বগুড়া সোমবার | ১৩ শ্রাবণ ১৪২১ | ২৯ রমজান ১৪৩৫ হিজরি | ২৮ জুলাই ২০১৪
ব্রেকিং নিউজ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
এই সংখ্যার পাঠক
১৬৫৭০০
সার্চ
আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ
করতোয়া ডেস্ক :
'রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ'। আজ সোমবার ২৯ রমজান। আজ সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল মঙ্গলবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তবে আজ চাঁদ দেখা না গেলে রোজা হবে ৩০টি। সেক্ষেত্রে বুধবার ঈদ উদযাপিত হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিন দিনের সরকারি ছুটি আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। তবে মঙ্গলবার ঈদ পালিত না হলে ছুটি একদিন বৃদ্ধি পাবে। সেক্ষেত্রে ঈদের ছুটি হবে ৪ দিন। পবিত্র ঈদুল ফিতরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে আমাদের সামনে উপস্থিত পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব। ধনী-দরিদ্র... বিস্তারিত
নির্বাচিত সংবাদ
ঈদে তাদের পথচলা...
খুব সহযোগিতা পরায়ণ একজন অভিনেতা হিসেবে সহকর্মীদের কাছে ভীষণ সুনাম রয়েছে যার তিনি মীর সাবি্বর। মীর সাবি্বর এ যাবতকাল পর্যন্ত যতো অভিনেত্রীর সাথে জুটিবদ্ধ হয়ে কাজ করেছেন তারা সবাই একবাক্যে মেনে নিয়েছেন এ কথা। কারণ সাবি্বর এমনই। প্রচলিত আছে যে মিডিয়াতে কাজ করতে এলে কিংবা হলে একটু বদনাম হয়ই। কিন্তু মীর সাবি্বরের বেলায় ঘটেছে একেবারেই ব্যতিক্রম ঘটনা। ক্যারিয়ারের শুরুতে যাকে ভালোবেসেছিলেন সেই ফারজানা চুমকিকেই তিনি জীবনের সঙ্গে বেঁধে নিয়েছেন আজীবনের জন্য। হয়তো চুমকি এখন অভিনয়ে সময় দিতে পারেন না কিন্তু সংসারকে আগলে রেখেছেন ভালোবাসা, মায়া আর মমতা দিয়ে। মীর সাবি্বরের দুই পুত্র সন্তানকে মানুষ করার গুরু দায়িত্ব যেন তারই এখন। আর দর্শককে ভালো ভালো নাটক উপহার দেবার কাজটি করছেন সাবি্বর। পরিচালক সালাহউদ্দিন লাভলুর দৃষ্টিতে এই সময়ের অভিনেতাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন সাবি্বর। তিনি বলেন, \' সাবি্বর আমার খুব স্নেহের ছোট ভাই। তাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ পছন্দ করি। একজন শিল্পীকে সত্যিকারের শিল্পী হতে হলে যেসব গুনাবলী থাকা অতীব জরুরী তার সবকিছুই আছে সাবি্বরের মাঝে। আমি নিজেই তার অভিনয়ের ভক্ত, দর্শকদের হওয়াটাই স্বাভাবিক।\' জাহিদ হাসানের নির্দেশনায় মীর সাবি্বর বেশ কিছু নাটকে কাজ করেছেন। কথা প্রসঙ্গে জাহিদ হাসান বলেন ,\' একজন বিনয়ী মানুষ যেমন সাবি্বর ঠিক তেমনি একজন গুণী শিল্পীও। কোন জরুরী কাজে যখন তার সহযোগিতা চাই তখন তার আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হই আমি। সবসময় তার জন্য আমি মন থেকে দোয়া করি যেন সে তার অবস্থান ধরে রাখতে পারে। \' জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি বলেন , \' সাবি্বরের সঙ্গে আমি একটি ছবিতেই অভিনয় করেছি। একজন আপাদমস্তক পারফরমার তিনি। চলচ্চিত্রে নিয়মিত হলে তিনি ভালো করতে পারতেন। \' রাজধানী শহরের অভিজাত এলাকা ধানম-িতে মীর সাবি্বরের বসবাস হলেও এখানে তাকে খুঁজে পাওয়াই যেন মুশকিল হয়ে যায়। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের সঙ্গে খেলা নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেতা কখনো রাজধানীর অদূরে পূবাইলে, কখনো সিরাজগঞ্জে আবার কখনো আশুলিয়া কিংবা উত্তরা। মাসের পুরোটা সময় কাটে তার নাটকের চরিত্র নিজের মধ্যে লালনের মধ্যদিয়ে। আর তাই একজন সত্যিকারের মীর সাবি্বরকে খুঁজে পাওয়া যেমন কঠিন হয়ে পড়ে অনেক সময়ই ঠিক তেমনি খুব কমই ফুরসুরত মিলে তার সাথে আরামে অনায়াসে কথা বলার। অন্যদিকে উর্মিলা কখন ঢাকায় থাকেন আবার কখন যে নিজের বাড়ি চট্টগ্রামে থাকেন তা বলাই মুশকিল। এইতো গত ১৮ জুলাই ছিলো তার জন্মদিন। এর আগেরদিন বিকেলের ফ্লাইটে তিনি চলেগেলেন চট্টগ্রামে। সেখানে বাবা মা বন্ধু বান্ধব আত্নীয় স্বজনের সঙ্গে জন্মদিন পালন করে চলে এলেন আবারো ঢাকায়। অভিনেতা মীর সাবি্বর পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক নোয়াশাল প্রতি সোম , মঙ্গল ও বুধবার ৯.০৫ মিনিটে আরটিভিতে প্রচার হচ্ছে। মীর সাবি্বরের কাছে জানতে চাইলাম , কেমন রেসপন্স পাচ্ছেন? একটু মিষ্টি হেসেই জবাব দিলেন মীর সাবি্বর। বললেন, \'ভাগ্য বিধাতার কাছে আমি অসীম কৃতজ্ঞতা জানাই যে তিনি আমাকে অভিনেতা হবার পাশাপাশি একজন নির্মাতা হবারও মতোও তৌফিক দান করেছেন। আমি আমার মেধা দিয়ে ধারাবাহিক নাটকটি দর্শকের জন্য নির্মাণ করছি। দর্শক প্রথমদিন থেকেই এটি বেশ উপভোগ করছেন। তাতেই আমি মুগ্ধ। এরইমধ্যে আরটিভির সাথে ১০৪ পর্বের জন্য চুক্তিও হয়েগেছে। এরপরও যদি দর্শকের চাহিদা থাকে নাটকটির প্রতি তাহলে এটি দীর্ঘায়িত হবে। নতুবা ১০৪ পর্বেই ইতি টানবো। \' নতুন এই ধারাবাহিক নাটকটি রচনা করেছেন মীর সাবি্বর, আকাশ রঞ্জন ও কামরুল। অভিনয় নাকি নির্দেশনা, কোনটি কঠিন? নিশ্চয়ই নির্দেশনা অনেক কঠিন। খুব সহজেই বলতে গেলে বলা যায় অভিনয় শুধু নিজের চরিত্রটি নিয়ে একটু বেশি ভাবতে হয়। আর একজন পরিচালককে পুরো ইউনিটের কথা ভাবতে হয়। প্রতিটি দৃশ্যের কথা তাকে ভাবতে হয়। একজন পরিচালকের মেধা এবং ভাবনার উপরই নির্ভর করে নাটকটি দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে কিনা। \' অনেক নাটকতো নির্মাণ করেছেন। এবার নিশ্চয়ই চলচ্চিত্র নির্মাণের ইচ্ছে আছে? \'স্বপ্ন দেখি প্রতিনিয়ত চলচ্চিত্র নির্মাণের। তবে আমাদের দেশের অনেক পরিচালকের মতো গল্প চুরি করে , গানের সুর চুরি করে, পোষাক ডিজাইন চুরি করে এমনকী ফটোগ্রাফি চুরি করে ছবি নির্মাণের পক্ষপাতি আমি নই। যাদের মেধা নেই তারাইতো চুরি করে করে লবিং করে পুরস্কারও নিয়ে আসছেন। এই ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাতা হতে চাইনা। কোনদিন ভালো একটি মৌলিক গল্প পেলে অবশ্যই আমি ছবি নির্মাণ করবো। যে ছবিতে আমার দেশের কথা, আমার দেশের প্রেমের কথা, কবিতার কথা , সবর্োপরি আমার দেশের মানুষের সুখ দুঃখের কথা থাকবে। আমি আমার নিজের মধ্যে যা লালন করি দর্শককে তাই দেখানোর চেষ্টা করবো। গুরুগম্ভীর ভাব নিয়ে উল্টা পাল্টা ছবি নির্মাণ করার কোনই ইচ্ছে আমার নেই। \' মীর সাবি্বরের আজকের এই অবস্থানের পিছনে অনেকেরই অবদান আছে। তবে বিশেষত মীর সাবি্বর যাদের নাম স্পষ্টত উল্লেখ করেছেন তাদেরমধ্যে অন্যতম হলেন আনোয়ার হোসেন বুলু, হানিফ সংকেত, সালাহউদ্দিন লাভলু, জাহিদ হাসান ও মাহফুজ আহমেদ। জীবনের নানান বিপদে আপদে কিংবা কোন সুন্দর পরামর্শে এই গুণী মানুষদের পাশে পেয়েছেন মীর সাবি্বর। মীর সাবি্বর অভিনীত একমাত্র চলচ্চিত্র চন্দন চৌধুরী পরিচালিত \'কী যাদু করিলা\'। ছবিটিতে তিনি পপি ও রত্নার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন। এই ছবিতে অভিনয় করে মীর সাবি্বর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য নমিনেশনও পেয়েছিলেন। মীর সাবি্বর অভিনীত প্রথম নাটক ছিলো নূর মোহাম্মদ খান প্রযোজিত \'পুত্র\'। এটি বিটিভিতে প্রচার হয়েছিলো। তবে তার অভিনীত প্রথম আলোচিত নাটক ছিলো অনন্ত হীরা পরিচালিত \'বিষকাঁটা\'। আসছে ঈদ উপলক্ষ্যে একটি নাটক নির্মাণ করেছেন তিনি। নাম \'আলাল দুলাল\'। একজন নির্দেশক হিসেবে মীর সাবি্বরের যাত্রা শুরু হয় \'বরিশাল বনাম নোয়াখালী\' নাটক নির্মাণের মধ্যদিয়ে। এরপর তিনি অসংখ্য নাটক নির্মাণ করেছেন। তার নির্দেশিত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিলো \'মকবুল\'। নাটকটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়েছে। মীর সাবি্বরের সহধর্মিনী ফারজানা চুমকীও একজন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী। তবে এই মুহুর্তে তার দুই সন্তান মীর ফারশাদ ও মীর সানদিদকে নিয়েই সময় কাটে। যে কারণে অভিনয় থেকে আপাতত তিনি দূরে রয়েছেন। সাবি্বর ও উর্মিলা প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন এনটিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক এজাজ মুন্না পরিচালিত \'যোগোযোগ গোলযোগ\' নাটকে। সর্বশেষ তারা দু\'জন আসছে ঈদ উপলক্ষ্যে অভিনয় করেছেন একই পরিচালকের নির্দেশনায় \'মিশন পসিবল\' নাটকে। এটি আসছে ঈদে এসএটিভিতে প্রচার হবে। উর্মিলা বলেন, \' সাবি্বর ভাই অনেক সিরিয়াস একজন অভিনেতা। শুটিং স্পটে তিনি তার কাজ নিয়ে এতোটাই গভীর মনোযােগ থাকেন যে যা অনেকেরই মাঝেই আমি দেখিনি। জুনিয়র শিল্পীদের প্রতিও তার স্নেহ ভালোবাসা আমাকে সত্যিই অনেক মুগ্ধ করেছে। আসছে ঈদে অনেক নাটকে মীর সাবি্বরকে দেখা যাবে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সালাহউদ্দিন লাভলুর ৬ পর্বের ধারাবাহিক \'জামাই জট\', টেলিফিল্ম \'পায়েল\', ৬ পর্বের ধারাবাহিক \'জুয়াবাজি\', মিলন ভট্টের \'খেলা পাগল\', সেলিম রেজার \'শেয়ানা জামাই\' ইত্যাদি। অন্যদিকে উর্মিলা অভিনীত উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে রুদ্র মাহফুজ রচিত ও সাখাওয়াত হোসেন মানিকের \'অপরাহ্ন\' ও \'বস্ন্যাক কফি\', এজাজ মুন্নার ৬ পর্বের ধারাবাহিক নাটক \'মিশন পসিবল\' , মাবরুর রশীদ বান্নাহর \'সম্পর্কের গল্প\', তানিম পারভেজের \'চিরকুট\' ও রেদওয়ান রনির \'বিহাউ- দ্যা ট্র্যাপ\'। লাক্স তারকা হবার পর উর্মিলা প্রথম অভিনয় করেন তাহের শিপনের পরিচালনায় \'জটিল প্রেম\' নাটকে। ২০০৫ ও ২০০৬ সালে জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্র সঙ্গীত গেয়ে পুরস্কৃত হয়েছিলেন উর্মিলা। কখনোই অভিনেত্রী হবার ইচ্ছে ছিলোনা তার। আলভী আহমেদের পরিচালনায় উর্মিলা প্রথম \'নাগরিক\' ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন। তবে যে নাটকে অভিনয় করে তিনি সবচেয়ে বেশি রেসপন্স পেয়েছিলেন তা হচ্ছে ইশতিয়াক আহমেদ রুমেলের \'ওল্ড ভার্সেজ নিউ\'। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে আলী ফিদা একরাম তোজোর ধারাবাহিক নাটক \'অঘটন ঘটন পটিয়সী\', একই পরিচালকের খন্ড নাটক \'কালো আর ধলো বাহিরে কেবল\' ইত্যাদি। তবে যেকোন সময় উর্মিলা অভিনয় ছেড়ে দিয়ে গানে পুরোপুরি ব্যস্ত হতে পারেন এমনটাই জানালেন তিনি। মীর সাবি্বর স্বপ্ন দেখছেন খুব শিগগিরই চলচ্চিত্র নির্মাণের আবার উর্মিলা স্বপ্ন দেখছেন গানে ফিরে যাবার। তাদের স্বপ্নগুলো পূরণ হোক-শেষ করছি আজকের গল্পে গল্পে তাদের দু\'জনের কথা। ছবি তুলেছেন আরিফ আহমেদ
ঈদের সিনেমায় দুই নায়কের লড়াই
\'হিরো দ্য সুপারস্টার\' চলচ্চিত্রের পরিচালক বদিউল আলম খোকন। বিগ বাজেটের এ চলচ্চিত্রে শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অপু বিশ্বাস ও ববি। এবারই প্রথম এই তিন তারকাকে এক ফ্রেমে পাওয়া যাবে। এছাড়াও আছেন উজ্জ্বল, নূতন, আলীরাজ, মিশা সওদাগর, ইলিয়াস কোবরা প্রমুখ। যেহেতু এটি শাকিবের প্রযোজনায় প্রথম চলচ্চিত্র তাই এই ঢালিউড সুপারস্টার দর্শকদের মুগ্ধ করতে ছবিটির চিত্রায়ন করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ও পাতায়ায়। শাকিব খান বলেন, \'এটি আমার প্রযোজনায় প্রথম চলচ্চিত্র। বড় বাজেট ও বড় পরিসরের চলচ্চিত্র। দৃশ্যায়নের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক অ্যালেক্সা ক্যামেরা। প্রোডাকশনের কাজ হয়েছে থাইল্যান্ডে। আশা করি, এবারের ঈদের সেরা ছবি হবে এটি।\' শাকিবের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মসের পরিবেশনায় মুক্তি পাচ্ছে \'হিরো দ্য সুপারস্টার\'। এই ছবিতে গান রয়েছে মোট পাঁচটি। এগুলোর কথা লিখেছেন কবির বকুল ও সুদীপ কুমার দীপ। সুর ও সঙ্গীত আয়োজন করেছেন আলী আকরাম শুভ ও শওকত আলী ইমন। গান গেয়েছেন এসআই টুটুল, আসিফ, রমা, রূপম, মিমি, মুন, পলাশ ও পুলক। এদিকে ঢালিউডের আলোচিত জুটি অনন্ত-বর্ষা জুটি গেল বছরের মতো এবারও দর্শকদের সিনেমা হলে ওয়েলকাম জানাতে প্রস্তুত তাদের সেরা কাজটি দেখার জন্য। বছরজুড়ে তারা নির্মাণ করেছেন \'মোস্ট ওয়েলকাম টু\'। অনন্ত জলিল বলেন, \'ছবিটা অনেক বৈচিত্র্যপূর্ণ। এখানে অ্যাকশন, রোমান্স, ইমোশন সবকিছু পুরোপুরি ডিফারেন্ট। ছবিতে দর্শকেরা সুপার স্লো মোশন ও থ্রিডি অ্যানিমেশন গান পাবেন। এছাড়া রয়েছে আরও নানা চমক। এ ছবির মাধ্যমে আমি বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে হাইলাইট করেছি এবং ছবিতে দেশের জন্য বিভিন্ন মেসেজ রয়েছে।\' এই চলচ্চিত্রের কাহিনী গড়ে উঠেছে ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিষ্কার করার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের টার্গেট হয়ে দাঁড়ান। এতে বিজ্ঞানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্ষা। অনন্তকে দেখা যাবে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায়। মূল খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর। এটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অনন্ত ও অনন্য মামুন। একদিকে শাকিব অপু ও ববি অন্যদিকে অনন্ত-বর্ষা জুটি। ঈদে কোন চলচ্চিত্রটি দর্শকদের মন জয় করবে তা সময়ই বলে দেবে। শুধু আপাতত এইটুকু বলা যায় যে, দুই নায়কের লড়াইয়ে ঈদে দর্শকরা প্রতিযোগিতামূলক দুটি সেরা চলচ্চিত্রই উপভোগ করতে পারবেন।
ঈদে হানিমুনের মাহি...
ঢাকাই কিংবা দেশীয় চলচ্চিত্রের সর্বশেষ সেরা নায়িকা কিংবা সেরা যে অভিনেত্রীর সংযোজন ঘটেছে তিনি মাহিয়া মাহি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজের কল্যাণেই আমাদের চলচ্চিত্রাঙ্গন-দর্শক মাহিকে পেয়েছেন। তাই নিঃসন্দেহে ধন্যবাদ পাবার যোগ্যতা রাখে \'জাজ\' এবং এর সত্ত্বাধিকারী আব্দুল আজিজ। একের পর এক ভালো ভালো ছবিতে মাহিকে নিয়ে দর্শকের সামনে নানানভাবে তুলে ধরেছে \'জাজ\'। দর্শক সেসব ছবিতে মাহির মনকাড়া অভিনয় আর গ্ল্যামার দেখে মুগ্ধতার আবেশ গায়ে মেখে বাসায় ফিরেছেন। এদেশের কোটি তরুণ দর্শক মাহিতে মুগ্ধ। মাহিতেই যেন মাতামাতি এখন চারিদিকে। আসছে ঈদ উপলক্ষ্যে মাহি তার অগুণতি ভক্ত দর্শককে নিরাশ না করে নতুন আরেকটি ছবি নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন। ছবিটির নাম \'হানিমুন\'। ছবির গল্প লিখেছেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু। পরিচালনা করেছেন সাফিউদ্দিন সাফি। প্রযোজক আব্দুল আজিজ জানান আসছে ঈদে ৮০টিরও অধিক সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পাবে। আর এজন্য এখন চলছে মুক্তির চুড়ান্ত প্রস্তুতির কাজ। ছবিটিতে মাহির বিপরীতে আছেন চিত্রনায়ক বাপ্পী সাহা। এর আগে বেশ ক\'টি বিতে মাহিয়া মাহি ও বাপ্পী সাহা জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেছেন। তবে মাহি জানান এই ছবিটি পূর্বের সব ছবির চেয়ে ব্যতিক্রম হবে। শুধু তাই নয় এই ছবির প্রতিটি গান দর্শকের মন ছুঁয়ে যাবে। ছবিটি নিয়ে কতোটুকু আশাবাদী আপনি? জবাবে মাহি বলেন ,\' একথায় হানিমুন ছবি নিয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী। ঈদে কার কী ছবি আসছে সে বিষয়ে আমি কিছুই বলবোনা। আমার বলাটাও বেমানান। আমি শুধু আমার ছবি নিয়ে একটি কথাই বলতে চাই যারা হলে গিয়ে ছবি দেখতে ভুলে গেছেন তাদেরকে অনুরোধ করবো ছবিটি হলে গিয়ে দেখুন। আশাকরি হতাশ হবেন না। কারণ আমি অনেক মনোযোগ দিয়ে আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। ছবিতে অন্যান্য যারা আছেন তারা প্রত্যেকেই অসাধারণ অভিনয় করেছেন। \' মাহি প্রসঙ্গে পরিচালক সাফি উদ্দিন সাফি বলেন ,\' মাহি এতো ভালো একজন পারফরমার আমার জানা ছিলোনা। এতো সহজে চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করতে পারেন যা বলা বাহুল্য। তবে এখানে আমি আরেকটি বিশেষ কথা বলতে চাই, তা হলো আমি অনেক নায়িকাকে নিয়ে কাজ করেছি। নিজে থেকে কষ্ট মেনে নিয়ে কাজ করতে আমি খুব কম নায়িকাকে দেখেছি, মাহি তাদের মধ্যে অন্যতম। ছবির ভালোর জন্য যতোই কষ্ট হোক না কেন মাহি তা করেন। আমি , আমার ছবির সকল কলাকুশলী তার এই আন্তরিকতার জন্য তার প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। \' ঈদ উপলক্ষ্যে আরও ছবি মুক্তি পাচ্ছে অপু বিশ্বাস, নিপুণ, বর্ষা ও ববির। প্রতিযোগিতায় কে টিকে থাকবেন এমন নানান কথা এখন থেকে ছবির বাজারে চাউর থাকলেও সবাই একমত পোষণ করছেন যে অভিনয় দিয়ে এবং গ্ল্যামার দিয়ে দর্শকের মন জয়ে করে সফল হবেন মাহি। যদি তাই হয় তবে ব্যবসা সফল ছবি হিসেবে নাম লেখাবে \'হানিমুন\'ও ঠিক \'অগি্ন\' ছবির মতোই। \'অগি্ন\' হচ্ছে মাহি অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ ছবি যা পরিচালনা করেছেন ইফতেখার চৌধুরী। এই ছবিতে মাহির অনবদ্য অভিনয়ের কারণেই ছবিটি কয়েক কোটি টাকা ব্যবসা করেছে। \'হানিমুন\' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ধারণা মাহি অভিনীত নতুন ছবিটির ক্ষেত্রেও তাই ঘটবে। যারা মাহির ভক্ত শুধু তারাই নন, সিনেমা যারা বোঝেন, জানেন তারাও চাচ্ছেন ছবিটি যেন দর্শকপ্রিয়তা পায়। তবে কী হবে , কী হবেনা তা আগে থেকেই বলা মুশকিল। তবুও মাহি আশা রাখেন তার ছবিটি এবারের ঈদে দর্শকপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকেব সবচেয়ে বেশি। মাহির স্বপ্ন পূরণ হোক, মাহি তার বর্তমান অবস্থা থেকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাক এমনটাই প্রত্যাশা তার ভক্ত দর্শকের আর করতোয়া বিনোদনের। ছবি আরিফ আহমেদ।
ববিতার এক অন্যরকম মুহূর্ত...
গত সপ্তাহে দেশে ফিরেছেন দেশীয় চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তী নায়িকা ববিতা। এদেশে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা বরতে যাকে বোঝায় তিনি ববিতাই। ওপার বাংলার সত্যজিত রায় থেকে শুরু করে এপার বাংলার জহির রায়হান থেকে এই সময়ের অনেক চলচ্চিত্র পরিচালকের নির্দেশনায় অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের কাছে হয়ে উঠছেন একজন প্রিয় ববিতা হয়ে। তার অভিনীত ছবি এখনো দর্শকের কাছে আরাধ্য। আসছে ৩০ জুলাই জীবন্ত এই কিংবদন্তী নায়িকার জন্মদিন। তার আগের দিন অর্থাৎ ২৯ জুলাই তার ছোট ভাই লিটনের জন্মদিন। সবকিছু ঠিক থাকলে ২৯ জুলাই ঈদ হবার কথা। আর পরেরদিনই ববিতার জন্মদিন। এবার কোনরকম পরিকল্পনা ছাড়া ববিতা তার জন্মদিনটি উদ্যাপন করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে গত ২৫ জুলাই রাতে দৈনিক করতোয়ার পক্ষ থেকে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য গেলে তিনি জানান, \' আমার একমাত্র ছেলে অনিক নেই। তাই জন্মদিন নিয়ে এবার তেমন কোন আগ্রহও নেই। \' করতোয়া বিনোদনের পক্ষ থেকে সেদিন অভি মঈনুদ্দীনও গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলো তার তিন বছর বয়সী মেয়ে মাদিহা মাহনূর। আগামী ২৯ জুলাই চার বছরে পা রাখবে মাদিহা। ২৯ জুলাই মাদিহার জন্মদিন শুনে ববিতা মাদিহাকে বুকে আগলে নেন। তার নিজের জন্মদিনের আগেরদিন মাদিহার জন্মদিন জেনে ভীষণ আনন্দিত হন। ববিতা তখনই মাদিহাকে জন্মদিনের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানান এবং তার জন্য অনেক দোয়া করেন। ছোট্ট মাদিহা ববিতাকে বলেন , \' ধন্যবাদ, ববিতা আপু।\' মাদিহার মুখে ববিতা \'আপু \' ডাক শুনে হেসে বলে উঠেন ববিতাও \'তুমি ভালো থেকো, মানুষের মতো মানুষ হও। তোমার জন্য অনেক দোয়া রইলো। \' ফেরার আগে ববিতা বলেন , \' ছোট ছোট বাচ্চারা আমাকে চেনে জানে, এরচেয়ে বড় অর্জন আর কী হতে পারে। আমার মরণের পরেও যে মানুষ আমাকে মনে রাখবে আমি বিশ্বাস করতে শিখছি। আমার সকল ভক্ত দর্শকের প্রতি রইলো ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা এবং আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। \' ববিতার একটি মজার স্মৃতি : ছোটবেলায় একবার আমার আব্বা-আম্মা, ভাই-বোন সবাই মিলে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। কোনো এক কারণে আমাকে নেয়া হবে না। আমি খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম, কিভাবে আব্বাকে ম্যানেজ করা যায়? মনে মনে ভাবলাম, যে করেই হোক তাকে রাজি করাতে হবে। তিনি রাজি থাকলেই আমি গ্রামের বাড়ি যেতে পারবো। সেদিন আব্বা ছিলেন অফিসে। বাসায় ফিরতে ফিরতে তার রাত হয়ে যায়। ইলেক্ট্রিসিটি না থাকায় চারপাশ অন্ধকারে ঢেকে যেতো। কাজের লোককে বললাম, হারিকেন জ্বালিয়ে দিতে। বুদ্ধি করে হারিকেন নিয়ে আব্বার আসার পথে দাঁড়িয়ে থাকলাম। যথারীতি আব্বা এলেন। দূর থেকে হারিকেন দেখে আব্বা বললেন, হারিকেন নিয়ে কে ওখানে দাঁড়িয়ে? আমি বললাম, আব্বা, আমাকে চিনতে পারছো না, আমি তোমার মেয়ে পপি। অন্ধকার গলি দিয়ে আসতে তোমার কষ্ট হবে তাই আমি হারিকেন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। আব্বা আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব আদর করলেন। বললেন, আমার এতোগুলো ছেলেমেয়ে থাকতে তুই কিনা আমার জন্য হারিকেন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছিস? তুই আমার কতো লক্ষ্মী মেয়ে। এরপর আমার গ্রামের বাড়ি যাওয়া কনফার্ম হয়ে যায়। আমাকে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হলো। গ্রামে গিয়ে আমি অনেক মজা করেছি, পাখি ধরেছি। বাবা পাখি শিকার করেছেন, মাছ ধরেছেন। আমার জীবনের অসংখ্য স্মৃতির মধ্যে এটা একটা মজার স্মৃতি। একটি দুঃখের স্মৃতি ঃ আমার অভিনীত মুক্তি পাওয়া প্রথম ছবি হলো \'শেষ পর্যন্ত\'। ছবিটা ১৯৬৯ সালের ১৪ আগস্ট মুক্তি পেয়েছিল। এ সময় আমার মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। \'শেষ পর্যন্ত\' ছবিতে অভিনয় করে আমি আমার জীবনের প্রথম উপার্জন করি ১২ হাজার টাকা। এ টাকা দিয়ে একটি গাড়ি কিনেছিলাম। গাড়িতে চড়ে জহির ভাই, সুচন্দা আপা ও নায়করাজ রাজ্জাকসহ আমরা বেরিয়েছিলাম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি কেমন চলছে তা দেখতে; কিন্তু শেষমেশ তা আমাদের আর দেখা হয়নি। কারণ যাওয়ার সময় আমরা হাসপাতালে মাকে দেখতে গিয়েছিলাম। গাড়ি থেকে বেরিয়ে যখন হাসপাতালের করিডোরে পা রাখি তখন ছোট্ট একটি ছেলে দৌড়ে এসে বললো, আপা, তাড়াতাড়ি আসেন, আপনার মা কেমন যেন করছে। আমরা দৌড়ে মায়ের রুমে ঢুকলাম, দেখলাম তার পুরো শরীর সাদা চাদরে ঢাকা। রুমে প্রবেশের কিছুক্ষণ আগেই তিনি মারা গেছেন। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের স্মৃতি। যে মায়ের উৎসাহে এতোদূর এসেছি, সে মা-ই কিনা আমার প্রথম উপার্জনের টাকায় কেনা গাড়িটি দেখে যেতে পারেন ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।
জানভীর অন্যরকম ঈদ
সাধারণ মানুষের গন্ডি ছাড়িয়ে তারকাদের তালিকায় ইতিমধ্যে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন জানভী চৌধুরী। তাই এবারের ঈদটা একটু অন্যরকম হবে জানভীর কাছে । উৎসব পালনের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আনবেন তিনি। অন্যান্য ঈদ শুধুমাত্র পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে কাটলেও এবার চলচ্চিত্র পরিবারের অনেকের সঙ্গেই শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। কারো কারো পরিবারের সঙ্গে দাওয়াত রক্ষা করাও লাগতে পারে তার। তারকা হওয়ার আগে ঈদের আলাদা আনন্দ ছিল আর এবার আলাদা আনন্দ। জানভী বলেন, \'আগে ঈদ উপলক্ষে শুধুই পেতাম; কিন্তু এখন সবাইকে দিতে হবে। আমার আত্মীয়-স্বজনদের অনেকেই বিশেষ করে ছোটরা স্পেশ্যাল দাবি করে বসে আছে। এবার গিফটা নাকি তাদের স্পেশ্যাল হওয়া চাই। তবে এই দেওয়ার মধ্যে একটা অন্য রকম আনন্দ আছে। গতবছর কোরবানি ঈদ থেকে আমার অভিনীত নাটক প্রচারিত হতে থাকে টেলিভিশনে। কিন্তু সেসময় ছোটপর্দাজুড়ে আমার বিচরণ থাকায় তেমন কোনো ভিন্নতা ছিল না। এবার বড় পর্দায় নাম লেখানোর পর চলচ্চিত্রের অনেক মানুষের সঙ্গে আমার জানা-শোনা হয়েছে। যার কারণেই এই উৎসবে আমি তাদেরকে স্মরণ করতে চাই।\' তবে ঈদে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই জানভীর। পরিবারের সদস্যদের নিয়েই ঘরেই সময় কাটানোর ইচ্ছে। বাসায় টুকটাক গাছ গোছাবেন। বিকেলের দিকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু বেড়িয়েও আসতেন পারেন কিংবা যেতে পারেন কোনো দাওয়াতে। একজন এয়ার হোস্টেজ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন জানভী। তাই বিমানে চড়ে বিভিন্ন দেশে যখন যেতেন বিমানের যাত্রীরা তাকে বলতেন \'ইউ আর লুক লাইক এ হিরোইন\'। তখন মনের কোণে অভিনেত্রী হবার স্বপ্ন দেখতেন জানভী। আর তার সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে প্রায় এক বছর হতে চললো। ঘটনানাক্রমে জানভীর পরিচয় হয় নাট্যপরিচালক তাজু কামরুলের সঙ্গে। জানভী অভিনয় করেন যুগ্ম এই পরিচালকের পরিচালনায় টেলিফিল্ম \'আমি তুমি সে\'তে। এই টেলিফিল্মে তার সঙ্গে কাজ করেন চিত্রনায়ক আমিন খান। এরপর জানভী একই পরিচালকের পরের টেলিফিল্ম \'না বলা ভালোবাসা\'তেও অভিনয় করেন। এই টেলিফিল্মেও তার বিপরীতে ছিলেন আমিন খান। ছোটপর্দার কাজ নিয়ে বেশ প্রশংসাও কুঁড়িয়েছেন তিনি। মিডিয়াতে কাজ করা প্রসঙ্গে জানভী বলেন,\'ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল মিডিয়াতে কাজ করার। সে স্বপ্ন আমার সত্যি হবে ভাবিনি কখনো। এখন ভীষণ ভালোলাগে অভিনয় করতে। তবে রোমান্টিক অভিনেত্রী হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হতে চাই। এম এ রহিম পরিচালিত স্পর্শ টেলিমিডিয়া প্রযোজিত \'জানে না এ মন\' ছবির মা্যধমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে জানভীর।
ঈদ এবং ফারহানা মিলি...
সমতল ভূমি ছেড়ে আঁকাবাঁকা পথে নির্জন আর চঞ্চল পাহাড়ী শূণ্যতায় যদি থমকে ওঠে কেউ কে নেবে তার দায়? বুকঝিম , চোখঝিম নিপাট সুন্দর যদি অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানবের তুখরগতি থমকে দেয়, কে নেবে তার রহস্যের হিসেব? দৃশ্য থেকে দৃশ্য যদি ছুটে গিয়ে গেঁথে যায় একটি মাত্র দৃশ্যে , কে মিলাবে তেমন সুন্দরের গোপন উপমা? সুন্দর! প্রকৃতির সমান বয়েসী সুন্দর! সুন্দর ফারহানা মিলি। সুন্দরের সমান বয়সী সুন্দর মিলি। এই যদি প্রকৃতির কন্যার মতো সুন্দর, ওই তবে খলবলে পাহাড়ী ঝর্নার মতো সুন্দর। সেই মিলি দৃশ্য থেকে ছুটে যাওয়া শূণ্যতার মতো সুন্দর। নানান উপমায় উপমিত এই সৌন্দর্যকন্যার নান্দনিক উপস্থিতি যেন ছোট থেকে বড় পর্দার দর্শককেও ভাবিয়ে তুলেছিলো প্রথম দিকেই যে কারণে একটি ছবিতেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন দর্শকপ্রিয় যার প্রমাণ আজো মিলে পথে প্রান্তরে কিংবা সহজ সরল কোন গাঁয়ের মেঠো পথেও। জীবন বোধের এমন এক ছবিতে \'পরী\' চরিত্রে অভিনয় করে পরী তকমাই যেন মেখে নিলেন নিজের গায়ে। আর তা সরাতেই যেন হিমশিম থেকে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবুও দর্শক বলে কথা, ভালো যাকে যা\'তে লাগলো যেন তাকে তাতেই দেখতে পাওয়া আনন্দের। তবুও মিলি এরপর বহু নাটকে বহু টেলিফিল্মে নিজেকে ভেঙ্গেছেন নতুন করে নতুন ভাবে। কী বলেন মিলি এমন প্রাসঙ্গিকতায়? জবাব মিলির, \' সবসময়ই আমি চেষ্টা করি ভালো গল্পের ভালো চরিত্রে নিজেকে নিজের মতো নয় চরিত্রের মতো করে খাপ খাইয়ে অভিনয় করতে। ব্যাটে বলে মিলে গেলে কাজটি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কিন্তু না মিললে হয়তো কাজটি করা হয়না। কিংবা জীবনের প্রয়োজনেই কাজটি করা হয়। তবুও আমি আমাকে প্রতিনিয়তই অভিনয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা করি। যদি তাই না পারি তাহলে আমি কেন অভিনেত্রী?\' শাওনের সাথে বিয়ের পর ফারহানা মিলির কোলজুড়ে আসে পুত্র সন্তান রুসলান। সন্তান জন্মের পর সবমিলিয়ে প্রায় এক বছর মিলি অভিনয় থেকে দূরে সরে ছিলেন। চেষ্টা করেছিলেন অভিনয়ে ফেরার। কিন্তু গল্প কিংবা চরিত্র কোনটাই যেন মন মতো হচ্ছিলোনা। যেহেতু কাজে ফিরতেই হবে তাই ভালো কোন কাজ দিয়ে প্রত্যাবর্তন করার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। এক বছরে অনেক নাটকে কাজ করার অফার পেয়েও কাজ ফিরিয়ে দেবার রেকর্ড মিলির মতো হয়তো অন্য কারো তা নেই। কিন্তু ভালো কাজের জন্য মিলি যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তা সত্যিই অতুলনীয়। একজন ভালো শিল্পীর এক্ষেত্রে এমন একনিষ্ঠতা থাকাটা যেন শিল্পেরই সম্মান। মানের ব্যাপারে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ভীষন চুজি। যে কারণে বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনে আর কোন নতুন বিজ্ঞাপনে ফারহানা মিলিকে দেখা যায়নি। তবে সম্প্রতি তিনি বিবিসির একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। বিজ্ঞাপনটিতে মিলির অনবদ্য অভিনয়ই প্রমাণ করে তিনি একজন দক্ষ অভিনেত্রী। ব্যাপারে কোন আপস করতেও আগ্রহ নেই তার। ঠিক তেমনি চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত \'মনপুরা\' মিলির জীবনের মাইলফলক সিনেমা হলেও এরপর মিলি \'সীমান্তের চড়ুই ভাতি\' নামক একটি ছবিতে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু শুরুর পর তিনি যখন বুঝতে পারলেন এটা তার ক্যারিয়ারে কোনদিক দিয়েই প্লাস করবেনা। ভাবনা যখন এমন মিলির ঠিক তখনই ছবিটি থেকে সহাস্যে সরে দাঁড়ান মিলি। এরপর আরো বেশ কয়েকটি ছবিতে কাজ করার অফার পান তিনি। কিন্তু হলোনা, গল্প-চরিত্র কোনটাই মনের মতো হলোনা। তাই তার ভক্ত দর্শকরা আপাতত তাকে নতুন কোন ছবিতেও পাচ্ছেনা। মিলিকে দেখা যাবে নতুন নতুন নাটক টেলিফিল্মে। ঈদের নাটকে তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগামী ঈদ উপলক্ষ্যে নতুন একটি ভালো নাটকে অভিনয় করছেন ফারহানা মিলি। দেশের মঞ্চনাটকের ইতিহাসে সর্বাধিক মঞ্চায়িত নাটক কঞ্জুস। ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের দ্য মাইজার অবলম্বনে নাটকটি বাংলায় রূপান্তর করেছেন তারিক আনাম খান। এবার এ মঞ্চনাটকটি আগামী ঈদে বিটিভির পর্দায় আনছেন তারিক আনাম খান। আর এ নাটকের একটি অন্যতম চরিত্রে অভিনয় করবেন মিলি। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে মিলি ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, রওনক হাসান, তুষ্টি প্রমুখ। এদিকে সাঈফ আহমেদ পরিচালিত একটি নাটকে মিলি অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরীর বিপরীতে। এ ছাড়াও মিলি এবারের ঈদ উপলক্ষ্যে আরো বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন। এর মেেধ্য ঈদের আগে গত ২৬ জুলাই শনিবার এনটিভিতে প্রচারিত হবে মিলি অভিনীত পলাশ শাহনিয়াজের নাটক \'পলাশ রাঙা ভোর\'। ঈদে প্রচারিত হবে এমন আরো কয়েকটি নাটক হচ্ছে- অরন্য আনোয়ার পরিচালিত জুয়ারি, সাঈদ রিঙ্কুর মামলেট এবং আমি+তুমি=আমি, চয়নিকা চৌধুরীর একটি নাটক। এছাড়া দেশ টিভির জন্য নির্মিত হয়েছে মিলি অভিনীত নাটক \'কেউ কথা রাখে না\'। তরুন পরিচালক রাজিব সালেহীন পরিচালিত এ নাটকে তারসঙ্গে অভিনয় করেছেন শংকর সাওজাল। এছাড়া আলভী আহমেদ পরিচালিত দুটি নাটকে অভিনয় করেছেন। এগুলো হচ্ছে- \'নেশা লাগা স্বপ\'্ন ও \'শুধু একারণে পালাতে চাই\'। বিভিন্ন সময়ে ফারহানা মিলি অভিনীত দর্শকপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে নোমান রবিনের \'পাঙ্খা\' শুভ্র উজ্জ্বলের \'মন্দ বিশ্বাস\', তারিকুল ইসলামের \'বউ শ্বাশুড়ি থেরাপি\', সুমন আনোয়ারের \'বিনিসুতো\', সাজ্জাদ সুমনের \'চিলেকোঠার স্বপ\'্ন, অলি\'র \'একজন মেকাপম্যান অথবা নিরবতার গল্প\', রাজীব আহমেদের \'নকশী কাঁথার মাঠ\', রাসুর \'এ জার্নি বাই মাইক্রোবাস\'সহ আরো অসংখ্য নাটক। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ছাত্রী ছিলেন মিলি। এখনো মাস্টার্স শেষ না করতে পারলেও ইচ্ছে রয়েছে মিডিয়া সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ে মাস্টার্স করার। কারণ যেহেতু তিনি একজন অভিনয় শিল্পী। তাই এই বিষয় সম্পর্কিত কোন বিষয়ে মাস্টার্স করাটাই তার জন্য হবে কার্যকরী। মিলির আপন ছোট ভাই আশফাক-উজ্জামান বিপুল। একজন বিজ্ঞাপন নির্মাতা হিসেবে বিপুলও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইচ্ছে করলেই মিলি তার ছোট ভাইয়ের নির্দেশনায় অনেক বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করতে পারতেন। কিন্তু পেশাগতকাজে কোনরকম ছাড় দিতে রাজি নয় বলে মিলি কখনোই বিপুলে কাছে কোন কাজের আবদারও রাখেননি। মিলি শুধু এতোটুকুই বলেছেন বিপুলকে \' যদি কখনো স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী প্রয়োজন হয় তবেই যেন বিপুল তাকে ডাকেন।\' হয়তোবা অন্য কেউ হলে ভাইয়ের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা নিতে পারতেন অনেকেই কিন্তু কাজের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা থাকার কারণে মিলি নিজেই নিজের দৃষ্টান্ত হয়ে রইলেন। মিলির গ্রামের বাড়ি ঢাকার অদূরে নবাবগঞ্জে। খুব বেশি যে যাওয়া হয় সেখানে তান নয়। তবে মনটা ভীষণ টানে। একদিকে সংসার, অন্যদিকে মিডিয়া ভুবন ,সবমিলিয়ে যেন নিজের মতো করে ঘুরে বেড়ানোটাও তার হয়না। স্বামী শাওনের বাড়ি মাগুড়াতে হলেও তার পুরো পরিবার এখন স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন চট্টগ্রামে। তাই প্রিয় শহর যেন এখন চট্টগ্রামই। মায়ের হাতের রান্না যেমন মিলি ভীষণ পছন্দ করেন ঠিক তেমনি শ্বাশুড়ির হাতের রান্নাও তার ভীষণ ভালোলাগার। মিলি বলেন , \' নিজে রান্না করে সবাইকে পরিবেশন করতে ভীষণ ভালোলাগে আমার। তবে আমার মা এবং রুসলানের দাদীর হাতের রান্নাও আমার ভীষণ প্রিয়।\' একজীবনে ফারহানা মিলি পেয়েছেন অনেক কিছু। যশ-খ্যাতি সবই হয়েছে তার। নারী জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া-একজন আদর্শ স্বামী, সুখের সংসার আর সন্তান-সবই যেন মিলেছে মিলির ভাগ্যে। তাই উপরওয়ালার প্রতি তার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। শেষ নেই কৃতজ্ঞতার তার ভক্ত দর্শকের কাছে যাদের কারণে তিনি আজ ফারহানা মিলি। কৃতজ্ঞ তিনি তার অভিনীত প্রতিটি নাটক টেলিফিল্মের প্রযোজক পরিচালকের কাছে। কৃতজ্ঞ তিনি সাংবাদিকদের কাছে যারা মিলিকে দর্শকের কাছে সবসময়ই অনন্যরূপে তুলে ধরেছেন। আর তাই মিলিও যেন বদ্ধপরিকর সাংবাদিকদের লেখনীর সেই সম্মান রাখতে।
ঈদের আনন্দ-ফ্যান্টাসি কিংডম ও ফয়'স লেক-এ
শিহরন, রোমাঞ্চ, হৈ হুল্লোর ঘুরাঘুরি কে না পছন্দ করে আর তার সাথে যদি যুক্ত হয় ঈদের আনন্দ তাহলেতো কথাই নেই। তাই ঈদে আনন্দ মুখর ও খুশির দিনে পরিবারের আপনজন, বন্ধু-বান্ধব সবাইকে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে শিহরন ও রোমাঞ্চ জাগানো সকলের প্রিয় বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স ও ফয়\'স লেক কমপ্লেক্স সেজেছে ঈদের মনোরম সাজে। দেশের সর্ববৃহৎ বিনোদন কোম্পানী কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোঃ লিঃ - ফ্যান্টাসি কিংডম, ওয়াটার কিংডম, এক্সট্রিম রেসিং গো-কার্ট, হেরিটেজ পার্ক ও রিসোর্ট আটলান্টিস এই পাঁচ বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র নিয়ে গড়ে তুলেছে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স এবং চট্রগ্রামের প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্য ফয়\'স লেকে কনকর্ড এ্যামিউসমেন্ট ওয়ার্ল্ড ফয়\'স লেক, কনকর্ড সী-ওয়ার্ল্ড ও ফয়\'স লেক রিসোর্ট এই তিন বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র নিয়ে গড়ে তুলেছে ফয়\'স লেক কমপ্লেক্স। ফ্যান্টাসি কিংডম :- বিশ্বমানের বিনোদন সেবা চমৎকার ল্যান্ড স্কেপিং ও উত্তেজনাকর সব রাইডস্ নিয়ে তৈরী ফ্যান্টাসি কিংডম যা ইতিমধ্যে বিনোদন পিপাসু ছোট-বড় সকলের কাছে বিনোদনের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দুরন্ত গতিতে ছুটে চলা রোমাঞ্চকর অনুভূতি ও শিহরন জাগানো উত্তেজনাকর রাইড রোলার কোস্টার এই পার্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাইড। এছাড়াও রয়েছে জায়ান্ট ফেরিস হুইল, জুজু ট্রেন, হ্যাপি ক্যাঙ্গারু, বাম্পার কার, ম্যাজিক কার্পেট, সান্তা মারিয়া, জায়ান্ট স্পাশ, জিপ এরাউন্ড, পনি এ্যাডভেঞ্চার, ইজি ডিজি সহ ছোট বড় সকলের জন্য মজাদার সব রাইডস্। বিনোদনে আসা ভোজন রসিক দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে তিন তারকা মানের রেস্টুরেন্ট আশু ক্যাসেল ও ওয়াটার টাওয়ার ক্যাফে। দেশী ও বিদেশী চমৎকার সব খাবারের সমারোহ রয়েছে এই রেস্টুরেন্ট গুলিতে। এছাড়াও রয়েছে ছোট ছোট একাধিক ফুড কোর্ট। এই পার্কে রয়েছে গিফট ও কেনাকাটার জন্য গিফট শপ। পার্কে আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য রয়েছে সু-বিশাল কার পার্কিং ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ওয়াটার কিংডম:- সুবিশাল জলরাজ্যে বিনোদন এক অভাবনীয় সুযোগ, যা কিনা কনকর্ড ওয়াটার কিংডমে সম্ভব। মাটির নিচে দিয়ে মনমুগ্ধকর ও আকর্ষনীয় ভার্চুয়াল এ্যাকুরিয়াম টানেল পার হয়ে প্রবেশ করতে হয় ওয়াটার কিংডমে। কৃত্রিম ভাবে সৃষ্ট সাগরের উত্তাল ঢেউ তৈরী করা রাইড ওয়েভ পুল এই পার্কের সবচেয়ে আকর্ষনীয় রাইড। এ ছাড়াও এই পার্কে রয়েছে স্লাইড ওয়ার্ল্ড, ফ্যামিলি পুল, টিউব স্লাইড, লেজী রিভার, মাল্টি স্লাইড, ওয়াটার ফল, ডুম স্লাইড, লস্ট কিংডম, ডান্সিং জোন সহ মজাদার সব রাইডস্। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এই পার্কে রয়েছে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দু\'টি আলাদা চেঞ্জ রুম ও লকারের ব্যবস্থা। হেরিটেজ পার্ক : ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিভিন্ন সংস্কৃতির সমন্বয়ে গঠে ওঠা আমাদের এই বাংলাদেশ। আর এই ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করার প্রয়াসেই গড়ে উঠেছে কনকর্ড হেরিটেজ পার্ক। দেশের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও চমৎকার সব রাইডস্ নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই হেরিটেজ পার্ক। হেরিটেজ পার্কে যেসব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা রয়েছে তাদের মধ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধ, আহ্সান মঞ্জিল, চুনাখোলা মসজিদ, কান্তজীর মন্দির, জাতীয় সংসদ ভবন, ষাট গম্বুজ মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, সীতাকোট বিহার, পুটিয়া রাজবাড়ি ও গ্রীক মেমোরিয়াল উল্লেখযোগ্য। এক্সট্রিম রেসিং গো-কার্ট : বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো কনকর্ড এক্সট্রিম রেসিং নিয়ে এসেছে বিশ্বমানের গো-কার্ট রেসিং, যা কার রেসিং দুনিয়ার এক অনন্য সংযোজন। ছোট চার চাঁকার প্রায় মাটি ছুই ছুই এই রেসিং কারগুলি আপনাকে দিবে রেসিং এর এক অবিস্মরনিয় অভিজ্ঞতা। আর্ন্তজাতিক মানের এই গো-কার্ট গুলি ব্যবহৃত হয় ফর্মূলা ওয়ান বিজয়ী মাইকেল শুমাকার - এর ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে। অংশগ্রহনকারীদের গো-কার্ট চালানোর সুবিধার্থে রয়েছে দক্ষ প্রশিক্ষক। এছাড়াও এখানে গো-কার্ট চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন- হ্যান্ড গ্লাফস, হেলমেট, রেসিং জ্যাকেট, রেসিং বুট ইত্যাদির ব্যবস্থা রয়েছে। রিসোর্ট আটলান্টিস:- ব্যস্ত জীবনের কর্মমুখর দিনগুলির ক্লান্ততা দূর করে, নিজেকে নতুনভাবে আবিস্কার করতে শহরের বাহিরে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে অবস্থিত তিন তারকা বিশিষ্ট রিসোর্ট আটলান্টিস অতুলনীয়। আপনার ভ্রমন ও একান্ত বিশ্রামকে মোহময় করে তুলতে আধুনিক জীবনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সুসজ্জিত হয়েছে রিসোর্ট আটলান্টিস। এই রিসোর্ট -এ অবস্থান কালে আপনি ফ্যান্টাসি কিংডম, ওয়াটার কিংডম ও হেরিটেজ পার্কের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। ইকোনমি, ডিলাক্স, সুপার ডিলাক্স ও স্যুইট এই চার ধরনের রুম রয়েছে এই রিসোর্টে। এ্যামিয়ুসমেন্ট ওয়ার্ল্ড ফয়\'স লেক : বাংলাদেশের বৃহত্তম বন্দর নগরী চট্রগ্রামের ফয়\'স লেকে কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোঃ লিঃ গড়ে তুলেছে কনকর্ড এ্যামিয়ুসমেন্ট ওয়ার্ল্ড ফয়\'স লেক। অবারিত সবুজের বুক চিরে জেগে ওঠা বিস্ময়কর ফয়\'স লেক নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক আাঁধার। সারা বছর ধরেই দেশী-বিদেশী অনেক পর্যটকের আগমন ঘটে এই পর্যটন কেন্দ্র ফয়\'স লেকে। নান্দনিক স্থাপত্য ও বিভিন্ন সব মজাদার রাইডস্ নিয়ে ফয়\'স লেকের প্রানকেন্দ্রে গড়ে তোলা হয়েছে কনকর্ড এ্যামিয়ুসমেন্ট ওয়ার্ল্ড ফয়\'স লেক। এই পার্কের উল্লেখযোগ্য রাইড গুলি হচ্ছে বাম্পার কার, ফ্যামিলি রোলার কোস্টার, পাইরেট শীপ, কফি কাপ, ড্রাই স্লাইডস্, ফেরিস হুইল, হ্যাপি জাম্প, পনি অ্যাডভেঞ্চার, বেবি ড্রাগন, বাগ বাউন্স, সার্কাস ট্রেন, সার্কাস সুইং, বাম্পার বোট, দূরবীন, স্পীড বোট, প্যাডেল বোট, রেসিং বোট। সী ওয়ার্ল্ড কনকর্ড : পাহাড় হ্রদের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধুনিক স্থাপত্যের সমন্বয়ে গড়ে তোলা, বিনোদনের নানা আয়োজনে ভরপুর দেশের সর্ববৃহৎ ওয়াটার পার্ক সী ওয়ার্ল্ড কনকর্ড। ফয়\'স লেকের প্রকৃতি ঘেরা স্বচ্ছ জলরাশির বুক চিরে মটরবোটে ১০ মিনিটের পথ পাড়ি দিলেই দেখা মিলবে সী ওয়ার্ল্ডের। বিশাল জলরাজ্যে বিনোদনের জন্য, অত্যাধুনিক সব রাইডস্ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে সী ওয়ার্ল্ড কনকর্ড। কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট সাগরের উত্তাল ঢেউ তৈরী করা রাইড ওয়েভ পুল এই পার্কের সবচেয়ে আকর্ষনীয় রাইড। এছাড়াও রয়েছে স্লাইড ওয়ার্ল্ড, ফ্যামিলি পুল, টিউব স্লাইডস্, মাল্টি স্লাইড, ওয়াটার ফল, ডুম স্লাইড, প্লে জোন, ড্যান্সিং জোন সহ নানা রাইডস্। ফয়\'স লেক রিসোর্ট :- ব্যস্ত জীবনের কর্ম মুখর দিনগুলি থেকে সাময়িক অবসর নিয়ে নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও নিরিবিলি পরিবেশে নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করতে ফয়\'স লেক রিসোর্ট একটি আদর্শ স্থান। শহরের বাহিরে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে অবসর কাটাতে ও একান্ত বিশ্রামকে মোহময় করে তুলতে আধুনিক জীবনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সুসজ্জিত এই ফয়\'স লেক রিসোর্ট। হানিমুন শ্যালে, গোল্ড, প্লাটিনাম, সুপেরিয়র, ডিলাক্স, সুপার ডিলাক্স, সুইট ও রয়েল সুইট -এই আট ধরনের রুম আছে এই রিসোর্টে । রুম ভাড়ার সাথে আপনি পাচ্ছেন সকালের নাস্তা ও ফয়\'স লেকের সকল রাইডস্ উপভোগ করার সুযোগ।
বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন হোক
নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা শুরু হয়ে গেছে। যাত্রা পথে বাস, ট্রেন ও লঞ্চের টিকিটের স্বপ্ন তো রয়েছেই। ঈদে ঘরে ফেরা সোনার হরিণ হাতে পাওয়ার মতোই। পদে পদে ভোগান্তি। যানজটের যন্ত্রণা, পরিবহণ সংকট, যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, হয়রানি, মালামাল নিয়ে টানাটানি-টানা হ্যাঁচড়া, পকেটমার, অজ্ঞান পার্টি মলম পাটির দৌরাত্ম। এ ছাড়া সড়কের বেহাল দশা তো আছেই। এমনি নানা ভোগান্তিতে নাকাল মানুষ। আপনজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি যেভাবে পারছে প্রিয় মাটিতে ফিরছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারও ঢাকা ছেড়েছেন লাখো মানুষ। বাস, লঞ্চ ও ট্রেনের দিকে তাকালে যেন মনে হয় কোথাও তিল ধারনের ঠাঁই নেই। সিট পাচ্ছে কিনা সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। দাঁড়িয়ে, ঝুলে কিংবা ছাদে করেও যাচ্ছে মানুষ। দেখা গেছে রাজধানীর লঞ্চ, ট্রেন ও বাস স্টেশনগুলো লোকে ঠাসা। আসন সংখ্যার বিপরীতে কয়েকগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে রাজধানী ছাড়ছে প্রতিটি ট্রেন। লোকাল ট্রেনের ছাদও ছিল ভরা। আবার ভাঙাচোরা রাস্তায় ভয়ংকর যানজট সৃষ্টি হওয়ায় কোন পরিবহনের শিডিউল মানাই সম্ভব হচ্ছে না। সকালের বাস ছাড়ছে বিকেলে। ঈদ মৌসুমে যাত্রী পরিবহণের কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না লঞ্চগুলো। যাত্রী নিরাপত্তার স্বার্থে লঞ্চের ছাদে যাত্রী তোলার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। অধিক মুনাফার লোভে ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিতে পরোয়া করছে না লঞ্চ মালিকরা। মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর বাণী সত্ত্বেও সড়ক-মহাসড়কগুলোর অব্স্থার উন্নতি হয়নি। সারা বছর নীরব থেকে ঈদের আগে বিনা টেন্ডারে জরুরি কাজের নামে অর্থ হরিলুটের একটা প্রবণতা সব আমলেই দেখা দেয়। আসলে টিকিটপ্রাপ্তি থেকে শুরু করে ঘরে পৌছানো পর্যন্ত পদে পদে বিড়ম্বনা সইতে হবে ঘরমুখো মানুষকে। তারপরও প্রিয়জনের সানি্নধ্যে যেতে পারার আনন্দে পথের বিড়ম্বনার স্মৃতি ও ক্লান্তি মুছে যাবে।
রুনির জোড়া গোলে ম্যান ইউয়ের জয়
ওয়েইন রুনির জোড়া গোলে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন্স কাপে দারুণ সূচনা করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইতালির ক্লাব এএস রোমাকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ডের দলটি। কলোরাডোর ডেনভারে স্পোর্টস অথরিটি ফিল্ডে অতিথি দলটির জয়ের নায়ক স্ট্রাইকার রুনি দুটি গোল করার পাশাপাশি হুয়ান মাতার গোলটিতে সহায়তাও করেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ১০ মিনিটে ৩ গোল করে জয়টা প্রায় নিশ্চিতই করে ফেলে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের দলটি। ৩৬তম মিনিটে ২০ গজ দূর থেকে রুনির জোরালো শটে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। এর তিন মিনিট পর নিজেদের সীমানা থেকে রুনির দেয়া লম্বা এক পাস দারুণভাবে আয়ত্তে এনে ব্যবধান ২-০ করেন স্পেনের মিডফিল্ডার হুয়ান মাতা। আর ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন রুনি। প্রথমার্ধে খুব বেশি সুযোগ না পাওয়া রোমা দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। ৭৫তম মিনিটে মিরালেম পিয়ানিচের অসাধারণ এক গোলে ব্যবধান কমায় তারা। মাঝ মাঠেরও ১০ গজ আগে থেকে বসনিয়ার এই মিডফিল্ডারের দুর্দান্ত শটটি কিছুটা এগিয়ে আসা ইউনাইটেডের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়। নির্ধারিত সময় শেষের এক মিনিট আগে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করে সমতায় ফেরার সম্ভবনা জাগান ইতালির স্ট্রাইকার ফ্রান্সেসকো তত্তি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি তারা। নতুন কোচ লুইস ফন গালের অধীনে ইউনাইটেডের এটা টানা দ্বিতীয় জয়। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস গ্যালাক্সির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৭-০ গোলে জিতেছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সফলতম দলটি। প্রতিযোগিতার এ গ্রুপের অন্য ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদকে টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ইতালির আরেক ক্লাব ইন্টার মিলান। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র ছিল।
বগুড়ায় পথশিশু ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের পোশাক ও খাবার সামগ্রী বিতরণ
বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সো্সাইটি বগুড়া ইউনিটের উদ্যোগে গতকাল পথ শিশু ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে নতুন পোশাক সেমাই ও অন্যান্য খাবার বিতরণ করা হয়। শহরের সাতমাথায় বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম, রেডক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান এড. মকবুল হোসেন মুকুল, সেক্রেটারি একেএম সুরুত জামান, ডাঃ সামির হোসেন মিশু, কেএএম মাসুদুর রহমান, রমেন চন্দ্র সাহা, ইমাম হোসেন রাসা প্রমুখ। উল্লেখ্য ৫\'শ পথশিশু ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে নতুন পোশাক ও সেমাই বিতরণ করা হয়। খবর বিজ্ঞপ্তির।
বান্ধবীকে নিয়ে স্পেনের সমুদ্র সৈকতে নেইমার
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ইনজুরিতে পড়েন নেইমার। সুস্থ হতে আরো বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। ৫ আগস্ট বার্সেলোনা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তার আগে বান্ধবী ব্রুনা মারকুইজিনকে নিয়ে স্পেনের সমূদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়েছেন নেইমার। সেখানে বান্ধবীর সঙ্গে বেশ ভালো সময় কাটাচ্ছেন তিনি। সমুদ্র সৈকতেও ভক্তদের হাত থেকে রেহাই পাননি নেইমার। অটোগ্রাফ থেকে শুরু করে ভক্তদের সঙ্গে ছবি তুলে তাদের আবদার মিটিয়েছেন।
সারিয়াকান্দির রৌহদহের কাছে যমুনার বাঁধ ধসে গেছে
বগুড়ার সারিয়াকান্দির রৌহদহ বাজারের নিকট যমুনার ভাঙনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৬০মিটার নদীতে ভেঙে গেছে। বাঁধ ভেঙে গেলে যমুনা নদীর পানির উচ্চতা কম থাকায় বন্যার পানি বাঁধের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেনি। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বন্যার পানি বাঁধের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে রিং বাঁধ নির্মাণ করছে। পাউবো সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় সারিয়াকান্দির নিকট যমুনা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ১৫সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে রৌহদহ বাজার হতে উজানে পুরাতন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পর্যন্ত ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেখানেও যে কোন সময় বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। ওই বাঁধের পশ্চিম ধারে মানস নদী থাকায় সেখানে বাঁধ ভেঙে গেলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটবে। সেখানে বাঁধ ভেঙে গেলেও যাতে বন্যার পানি বাঁধের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সেখানে রিং বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, ভেঙে যাওয়া বাঁধের পিছন দিয়ে রিং বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কাজেই নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সেখান দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশের সম্ভবনা কম।
 
 
 
খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে ঈদের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর একটি শুভেচ্ছা কার্ড গতকাল রোববার খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব একেএম শামীম চৌধুরী এ কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, বিকেল সোয়া চারটার দিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রোটোকল কর্মকর্তা শেখ আক্তার হোসেন প্রধানমন্ত্রীর... বিস্তারিত
 
২৪ ঘণ্টার নতুন অস্ত্রবিরতিতে হামাস
করতোয়া ডেস্ক :
গাজা থেকে রকেট হামলার অভিযোগ তুলে ইসরায়েল নতুন করে হামলা শুরুর পর ২৪ ঘণ্টার নতুন অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছে হামাস। গাজার স্থানীয় সময় রোববার দুপুর ২টা থেকে এই অস্ত্রবিরতি কার্যকর হতে পারে বলে রয়টার্স-এর খবরে বলা হয়েছিল। গাজার নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি... বিস্তারিত
 
নীলফামারীর অপহৃত দুই ব্যবসায়ীকে হত্যা
নীলফামারী ও কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি :
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দুই ব্যবসায়ীকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলার তিস্তা সেচ
প্রকল্পের শাখা খালের পৃথক দুটি স্থান থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। অপহরণের পর তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা... বিস্তারিত
 
অল্পের জন্য রক্ষা পেল আড়াই হাজার লঞ্চযাত্রী
বরিশাল প্রতিনিধি :
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে একটি লঞ্চের তলা ফেটে পানি ঢোকার পর অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ঈদে ঘরমুখো প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসি
অসীম কুমার জানান, ঢাকা থেকে দৌলতখানগামী এমভি কর্নফুলী-১ নামের লঞ্চটি গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকায় মেঘনা... বিস্তারিত
 
ওয়ারিতে যুবকের মৃত্যু
পুলিশ বলছে ছিনতাই ও গণপিটুনি পরিবার বলছে চুক্তিভিত্তিক হত্যা
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
রাজধানীর ওয়ারিতে সাজ্জাদুর রহমান রবিন (২৪) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়েছে। আর রবিনের স্বজনরা অভিযোগ করেন, পুলিশ শুধু শুধু রবিনকে আটক করে গাড়িতে তোলে এবং রবিনের প্রতিপক্ষ... বিস্তারিত
 
 
ভিডিও
রাশিচক্র আজ ঢাকায় আজ বগুড়ায়
 
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে করেন কি?
হ্যাঁ
উত্তর নেই
না
 
 
 
আজকের ভিউ
নামাজের সময়সূচী
ওয়াক্ত
সময়
ফজর
03:50
জোহর
12:7
আছর
04:42
মাগরিব
06:54
এশা
08:20
 
 

সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, শিল্পনগরী বিসিক বগুড়া এবং ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, (আরামবাগ) ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও চকযাদু রোড, বগুড়া হতে প্রকাশিত।
ফোন ৬৩৬৬০,৬৫০৮০, সার্কুলেশন বিভাগঃ ০১৭১৩২২৮৪৬৬, বিজ্ঞাপন বিভাগঃ ৬৩৩৯০, ফ্যাক্সঃ ৬০৪২২। ঢাকা অফিসঃ স্বজন টাওয়ার, ৪ সেগুন বাগিচা। ফোনঃ ৭১৬১৪০৬, ৯৫৬০৬৬৯, ৯৫৬৮৮৪৬, ফ্যাক্সঃ ৯৫৬৮৫২২ E-mail : dkaratoa@yahoo.com . . . .

Powered By: