বগুড়া মঙ্গলবার | ২৩ আষাঢ় ১৪২২ | ১৯ রমজান ১৪৩৬ হিজরি | ৭ জুলাই ২০১৫
ব্রেকিং নিউজ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
এই সংখ্যার পাঠক
১৪০১২০
সার্চ
উভয় দেশের ১৬২টি ছিটমহলে একযোগে জনগণনার কাজ শুরু
করতোয়া ডেস্ক :
৩১ জুলাই মধ্যরাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ১৬২টি ছিটমহল বিনিময়ের অংশ হিসেবে ২০১১ সালের হেডকাউন্টিং গণনার তথ্যকে মূল ভিত্তি ধরে নতুন করে জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে উভয় দেশের ছিটমহলে স্থাপিত 'জয়েন্ট ফিল্ড ক্যাম্প'র মাধ্যমে উভয় দেশের জরিপকারীদের অংশগ্রহণে শুরু হয় এই জনগণনার কাজ। ছিটমহলবাসীরা নির্ধারিত ক্যাম্পে... বিস্তারিত
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অভ্যন্তরে দাসিয়ারছড়া ছিটমহলে যৌথ জরিপ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক খান মোহাম্মদ নুরুল আমিন -করতোয়া
নির্বাচিত সংবাদ
পাল্টে গেছে টিম হোটেলের চিত্র
স্পোর্টস রিপোর্টার : একটা ম্যাচ হার-তাতেই পাল্টে গেছে টিম হোটেলের চিত্র। হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের চোখে-মুখেও আক্ষেপের ছাপ। ব্যাটসম্যানরা আরেকটু দায়িত্ব নিলেই হয়েতো জয় দিয়েই সিরিজ শুরু করা যেত! যেই অধিনায়ক সবসময় ভালো শুরুর কথা বলেন, মোমেন্টাম নিজেদের পক্ষে রাখার কথা বলেন-সেই মাশরাফির মুখখানা মলিন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কিছুক্ষণ আড্ডা দিলেও কিছুটা নির্লিপ্ত থেকেছন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাকী ক্রিকেটারদের মাঝেও লক্ষ্য করা গেছে এমন নির্লিপ্ততা! সকালটা হোটেলে কাটানোর পর ১২টার দিকে অনুশীলনের জন্য মিরপুরের দিকে রওয়ানা হন মুশফিকুর রহিম। তার সঙ্গে ছিলেন জুবায়ের হোসেনও। এর কিছু সময় পরই আলাদা গাড়িতে সাবি্বর রহমানও ছোটেন স্টেডিয়ামের দিকে। এ তিনজনই গতকাল ঐচ্ছিক অনুশীলনে অংশ নেন। নিজের গাড়িতে করে সাকিব আল হাসান বের হয়ে পড়েন সাড়ে ১২টার দিকে। জানা যায়, এই অলরাউন্ডারের গন্তব্য বনানীর নিজ বাসা। আরেক অলরাউন্ডার নাসির হোসেন হোটেল ছেড়ে বের হন প্রয়োজনীয় কাজে। অফস্পিনার সোহাগ গাজীও প্রয়োজনীয় কাজ সারতে বের হয়েছিলেন হোটেল থেকে। তবে, আরাফাত সানিকে দেখা যায় হোটেল লবিতে। হোটেলে একটু নীরব সময় কাটিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। মুস্তাফিজ জানান, সারাদিন হোটেলেই ছিলাম। বিকেলে বের হবো। সাতক্ষীরার একটি সংগঠনের ইফতার পার্টির দাওয়াত আছে, সেখানে যাব (বিকেল পাঁচটার পর সেখানে যাওয়ার কথা তার)। তরুণ ক্রিকেটার সৌম্য সরকারের সময়টা একটু অন্যরকম কেটেছে। বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলন তাকেই সামলাতে হয়। এ সময় প্রথম ম্যাচ ও দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে দলের পরিকল্পনার কথা সাংবাদিকদের জানাতে হয় সৌম্যকেই। শুরুতেই ওয়ানডে নয় কেন? স্পোর্টস রিপোর্টার : পাকিস্তানের বিপক্ষে গত এপ্রিলে পূর্ণাঙ্গ সিরিজটি ২টি টেস্ট দিয়ে শেষ হয়েছিল। এর পর ভারতের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হয়েছিল টেস্ট দিয়ে। সেই হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলমান সিরিজটি ওয়ানডে ম্যাচ দিয়েই শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু তেমনটা ঘটে নি, সিরিজ শুরু হয়েছে টি-২০ ম্যাচ দিয়ে। অনেকেই তাই প্রশ্ন তুলেছেন, সিরিজটি ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে শুরু হলো না কেন? হয়তো বা বাংলাদেশ টোয়েন্টি ম্যাচ ভাল খেলে না কিংবা প্রথম টি-২০ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা সহজ জয় পেয়েছে বলেই উঠছে এমন প্রশ্ন । ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের দুই নাম্বার দলকে হারানোর সপ্তাহ দুই পরেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নেমেছে টাইগাররা। তাই তো স্বাভাবিক ভাবেই সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে ভাল রেজাল্টের প্রত্যাশা ছিল ক্রিকেট ভক্তদের। কিন্তু বাংলাদেশ দল ভক্তদের হতাশ করে ৫২ রানের বড় পরাজয় মেনে নিয়েছে। এমন হারের পর তাই প্রশ্ন উঠেছে, কেন ওয়ানডে দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ শুরু করা হলো না? গতকাল হোটেল সোনারগায়ে পরিচিত সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশের সীমিত ফরম্যাটের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন, এই ব্যাপারে কি বলব, এটা তো আমাদের হাতে নেই। তবে ওয়ানডে দিয়ে সিরিজ শুরু করলে আামাদের জন্য ভাল হতো। ওয়ানডেতে দুই-একটা ম্যাচ ওদের হারিয়ে পরবর্তীতে বাকি ম্যাচগুলোতে ভালভাবে চাপ ফেলা যেত। এখন হয়নি, কিছু তো আর করার নেই। চেষ্টা করব পরের ম্যাচে ফিরে আসার। এদিন প্রাক-ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে তরুণ ক্রিকেটার সৌম্য একই বিষয়ে কথা বলেছেন। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন, যেখান থেকেই সিরিজ শুরু হবে, আমাদের খেলতে হবেই। আমাদের পরিকল্পনা ছিল প্রথম ম্যাচে ভাল খেলে ফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসার, যাতে করে পরবর্তীতে তাদের চাপে ফেলা যায়। এই বিষয়ে তিনি আরও যোগ করেছেন, টি-২০ মানসিক শক্তির খেলা। এটা অনেক কঠিন। গায়ের শক্তির চেয়েও মানসিকতা ঠিক রাখতে হয়। এজন্য টি-২০ যত বেশি খেলা যাবে ততই ভাল। এটা আমরা কম খেলি তাই সমস্যা হচ্ছে। যদিও আমিও মনে করি, আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। আর এই ফরম্যাট, আগে পরে যাই হোক, আমাদের তো খেলতে হবে। তবে ওয়ানডে হলে খারাপ হতো না।
ঝিনাইদহের ইদ্রিস আলী নার্সারি করে স্বাবলম্বী
তিন বছর আগে "গাছ, মাছ, ঘাস-সবে মিলে করি চাষ, গরু যদি থাকে পাশে দুধে-মাছে বার বাস" এ সস্নোগানে ৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে শুরু করেন নার্সারি। মাধ্যমিকের গন্ডি পেরিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের হোসেন আলীর জোয়ার্দারের বেকার ছেলে ইদ্রিস আলী মেহগনি, আম, কাঁঠাল, নারিকেল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা তৈরি শুরু করেন। চারা একটু বড় করে জেলার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি শুরু করেন। সেই থেকে ঘুরে যায় তার ভাগ্যের চাকা। ৫ বিঘা থেকে বর্তমানে ২৫ বিঘা জমিতে নার্সারি করেছেন তিনি। ১০-১২ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। নার্সারি করে জমি কিনে বাড়ি করেছেন। সংসারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা। নার্সারির পাশাপাশি তার রয়েছে ৩টি পুকুরে মাছ চাষ, গরু পালন ও নেপিয়ার ঘাষ চাষ। সরেজমিন লক্ষীপুর গ্রামের সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সবুজ শ্যামল ছায়ার তৃষ্ণা মেটাতে ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব থেকে পরিবেশকে মুক্ত করতে ইদ্রিস আলী বিভিন্ন প্রজাতির গাছের নার্সারি। নার্সারি করে পরিবেশ ও প্রকৃতির অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে তিনি বিভিন্ন বাজারে ও প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করছেন গাছের চারা।প্রথমে ফলদ ও বনজ মিলিয়ে ১০ হাজার চারার বীজ রোপণ করেন। চারাগুলো বড় হলে ভ্যানে করে ৯ হাজার চারা হাটগোপালপুর, মধুপুর, গোয়াপাড়াসহ আশপাশের বাজারে বিক্রি করে খরচ বাদে ৫০ হাজার টাকা লাভ করেন। পরের বছর ১৫ বিঘা জমিতে গাছের বীজ বপন করে তা বড় করে বিক্রি করেন। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে তার নার্সারির পরিধি। বর্তমানে নার্সারিতে গাছের সংখ্যা দেড় লাখ। ইদ্রিস আলী জানান, নার্সারি আমাকে শুধু স্বাবলম্বী করেনি, অনেক পরিশ্রম ও জীবনের সাথে সংগ্রাম করে আজ আমি স্বাবলম্বী হয়েছি। পাশাপাশি আমার দেখাদেখি এ এলাকার আরো অনেকেই নার্সারি করে সংসারে সচ্ছলতা এনেছে, হয়েছে স্বাবলম্বী। আমি ৭ বিঘা জমিতে নেপিয়ার ঘাষের চাষ করেছি। যা প্রতিদিন বিভিন্ন বাজারে গিয়ে বিক্রি করে আসছি। আমার এই নার্সারি আরও বৃহত্তর পরিসরে করার মানসিকতা রয়েছে। সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অথবা কোনো ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ পেলে নার্সারি বড় করতে পারতাম। সেই সাথে এ এলাকার অনেক বেকার যুবকের আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারতাম।
নওগায় ৫ কেজি গাঁজা ও ৭০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার : গ্রেফতার ৩
নওগাঁয় ডিবি পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে আসা ৫ কেজি গাঁজা এবং ৭০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ ঘটনার সাথে জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তফা কামাল, এসআই আনোয়ার হোসেন, নিরঞ্জন কুমার ও এএসআই হেলাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার শেষ রাতে জেলার সদর উপজেলার পাইক পাড়া গ্রামের হাসানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হাসানের স্ত্রী পাভীন (২৮) ও পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার ইসলামপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শহিদুল ইসলামকে (৪৫) ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক করে। অপরদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার রাতে এসআই নিরঞ্জন কুমার, শহিদুল ইসলাম, এএস আই রতন আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে নওগাঁ সদরের হাপানিয়া বাসস্ট্যান্ডের সামনে থেকে পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার ইসলামপুর গ্রামের মৃত আমজাদ মোল্লার ছেলে আলমকে (৪০) ৭০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ আটক করে। এ ব্যাপারে সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
উভয় দেশের ১৬২টি ছিটমহলে একযোগে জনগণনার কাজ শুরু
৩১ জুলাই মধ্যরাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ১৬২টি ছিটমহল বিনিময়ের অংশ হিসেবে ২০১১ সালের হেডকাউন্টিং গণনার তথ্যকে মূল ভিত্তি ধরে নতুন করে জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে উভয় দেশের ছিটমহলে স্থাপিত \'জয়েন্ট ফিল্ড ক্যাম্প\'র মাধ্যমে উভয় দেশের জরিপকারীদের অংশগ্রহণে শুরু হয় এই জনগণনার কাজ। ছিটমহলবাসীরা নির্ধারিত ক্যাম্পে গিয়ে তাদের জনসংখ্যার তথ্য হালনাগাদ করবেন। কেউ মারা গেলে তার নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে এবং ২০১১ সালের হেডকাউন্টিং এর পর যে শিশুর জন্ম হয়েছে ও যে সকল ছিটের বাসিন্দা বাইরে থেকে বিয়ে করে বৌ এনেছে তারা নতুন করে তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হবেন। এসব কাজ করার জন্য প্রতিটি ক্যাম্পে রয়েছেন একজন করে ভারতীয় ও একজন করে বাংলাদেশের গণনাকারী। গণনাকারী দল ছিটমহলে জনসংখ্যা গণনার পাশাপাশি সেখানকার বাসিন্দারা কোন দেশে থাকতে চান তাও জেনে নিচ্ছেন। কেউ দেশ ত্যাগ করতে চাইলে একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে ছবি তোলা হচ্ছে। আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত এই কাজ চলবে। আগামী ২০ জুলাই জনগণনার চূড়ান্ত তালিকা দুই দেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ২০১১ সালের হেডকাউন্টিং বা জনগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ১১১টি ছিটমহলের লোকসংখ্যা ৩৭ হাজার ও ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশী ছিটমহলের লোকসংখ্যা ১৪ হাজার। পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি জানান, পঞ্চগড় জেলার ৩ উপজেলার অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহল রয়েছে ৩৬টি। তবে একাধিক ছোট ছোট ছিটমহলকে একীভূত করে সরকারিভাবে ১২টি ছিটমহল হিসাব করা হচ্ছে। যেমন গারাতি ছিটমহলে ৬টি এবং নাজিরগঞ্জে ১৮টি ছোট ছিট রয়েছে। এগুলোকে একটি করে ছিট ধরা হয়েছে। ২০১১ সালের হেডকাউন্টিং অনুযায়ী পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ৪৮ দশমিক ৩৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এসকল ছিটে জমির পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ১৯০ দশমিক ৭৮ একর। মোট খানার সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৯৮৭ টি। আর লোকসংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৯ জন এবং মহিলা ৯ হাজার ৩৪ জন। এদের মধ্যে মুসলমান ১৭ হাজার ৯৩৮ জন, হিন্দু ১ হাজার ৩৭ জন, খ্রিস্টান ৪১ জন এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ২১ জন। এসব ছিটমহলে ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা ছিল ২৮০টি। গতকাল সোমবার সকালে পঞ্চগড় জেলার ৩৬টি ছিটমহলে একযোগে জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে। ১৮টি ক্যাম্পের মাধ্যমে এই কাজে অংশগ্রহণ করছেন ৫০ জনের যৌথ দল। এর মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় ও ২৫ জন বাংলাদেশী। এ দের মধ্যে ৪২ জন গণনাকারী ও ৮ জন সুপারভাইজার। প্রতিটি উপজেলায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে খোলা হয়েছে জেলা পর্যায়ের কন্ট্রোল রুম। এখান থেকে জেলার সকল ছিটমহলের কার্যক্রম মনিটরিং করা হচ্ছে। গতকাল দুপুরে বোদা উপজেলার পুটিমারী ছিটমহলের মাঠ ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। তিনি জনগণনা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গতকাল দুপুরে সরেজমিন পুটিমারী ছিটমহল ঘুরে দেখা গেছে, গোটা ছিটমহলেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এই ছিটমহলে ৭৮টি পরিবার রয়েছে। জনসংখ্যা ১৭৭ জন। এখানে কাজ করছে একটি দল। দলে ভারতীয় প্রতিনিধি রয়েছেন রুদ্র নারায়ণ দে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের হলদিবাড়ী জেলার মৎস্য সমপ্রসারণ আধিকারিক। আর বাংলাদেশের প্রতিনিধি রয়েছেন বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হক। প্রথম দিনে ৩০টি পরিবারের জনসংখ্যার তথ্য যাচাই-বাছাই করার কথা থাকলেও অনেক বেশি কাজ হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই ছিটমহল থেকে কোন নাগরিক ভারতে যাওয়ার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করেননি বলে জানা গেছে। তবে গারাতি, নাজিরগঞ্জসহ কয়েকটি ছিটমহলের কয়েকটি পরিবার ভারতে যাওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছে বলে জানা গেছে। পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা মুনতাজেরি দিনা বলেন, ২০১১ সালে উভয় দেশের মধ্যে পরিচালিত হেডকাউন্টিং এর তথ্যের সাথে নতুন তথ্য সংযোজন করা হবে। এর মধ্যে যারা নতুন জন্ম নিয়েছে, কেউ বিয়ে করলে অথবা মারা গেলে সেসব তথ্য সংযোজন করা হবে। গারাতি ছিটমহলে ছিটমহলের হেডকাউন্টিং পরিচালনাকারী ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সুপার ভাইজার শ্যামল কুমার দে বলেন, আমরা ২০১১ সালের হেডকাউন্টিং এর তালিকাটি আপডেট করছি। বিশেষ করে বাংলাদেশী বিভিন্ন ছিটমহলের যারা ভারতে গিয়ে বসবাস করতে চান তাদের তালিকাটি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। জেলায় প্রথম দিনের কার্যক্রম নিয়ে জানতে চাওয়া হলে জেলা কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শাহীন রেজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপজেলা থেকে তথ্য পাওয়ার পর তা গণমাধ্যমকে জানানো হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোন তথ্য কন্ট্রোল রুমে আসেনি বলে তিনি জানান। লালমনিরহাট অফিস জানায়, দু\'দেশের অভ্যন্তরে থাকা ১৬২ ছিটমহলে বসবাসকারীদের মধ্যে গতকাল সোমবার থেকে যৌথভাবে জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমে ছিটমহলে বসবাসকারী অধিবাসীরা তাদের নিজস্ব পছন্দমতো \'নাগরিকত্ব পরিবর্তন\' করারও সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি এ জরিপ কার্যক্রমে জনগণনা, জমির বিবরণ নথিভুক্ত করা, ছবি তোলা, কোন দেশের নাগরিকত্ব পেতে ইচ্ছুক এসব বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে ফর্মপূরণসহ অন্যান্য কার্যক্রম। বাংলাদেশ-ভারত দুদেশের সরকারের নির্দিষ্ট জনগণনাকারী প্রতিনিধি দল গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ জনগণনার কাজ একযোগে শুরু করেন। আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও পঞ্চগড় এই ৪ জেলায় অবস্থিত ভারতের ১১১টি ছিটমহলে ভারত থেকে ৬৮ জনের একটি জরিপ প্রতিনিধি দল জরিপ কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে, একই সাথে ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলেও একইভাবে শুরু হয় এ জরিপ কার্যক্রম। সেখানে বাংলাদেশ থেকে ২৭ জনের একটি দল জরিপ কার্যক্রমে রয়েছে। সরজমিনে দেখা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুর ১টায় পাটগ্রাম উপজেলার অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ১১৯ নম্বর বাঁশকাটা ছিটমহলে বাংলাদেশি জরিপকারী সদস্য প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান ও ভারতীয় সদস্য মলয় চক্রবর্তী জনগণনার কাজ করছেন। এসময় দুপুর ২টা পযন্ত ১৩টি পরিবারের সদস্যদের তালিকা হালনাগাদ কালে কোন ব্যক্তি ভারতে যেতে ইচ্ছুক নয় বলে শ্রী মলয় চক্রবর্তী ও মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকর্মীদের জানান। এদিকে দুপুর ২টায় ১৬ নং ভোটবাড়ী ছিটমহলে গিয়ে দেখা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শাসসুল হক ও ভারতীয় প্রতিনিধি দীপক লাহর জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। তারাও ১৫টি পরিবারের তালিকা হালনাগাদ করে। এতেও কোনো ব্যক্তি ভারতে যেতে ইচ্ছুক নয় বলে তারা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেন। তাদেও মতে, বিয়ে সূত্রে তাসলিমা খাতুন (১৮) নামের একজন নারী নতুন করে তালিকায় সংযুক্ত হয়েছেন। এ কার্যক্রম পরিচালনায় ছিটমহলবাসী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জনগণনাকারীদের সহযোগিতা করছেন বলে জানান তারা। এছাড়াও ওই ছিটমহলের সভাপতি জয়নাল মিয়া জানিয়েছেন, কোথাও কোনো সমস্যা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আর ২০ নম্বর ভারতীয় লতামারী ছিটমহলেও লক্ষ্য করা গেছে একই অবস্থা। পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ এবং ভারতের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ এবং ব্যবস্থাপনায় দু\'দেশের অভ্যন্তরে থাকা ১৬২টি ছিটমহলে জনগণনার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশি ৬৮জন ও ভারতীয় ২৭জন জনগণনাকারী মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে ১ জন করে বাংলাদেশি ও ১ জন করে ভারতীয় গণনাকারীর সমন্বয়ে প্রতিটি টিম গঠন করা হয়। এই দুই সদস্যের জনগণনাকারী টিম যৌথভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিটমহলে কাজ শুরু করেন। তবে তাদের সকল কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য ১জন করে ভারতীয় এবং ১জন করে বাংলাদেশি সুপারভাইজার দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে জানা গেছে। এদিকে পাটগ্রাম উপজেলার অভ্যন্তরে থাকা ৫১টি ছিটমহলে দ্বিতীয় দফার জনগণনার কাজে ১৫টি টিম একযোগে কার্যক্রম শুরু করে। একই সঙ্গে হাতীবান্ধা উপজেলার ২টি ছিটমহলে ২টি টিম ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার ২টি ছিটমহলে ৩টি টিম একই সাথে জনগণনার কাজ শুরু করে। তবে এসব জনগণনাকারী প্রত্যেক টিমকে প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য পঞ্চগড় জেলাকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করা হয়েছে। আর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা ও নীলফামারীর ডিমলাকে লালমনিরহাটের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। আবার কুড়িগ্রামের সাথে লালমনিরহাটের সদর উপজেলার ২টি ছিটমহলের জনগণনাকারীদের একিভূত করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় দফার এ কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর-কুতুবুল আলম জানান, ২০১১ সালের জনগণনার তালিকা অনুযায়ী প্রত্যেক ছিটমহলে বসবাসকারী অধিবাসীদের হালনাগাদ শুমারি কাজ শুরু হয়েছে। তবে ২০১১ সালের জনগণনার পর হতে যেসব নতুন শিশুর জন্ম হয়েছে, কেবল মাত্র সেসব শিশুকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর সঙ্গে আরো যুক্ত হচ্ছে, যারা নতুনভাবে বিয়ে সূত্রে বধূ হয়ে এসেছেন। তবে ২০১১ সালের ওই সময়কালে জনগণনার পর যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়বে। জানা গেছে, ছিটমহলবাসীদের পছন্দ মতো এবং নির্দিষ্ট করে কোন দেশের নাগরিকত্ব নিতে চাইলে তা অবশ্যই ফরমে উলেখ করতে বলা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া জনগণনায় প্রধান টার্গেট হচ্ছে কে কোন দেশের নাগরিক হতে চায়। জানা যায়, গতকাল থেকে শুরু হওয়া জনগণনা কার্যক্রম আগামী ১৬ জুলাই শেষ হলে ২০ জুলাই সব তথ্য প্রকাশ করা হবে। সেখানেই জানানো হবে কারা এবং কতজন ভারতে যেতে ইচ্ছুক এবং কতজন বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছুক এবং কারা পূর্বের ঠিকানায় বসবাস করতে ইচ্ছুক,-তাদের সংখ্যা। এ ক্ষেত্রে যারা ঠিকানা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য ট্রাভেলস পাস ইস্যু করা হবে। এসব শেষে আগামী ৩১ শে জুলাই মধ্যরাতে ছিটমহলগুলো বিনিময় কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। ছিটমহলগুলোতে এর আগে ২০১১ সালে ১৫ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ৩ দিনের একটি জনগণনা চালানো হয়েছিল। কিন্তু সে সময় জরিপে অনেক কিছু অর্ন্তভুক্ত করা হয়নি। তাছাড়া সে সময় অনেকে কাজের জন্য ছিটমহলের বাইরে থাকায় তাদের নাম বাদ পড়েছে। তাই এবার পূর্ণাঙ্গ একটি জরিপ সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়টি কার্যকর হবে। ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অভ্যন্তরে দাসিয়ারছড়া ছিটমহলে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ জরিপ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক খাঁন মোহাম্মদ নুরুল আমিন। গতকাল সোমবার দাসিয়ারছড়া ছিটমহলের সভাপতি আলতাফ হোসেনের বাড়ির কেন্দ্রে এ যৌথ জরিপ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসির উদ্দিন মাহমুদ, ছিটমহল বিনিময় সমন্বয়কারী বাংলাদেশ ইউনিটের সভাপতি মইনুল হক, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। উদ্বোধনের পর এ ছিটমহলের ৭টি কেন্দ্রে যৌথ গণনাকারী ২০ সদস্যের প্রত্যেক ইউনিটকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করে এলাকা বন্টন করা হয়। কেন্দ্রগুলো হলো সমন্বয় মধ্যপাড়া আলতাফের বাড়ি, দোলাটারী ইসমাইলের বাড়ি, খড়িয়াটারী নূর-ইসলামের বাড়ি, মোস্তফার মসজিদ, বটতলা মসজিদেরপাড়, হাবিটারী জাবেদের বাড়ি, দেবীরপাঠ সমন্বয় অফিস। যৌথ জরিপকারীদের মধ্যে ভারতের সুপারভাইজার হলেন নিলোদপাল চক্রবর্তী,টি-শেরপা, পি-শেরপা, গণনাকারী যোগেশ চন্দ্র বর্মন, নির্মল চন্দ্র সরকার, কানাই লাল রায়, সুমির বিশ্বাস, এন চক্রবর্তী, প্রশান্ত দেবনাথ, বিজয় কুমার চক্রবর্তী, দিনোনাথ চন্দ্র বর্মন, ফুলবাড়ী উপজেলার সুপারভাইজার হলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রাশেদুল হক, মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এবং গণনাকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাদা খন্দকার,আফরোজা খাতুন, মলি্লক হোসেন, কৃষ্ণচন্দ্র, কামরুজ্জামান, জায়দুল হক, মর্জিনা খাতুন। যৌথ গণনাকারী দলটি ছিটমহলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ২০১১ সালের হেডকাউনটিং এ যাদের নাম জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের নাম ও স্বাক্ষর গ্রহণ করিয়ে নিচ্ছে। তাছাড়াও ১১ সালের পর যারা ছিটমহলে জন্মগ্রহণ করেছেন তাদেরও নাম জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এদের মধ্যে যারা এ ছিটমহল ত্যাগ করে ভারতের অংশে বসবাসকরতে চায় তাদের ছবি ও আবেদন সংগ্রহ করা হবে।
কয়েকজনকে ধরার খবর মন্ত্রীর, জানে না পুলিশ
বর্ষবরণ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যৌন নিপীড়নের ঘটনার কয়েকজনকে \'ধরার\' কথা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসদকে বললেও পুলিশের কথায় তার সমর্থন মেলেনি। ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম গতকাল সোমবার দুপুরে বলেন, \'নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।\' এর কয়েক ঘণ্টা আগে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, \'চিহ্নিত ব্যক্তিদের (ধরার বিষয়ে) আমাদের আইজি সাহেব (পুরস্কারের ) ঘোষণাও দিয়েছেন। কয়েকজনকে আমরা ধরেছি। তাদের আইনের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। দুই-একজন বাকি আছে। তাদেরও ধরব।\' গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের উৎসবের সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকে ভিড়ের মধ্যে একদল যুবক নারীদের ওপর চড়াও হয়। তাতে বাধা দিতে গিয়ে আহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লিটন নন্দীসহ কয়েকজন। সে সময় চার নিপীড়ককে ধরে দুই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশের পক্ষ থেকেও বিষয়টি স্বীকার করা হয়। বর্ষবরণ উৎসবে যৌন নিপীড়নের ঘটনার এই আটজনের ছবি প্রকাশ করে পরিচয় জানতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ বর্ষবরণ উৎসবে যৌন নিপীড়নের ঘটনার এই আটজনের ছবি প্রকাশ করে পরিচয় জানতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ ওই ঘটনায় পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। এক মাসেও কাউকে গ্রেফতার করতে না পেরে ছবি ও ভিডিও দেখে চিহ্নিত আটজনের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য গত ১৭ মে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়। ওই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে- তা উচ্চ আদালতও জানতে চেয়েছিল। এ বিষয়ে রুল পাওয়ার পর গত ১৯ মে পুলিশের মহাপরিদর্শক আদালতে একটি প্রতিবেদন দেন। তবে ওই প্রতিবেদনে কি আছে, তা গণমাধ্যমকে জানানো হয়নি। সোমবার সংসদে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল বলেন, \'ওই ঘটনার পর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে কয়েকজনের ছবি প্রচার করে তাদের দোষী বলা হয়। কিন্তু এদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী এসে আমাদের বলেছে, তারা ঘুরতে গিয়েছিলেন, নিপীড়নে জড়িত নন। আমরাও এর সত্যতা পেয়েছি।\' এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নিপীড়নে জড়িত একজনের সম্পর্কে তথ্য পেয়ে পুলিশ বরিশালে তার বাড়িতেও গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে এক বৃদ্ধকে পাওয়া যায়; গত পাঁচ বছরের মধ্যে তিনি ঢাকায় আসেননি। গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার শেখ নাজমুল আলম বলেন, "পুরস্কার ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত কারও কাছ থেকে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।"
দেশের সমৃদ্ধ কামনায় বগুড়ায় আওয়ামী লীগের আলোচনা ও ইফতার মাহফিল
বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দেশের সমৃদ্ধ কামনা করে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বগুড়া জিলা স্কুল মাঠে ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন। পরে দেশের সমৃদ্ধি কামনা ও নিহত বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়। জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজনুর পরিচালনায় বিরাট ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফ উদ্দিন, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ও জেলা পরিষদ প্রশাসক ডাঃ মকবুল হোসেন। অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুজ্জামান ফারুকী, আরিফুর রহমান মন্ডল ও আব্দুল জলিল। উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রুহুল আমিন বাবলু ,আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল খালেক, এড রেজাউল করিম মন্টু, মকবুল হোসেন মুকুল, টি জামান নিকেতা, প্রদীপ কুমার রায়, এড. আমানুল্লাহ, এড.জাকির হোসেন নবাব, রফি নেওয়াজ খান রবিন, আবু সুফিয়ান সফিক, মাহফুজুল ইসলাম রাজ, বিএমএ সভাপতি মোস্তফা আলম নান্নু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম জুয়েল, বগুড়া থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হাসান ময়না, আলমগীর বাদশা, শাহাদত হোসেন শাহীন, শেখ শামীম, সুলতান মাহমুদ খান রনি, আবু ওবায়দুল হাসান ববি, এ্যাডনিস তালুকদার বাবু, মিজানুর রহমান বকুল, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, এসএম রুহুল মোমিন তারিক, সাজেদুর রহমান শাহীন, আল রাজি জুয়েল, মাশরাফি হিরো, নাইমুর রাজ্জাক তিতাসসহ দলীয় অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
 
 
 
কোকেন মামলার আলামত সংগ্রহ ১০৭ ড্রাম জব্দ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম বন্দরে সানফ্লাওয়ার তেলের নামে আনা ১০৭টি ড্রাম থেকে মামলার আলামত সংগ্রহ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার মো.কামরুজ্জামান। একইসঙ্গে ড্রামগুলো জব্দ করা হয়েছে। সানফ্লাওয়ার তেলের নামে কোকেন আমদানির অভিযোগে গত ৬ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার সিলগালা করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। এর... বিস্তারিত
 
জঙ্গি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে
ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১২শ কেজি বিস্ফোরকসহ গ্রেফতার ৪
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আওয়াল, আলম, শরিফ ও সাইদুল নামের চারজনকে ১২শ' কেজি বিস্ফোরক দ্রব্যসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তবে এসব বিস্ফোরক কেন কী উদ্দেশ্যে তারা মজুদ করেছিল তা আবিষ্কার করতে পারেনি গোয়েন্দারা। তারা জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত কী না সে বিষয়েও গোয়েন্দা... বিস্তারিত
 
সিরিজ হার এড়াতে চায় বাংলাদেশ
স্পোর্টস রিপোর্টার :
দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টুয়েন্টি টুয়েন্টি ম্যাচটি সহজেই জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে প্রোটিয়াসদের সামনে। কিন্তু প্রতিপক্ষ যেন সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারে সেজন্য বদ্ধ পরিকর স্বাগতিক বাংলাদেশ। কারণ দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ হার... বিস্তারিত
 
একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১৭ হাজার ৬৪৭ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করে দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আসফাকুস সালেহীন গতকাল সোমবার বিকালে জানান, িি.িীরপষধংংধফসরংংরড়হ.মড়া.নফ ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দ্বিতীয় মেধা তালিকায় নতুন করে ১০ হ্জার ৭২৬ জন... বিস্তারিত
 
 
 
ভিডিও
রাশিচক্র আজ ঢাকায় আজ বগুড়ায়
 
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে করেন কি?
হ্যাঁ
উত্তর নেই
না
 
 
 
আজকের ভিউ
নামাজের সময়সূচী
ওয়াক্ত
সময়
ফজর
08:50
জোহর
1:15
আছর
05:00
মাগরিব
06:38
এশা
08:30
 
 

সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, শিল্পনগরী বিসিক বগুড়া এবং ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, (আরামবাগ) ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও চকযাদু রোড, বগুড়া হতে প্রকাশিত।
ফোন ৬৩৬৬০,৬৫০৮০, সার্কুলেশন বিভাগঃ ০১৭১৩২২৮৪৬৬, বিজ্ঞাপন বিভাগঃ ৬৩৩৯০, ফ্যাক্সঃ ৬০৪২২। ঢাকা অফিসঃ স্বজন টাওয়ার, ৪ সেগুন বাগিচা। ফোনঃ ৭১৬১৪০৬, ৯৫৬০৬৬৯, ৯৫৬৮৮৪৬, ফ্যাক্সঃ ৯৫৬৮৫২২ E-mail : dkaratoa@yahoo.com . . . .

Powered By: