; পরিবেশ রক্ষার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধানের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা; প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশমনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন এবং এ সংক্রান্ত স্থায়ী নির্দেশনা অনুসারে \'সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ\' নিতে বলেন সরকারপ্রধান। সাধারণ মানুষ যাতে সহজে সুবিচার পায় এবং আদালতে মামলা জট কমে, সেজন্য গ্রাম আদালতগুলোকে কার্যকর করা; জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কমিটির প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব পালন; এসব কমিটিকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করা এবং জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও সামপ্রদায়িকতা দূর করতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। শিল্পাঞ্চলে শান্তি রক্ষা; পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি নির্বিঘ্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ; ভোক্তা অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টির \'যে কোনো অপচেষ্টা\' কঠোর হাতে দমন; নারী উন্নয়ন নীতি দৃঢ়ভাবে অনুসরণ ও বাস্তবায়নেরও নির্দেশনা দেন তিনি। শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনোদন ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কর্মকা ের সুযোগ নিশ্চিত করা; মাদক চোরাচালান ও এর অপব্যবহার বন্ধ করা এবং পার্বত্য জেলাগুলোর ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, বনাঞ্চল, নদী-জলাশয়, প্রাণিসম্পদ এবং গিরিশৃঙ্গগুলোর সৌন্দর্য সংরক্ষণ করারও নির্দেশনা দেওয়া হয় জেলা প্রশাসকদের। অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগ এবং কুষ্টিয়া, পঞ্চগড় ও নারায়ণগঞ্জ জেলাকে \'ডিজিটাল সেবা\' পুরস্কার দেওয়া হয়। রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার ও তিন জেলার ডিসি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল কালামের জন্য ভারতজুড়ে শোক
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এপিজে ড. আবদুল কালামের জন্য এখন সারা ভারতজুড়ে চলছে শোক। দীর্ঘদিন পর ঘরে ফিরছেন ঘরের ছেলে ড. এপিজে আবদুল কালাম। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আবদুল কালাম তার জন্মস্থান তামিলনাডুর রামেশ্বরামে শেষ শয্যায় শায়িত হবেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের মরদেহ দিলির ১০ রাজাজি মার্গে তার বাংলোতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার প্রতি সাধারণ জনগণের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্থানীয় সময় বিকেল চারটা নাগাদ বাংলোর দরজা খুলে দেয়া হয়। গত সাত বছর ধরে তিনি এই বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হবে জন্মভূমি রামেশ্বরের মাটিতে। সাবেক রাষ্ট্রপতি সদ্যপ্রয়াত এপিজে আবদুল কালামের স্মরণে নিরবতা পালন করেছে ভারতীয় সংসদ। মঙ্গলবার সংসদের উভয় কক্ষে একযোগে এ নিরবতা পালন করা হয়। মঙ্গলবার আসামের রাজধানী গৌহাটি থেকে তার মৃতদেহ দিলির পালাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাষ্ট্রপতি প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জী। ড. কালামের মৃতদেহের প্রতি আরো শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট হামিদ আনসারি, দিলির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং লে. গভর্নর নাজিব জং। এসময় ভারতের তিন বাহিনীর প্রধান সাবেক প্রেসিডেন্টের মরদেহের প্রতি গার্ড অব অনার দেন। ৮৩ বছরের আবদুল কালাম সোমবার শিলংয়ে এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন । সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বেথেনি হাসপাতালে। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন এই রাষ্ট্রপতি। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি, খ্যাতিমান পরমাণুবিজ্ঞানী আবুল পাকির জয়নাল আবেদিন আবদুল কালামের মৃত্যুতে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক চলছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাতদিনের এই রাষ্ট্রীয় শোকে ভারতজুড়ে রাষ্ট্রীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। এপিজে কালামের মৃত্যুর খবরে দুই দিনের কর্ণাটক সফর সংক্ষিপ্ত করে মঙ্গলবার সকালেই দিলি ফেরেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। আজীবন মানুষকে অনুপ্রাণিত করা এই জ্ঞান সাধকের মৃত্যুতে ভারতজুড়ে শোক নেমে এসেছে। ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্টজনরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছন। সোমবার রাতে কালামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, স্মৃতিতে ভারাক্রান্ত হয়ে আছে আমার মন, তার সঙ্গে কতো অন্তরঙ্গতা ছিল। তার গভীর জ্ঞানে সব সময়ই চমৎকৃত হতাম, তার কাছ থেকে কত কিছু শিখেছি।স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এক ট্যুইটে বলেন, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. আব্দুল কালামের হঠাৎ মৃত্যুতে গভীর দুঃখবোধ করছি। পুরো প্রজন্মকে তিনি অনুপ্রাণিত করেছেন। কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধি বলেছেন, ড. কালাম ছিলেন জনতার প্রেসিডেন্ট। তিনি এমন একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন যিনি ভারতীয় তরুণদের সঙ্গে একাত্ম হতে পারতেন। ছাত্রাবস্থায় বিমান বাহিনীর জঙ্গিবিমানের পাইলট হতে চেয়েছিলেন কালাম। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের এই ছাত্র জঙ্গিবিমানের পাইলট হতে না পারলেও অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে রকেট বিজ্ঞানী হয়েছিলেন। পরে ভারতের মিসাইল গবেষণার পথিকৃৎ হয়ে ডিআরডিও, আইএসআরও ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান পেরিয়ে ১৯৯২ সালে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রধান বিজ্ঞান উপদেষ্টা হন। পোখরানে দুই নিউক্লিয়ার বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণেরও নেতৃত্ব দেন কালাম। পরে ২০০২ সালে ভারতের ১১তম প্রেসিডেন্ট হন। তবে যে ভূমিকার জন্য তাকে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হবে বলে মনে করছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো, তা হল প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভবনকে (ভারতীয় রাষ্ট্রপতির বাসভবন) সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া, যা তাকে জনতার রাষ্ট্রপতি অভিধা এনে দেয়। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরও তিনি সবসময় জনতার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, বিশেষভাবে শিশুদের সঙ্গে। এ কারণেই তিনি জনতার মনে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে মনে করেন অনেকে। \'তুমি যদি সূর্যের মতো আলো ছড়াতে চাও, তাহলে আগে সূর্যের মতো জ্বলো\', এক অনুপ্রেরণাদায়ী বক্তৃতায় এ কথা বলেছিলেন কালাম। ভারতীয় ফাস্টপোস্ট পত্রিকা মঙ্গলবার লিখেছে, কালাম নিশ্চিতভাবেই সূর্য হয়ে জ্বলেছিলেন। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যায় সেই সূর্য অস্ত গেছে। এই সূর্য আর কখনো উদিত হবে না।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত সাকা চৌধুরীর আপিল মামলার রায় আজ
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরীর আপিল মামলা রায় ঘোষণার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এসেছে। আজ বুধবারের কার্যতালিকায় রায়টি ১ নম্বরে রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ কার্যতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ রায় দেবেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। গত ৭ জুলাই যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে আপিল শুনানি শেষ হওয়ায় ২৯ জুলাই রায়ের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। গত ১৬ জুন শুরু হয়ে ১৩ কার্যদিবসে এ আপিল শুনানি শেষ হয়। ৫ থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত তিন কার্যদিবসে সাকা চৌধুরীর পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এসএম শাহজাহান। এর আগে প্রথমে আসামিপক্ষের শুনানিতে ১৬ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের রায়, সাক্ষীদের সাক্ষ্য-জেরা এবং রায় সংক্রান্ত নথিপত্র (পেপারবুক) উপস্থাপন করেন এসএম শাহজাহান। অন্যদিকে গত ৩০ জুন এবং ১ ও ৭ জুলাই তিন কার্যদিবসে রাষ্ট্রপক্ষে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ নিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে আপিল বিভাগে আসা পঞ্চম আপিল মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষিত হতে যাচ্ছে। গত ১৬ জুন সর্বশেষ চূড়ান্ত রায়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সাকা চৌধুরীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদন্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন। একই বছরের ২৯ অক্টোবর খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন তিনি। তবে সর্বোচ্চ সাজা হওয়ায় আপিল করেননি রাষ্ট্রপক্ষ। ট্রাইব্যুনালে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট ২৩টি অভিযোগের মধ্যে ১৭টির পক্ষে সাক্ষী হাজির করেন রাষ্ট্রপক্ষ। এগুলোর মধ্যে মোট ৯টি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালের রায়ে। বাকি আটটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ যে ছয়টি অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করেননি সেগুলো থেকেও সাকা চৌধুরীকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেও সাকা চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালে দেয়া মৃত্যুদন্ড বহাল থাকবে বলে আশাপ্রকাশ করেন।
 
 
 
আবারও নিম্নমানের গম এনে বিপাকে খাদ্য অধিদফতর
আবদুল কালামের মৃত্যু রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও এরশাদের শোক
করতোয়া ডেস্ক :
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাবি্ব মিয়া, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এ এরশাদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
 
৩১ জুলাই মধ্যরাতে ১৬২টি ছিটমহলে জ্বালানো হবে ৬৮টি করে মোমবাতি
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
দু'দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ছিটমহল সমস্যা শেষ হচ্ছে ৩১ জুলাই মধ্যরাতে। এর মধ্য দিয়ে ছিটমহল সমস্যার ইতি ঘটবে। তাই এই দিনটিকে ঘিরে দু'দেশেই চলছে ব্যাপক আয়োজন। দু'দেশের ১৬২টি ছিটমহলেই রাত ১২টায় একইসঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি। ৬৮ বছর পর ছিটমহল... বিস্তারিত
 
মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ সেই শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
মাগুরায় সংঘর্ষ চলাকালে মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর জন্ম নেওয়া কন্যা-শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ওই শিশুর চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক কানিজ হাসিনা বলেন, 'শিশুটির ওজন দুই কেজি। তার অবস্থা স্থিতিশীল। একটি গুলি তার পিঠ... বিস্তারিত
 
 
ভিডিও
রাশিচক্র আজ ঢাকায় আজ বগুড়ায়
 
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে করেন কি?
হ্যাঁ
উত্তর নেই
না
 
 
 
আজকের ভিউ
নামাজের সময়সূচী
ওয়াক্ত
সময়
ফজর
08:50
জোহর
1:15
আছর
05:00
মাগরিব
06:38
এশা
08:30
 
 

সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, শিল্পনগরী বিসিক বগুড়া এবং ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, (আরামবাগ) ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও চকযাদু রোড, বগুড়া হতে প্রকাশিত।
ফোন ৬৩৬৬০,৬৫০৮০, সার্কুলেশন বিভাগঃ ০১৭১৩২২৮৪৬৬, বিজ্ঞাপন বিভাগঃ ৬৩৩৯০, ফ্যাক্সঃ ৬০৪২২। ঢাকা অফিসঃ স্বজন টাওয়ার, ৪ সেগুন বাগিচা। ফোনঃ ৭১৬১৪০৬, ৯৫৬০৬৬৯, ৯৫৬৮৮৪৬, ফ্যাক্সঃ ৯৫৬৮৫২২ E-mail : dkaratoa@yahoo.com . . . .

Powered By: